পৃথিবীর ১০ টি বৃহত্তম জিনিস।   পৃথিবীর ১০ টি বৃহত্তম জিনিস।

পৃথিবীর ১০ টি বৃহত্তম জিনিস।

পৃথিবীর বিস্ময়ের বিভিন্ন তালিকা বহুকাল থেকেই বহু তালিকা প্রস্তুত হয়ে আসছে মনুষ্য-কৃত বা প্রাকৃতিক বিস্ময়কর দ্রষ্টব্যগুলির বিবরণী প্রকাশের জন্য। আজকের আয়োজনে থাকলো পৃথিবীর ১০ টি বৃহত্তম জিনিস নিয়ে। 

কোস্ট রেডউড

সবচেয়ে উঁচু গাছের নাম কোস্ট রেডউড। বৈজ্ঞানিক নাম Sequoia sempervirens। এই গাছের আরো কিছু প্রচলিত নাম আছে—ক্যালিফোর্নিয়া রেডউড, জায়ান্ট রেডউড। নাম শুনেই বোঝা যাচ্ছে, এই গাছ প্রধানত আমেরিকার ক্যালিফোর্নিয়াতে জন্মে। গাছগুলো প্রায় ৩৭৯ ফুট বা ১১৫ দশমিক পাঁচ মিটার পর্যন্ত লম্বা হয়। দৈত্যাকৃতির এই গাছ বাঁচেও দীর্ঘদিন। এই গাছগুলো বেশি লম্বা, নাকি এদের জীবনকাল বেশি লম্বা, তাই নিয়ে রীতিমতো প্রতিযোগিতাও হতে পারে। কারণ, ওরা বাঁচে সাধারণত ১২০০ থেকে ১৮০০ বছর! এটা অবশ্য বিজ্ঞানীদের অনুমান। ওদের জীবনকাল এরও বেশি হতে পারে।

 

ডাইনোসর

ডাইনোসর বলতে জনপ্রিয় ধারণায় একটি অধুনা অবলুপ্ত, সাধারণত বৃহদাকার মেরুদণ্ডী প্রাণীগোষ্ঠীকে বোঝায়। এরা পৃথিবীর বাস্তুতন্ত্রের প্রাগৈতিহাসিক অধিবাসী এবং বৈজ্ঞানিকদের অনুমান এই প্রভাবশালী প্রাণীরা প্রায় ১৬ কোটি বছর ধরে পৃথিবীতে রাজত্ব করেছে। প্রথম ডাইনোসরের বিবর্তন হয়েছিল আনুমানিক ২৩ কোটি বছর পূর্বে।ক্রিটেশিয়াস যুগের শেষে প্রায় সাড়ে ৬ কোটি বছর পূর্বে একটি বিধ্বংসী প্রাকৃতিক বিপর্যয় ডাইনোসরদের প্রভাবকে পৃথিবী থেকে সম্পূর্ণ বিলুপ্ত করে দেয়।

 

টাইটানোবোয়া পৃথিবীর সবচেয়ে বড় সাপ

 প্রায় ৬০ মিলিয়ন বছর আগে পৃথিবীর ইতিহাসে ছিল এক ভয়ংকর সাপ, বিজ্ঞানীরা যার নাম দিয়েছিল টাইটানোবোয়া।এটি এতোটাই বড় যা বর্তমান বড় ১০ টি অ্যানাকোন্ডার চেয়ে প্রায় ১০গুন বড়।আজকের এপিসোডে আপনারা জানবেন "পৃথিবীর সবচেয়ে বড় সাপ টাইটানোবোয়ার ইতিহাস" অনেকে বলছেন হয়ত আবার পৃথিবীর বুকে ফিরে আসবে টাইটানোবোয়া।

 

কাঁঠাল সচেয়ে বড় ফল

পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ফল হলো কাঁঠাল। কাঁঠাল এর বৈজ্ঞানিক নাম Artocarpus  heterophyllus(ইংরেজী নাম:Jackfruit)মোরাসিয়া পরিবারেরআর্টোকার্পাসগোত্রের ফল। এক প্রকারের হলদে রঙের সুমিষ্ট গ্রীষ্মকালীন ফল।

 

আর্জেন্টাভিস পাখি

 আর্জেন্টাভিস ম্যাগণিফিসেন্স (ইংরেজি: Argentavis magnificens), অর্থাৎ অসাধারণ আর্জেন্টীয় পাখি। বিলুপ্ত হলেও, এটি এখন পর্যন্ত আবিষ্কৃত বিশ্বের উড়তে সক্ষম পাখিদের মধ্যে সর্ববৃহৎ।

 

স্বর্গের গুহা( দি প্যারাডাইস কেভ ) ঃ

 ভিয়েতনামে অবস্থিত এই গুহাটিকে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ও সুন্দর গুহা বলে আখ্যায়িত করা হয়।

 

রাফলেশিয়া আরনোন্ডি ফুলঃ 

ফুলের অপরূপ সৌন্দর্যে প্রকৃতিপ্রেমীরা শুধু মুগ্ধই হন না, মাঝে মধ্যে বিস্মিতও হন। বিস্ময়কর এমনই একটি ফুলের নাম রাফলেশিয়া আরনোন্ডি। এটি রাফলেশিয়া পরিবারভুক্ত একটি ফুল। গবেষকদের তথ্যানুযায়ী, পৃথিবীতে বড় আকৃতির ফুলের মধ্যে এই বর্গের ফুলই সবচেয়ে বড়। এটি ‘মৃতদেহ ফুল’ নামেও পরিচিত। সাধারণত এই ফুল বেশি দেখা যায় ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রা দ্বীপের যে বনগুলোতে সবসময় ঝরঝর করে বৃষ্টি পড়ে সেখানে।

 

Gigantopithecus 

Gigantopithecus blacki নামের এই রহস্যময় প্রাণী সম্পর্কে খুব অল্পই জানতে পেরেছেন বিজ্ঞানীরা। এরা ওরাংওটাং এর দূরের আত্মীয়। এরা লম্বায় ১০ ফুট পর্যন্ত এবং ওজনে ২৭০ কিলোগ্রাম হতে পারে।

 

নীল তিমি

নীল তিমি পৃথিবীর সবচেয়ে বড় প্রাণী। নীল তিমি সামুদ্রিক এবং স্তন্যপায়ী প্রাণী। এই প্রাণী মানুষের চেয়ে বহুগুণ বড়। এটির ওজন প্রায় ১৫০ টন এবং এরা দৈর্ঘ্যে ৩০ মিটারের (৯৮ ফিট) হতে পারে। দীর্ঘতম নীল তিমিটি একটি স্ত্রী নীল তিমি যেটি দৈর্ঘ্যে ২৯·৫ মিটার এবং ওজনে ১৮০ টন।

 

Sarcosuchus কুমির

১৯৮০ এর দশকে ফরাসী ফসিলবিদেরা একই রকম খুলির টুকরো পেয়েছিলেন। তারা এটার নাম দিয়েছিলেন Sarcosuchus imperator (flesh crocodile emperor). কিন্তু ১৯৯৭ সালে, সেরানো’র অভিযানের আগে, আমরা এই প্রাচীন শিকারীর ব্যাপারে তেমন কিছু জানতাম না।

খনন কাজ শুরু করার পরপরই, তারা কিছু বিশাল চোয়ালের হাড় পেলেন যেগুলোর দৈর্ঘ্য তাদের দলের বেশ কিছু সদস্যের সমান। এই চোয়ালের দৈর্ঘ্য প্রায় ৬ ফুট। আর বিশাল ভয়াবহ দাঁতই বলে দিচ্ছে যে এই দৈত্যাকার কুমীরগুলো সেগুলো ডাইনোসরের মাংস ছাড়ানোর কাজেই ব্যবহার করতো। প্রায় ১১০ মিলিয়ন বছর আগে, মধ্য ক্রেটাশিয়াস যুগে ঘুরে বেড়াতো বলে মনে করা হয়। মাথার খুলির টুকরোগুলো থেকে অনুমান করা যায় যে, এরা লম্বায় প্রায় ৪০ ফুট পর্যন্ত বৃদ্ধি পেতো আর ওজনে হতো প্রায় ৮ টনের মতো।

 

তথ্যসূত্র ও ছবিঃ ইন্টারনেট।



জনপ্রিয়