সন্তানের সাথে যে অভিজ্ঞতাগুলো প্রতিটি মায়েরই নেয়া উচিত  সন্তানের সাথে যে অভিজ্ঞতাগুলো প্রতিটি মায়েরই নেয়া উচিত

সন্তানের সাথে যে অভিজ্ঞতাগুলো প্রতিটি মায়েরই নেয়া উচিত

যখন আপনি মা-সন্তান সম্পর্কের গতানুগতিক পদ্ধতির বাইরে বেরিয়ে আসবেন, উভয় পক্ষই সম্পর্কে নতুন কিছু উদ্ভাবন করেন এনং নতুন নতুন কিছু শিখতে পারেন। আর এ জন্য আপনি আপনার সন্তানের সাথে এমন কিছু ভ্রমনের পদক্ষেপ নিতে পারেন যা কখনো ভোলা সম্ভব নয়। এমন কিছু ভ্রমণ গল্পই আজ আপনাদের সামনে তুলে ধরার চেষ্টা করছি।

যে মুহূর্ত তারা কখনোই ভুলবেন না

Courtesy Mandy Michelle Carter

Courtesy Mandy Michelle Carter

যখন ম্যান্ডি মিশেল কার্টারের ছেলে তিন মাস বয়সী ছিল, তখন তিনি তাকে তার প্রথম সফরে নিয়ে যান। গত ছয় বছর ধরে তাঁরা একশটিরও বেশি জায়গায় ঘুরে বেরিয়েছেন এবং পরবর্তীতে তার ছোট মেয়েকেও সঙ্গী করেছেন। সেন্ট অগাস্টিন, ডেল্রে, মিয়ামি , কীউস অব ক্যারিবীয় ক্রুজ এবং পাহাড়ের মধ্য দিয়ে লম্বা রাস্তা ভ্রমণ সহ ফ্লোরিডা জুড়ে সপ্তাহান্তে ভ্রমণের সময় কার্টার বলছেন যে শিশুদের সাথে ভ্রমণের প্রতিটি মুহূর্ত তার অসাধারণ কেটেছে।

পৃথিবী দেখার পাশাপাশি এতে পৃথিবী এবং তার মানুষের প্রতি নতুন দৃষ্টিকোণ তৈরী করে। কার্টার বলেন, “সবসময় বাচ্চাদের শেখানোর পরিবর্তে তাদের সাথে ভ্রমণে আপনি একসাথে নতুন অনেক কিছু শিখে নিতে পারেন এবং এতে আপনার অভিজ্ঞতাও বৃদ্ধি পাবে।“ যদিও সব সফরই তাদের অসাধারণ কেটেছে তবুও মাত্র চার বছর বয়সে যখন তার ছেলে প্রথম ডলফিন স্পর্শ করে সে দিনের কথা কার্টার এখনও গর্বের সাথে স্মরণ করেন।

সব ঠিক আছে শুধু চরিত্র পালটে গেছে

Courtesy Jaclyn Dorney

Courtesy Jaclyn Dorney

জ্যাকলিন ডর্নির জন্য তার মা ম্যারী স্টেকহাউজকে বেশ কয়েক দশক পর প্রথমবারের মত ওয়ার্ল্ট ডিজনি ওয়ার্ল্ডে নিয়ে গিয়েছিল, যা তাদের মা-মেয়ের সম্পর্ক আরও দৃঢ় করে। ২৯ বছর বয়সে, ডর্নি পৃথিবীর সবচেয়ে সুখী স্থান ভ্রমণের জন্য কেবল তার তিন সন্তানকে নিয়ে আসেননি বরং তার মাকে আবার জাদু উপভোগ করতে আমন্ত্রণ জানান। তিনি বলেন, “তাঁরা সব সময়ই বলত-আপনার সন্তানের চোখে জাদু দেখুন! কিন্তু দেখুননা আমি কখনোই ভাবিনি এর ঠিক বিপরীত হবে। আমি আমার মায়ের চোখে সেই জাদু দেখতে পেয়েছি!”

যেখানে আপনি হ্যাং-আউট করতে পারেন

ক্যালিফোর্নিয়ার একজন মেয়ে হিসেবে, কোরিনা পিটারসন তার মেয়ে মোয়া ইসোবেলকে মাত্র দুই বছর বয়সে বিগ অ্যাপলে নিয়ে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছিলেন। তিনি বলেন, “ আমরা আমাদের মিষ্টি সময়টা খুব  অলস হয়ে পড়েছিলাম এবং সেন্ট্রাল পার্কের প্রতিটি কোণ , খেলার মাঠ ঘুরে দেখি, লেকের পাড়ে গরম হট ডগ খাই, যাদুঘর, চিড়িয়াখানা এবং বাগান ঘুরে শেষ করে ফেরার পথে আমরা টাইম স্কয়ারে একসাথে রাতের খাবার খাই,“ “ আমার স্পষ্ট মনে আছে ইসোবেল যখন ব্র্যায়ান্ট পার্কে ম্যারি-গো-রাউন্ড এ খেলছিলো তখন এডিথ পিয়াফ বাজছিলো আর আমার মুখে, চুলে বাতাস এসে পড়ছিলো। আমার ভাবতেই কান্না পাচ্ছিলো আমার ছোট্ট মেয়েটা একা একা সত্যিই ঝুলতে পারে। আমার মেয়ে প্রথমবার পরিপুর্ণভাবে ঝুলতে সক্ষম হয়েছিলো সেদিন এবং এই ভ্রমণ আমার কাছে সার্থক ছিলো।“

সাংস্কৃতিক নিমজ্জন

যদিও মিশা গিলিংহাম সব সময় বিলাসী ভ্রমণ নিয়ে লিখেছেন, তবুও এমন কিছু অভিজ্ঞতার গল্প যেন না বললেই নয়। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য তার ১২ বছর বয়সী মেয়েকে ক্যানিয়ন পয়েন্ট, উটাহ এর আমানগিরিতে নিয়ে যাওয়া। তিনি স্মরণ করেন "আমরা খুব সুন্দর হর্সেশো বেন্ড, পাউলের লেক, গ্র্যান্ড সিয়ারকেস, এবং অন্যান্য অনেক উত্তেজনাপূর্ণ মরুভূমির দৃশ্য দেখতে পেয়েছি। আমরা মরুভূমিতে সূর্যাস্তের সময় ঘোড়া নিয়ে ঘুরে বেরিয়েছি। একটি বিশেষ স্থান আছে যেখানে একান্তে ভোজন সেরে নেয়া যায়। দুই নাভাজো শেফ খোলা আগুনের উপর আমাদের রাতের খাবার রান্না করতে করতে সেখানকার মানুষ সম্পর্কে আমাদের ধারণা দেয়, তারপর তারা একটি নাভাজো নাচ প্রদর্শন করে যা আমাদের জন্য বেশ আকর্ষণীয় ছিল"।



জনপ্রিয়