যে পাঁচটি কারণে গর্ভবতী মায়ের পেটের সন্তানের ক্ষতি হতে পারে, যদি গর্ভবতী মাকে চাপে রাখা হয় যে পাঁচটি কারণে গর্ভবতী মায়ের পেটের সন্তানের ক্ষতি হতে পারে, যদি গর্ভবতী মাকে চাপে রাখা হয়

যে পাঁচটি কারণে গর্ভবতী মায়ের পেটের সন্তানের ক্ষতি হতে পারে, যদি গর্ভবতী মাকে চাপে রাখা হয়

চাপ আমাদের দৈনন্দিন জীবনেরই অংশ। একজন গর্ভবর্তী মাকেও চাপের মধ্য দিয়ে যেতে হয়। বিজ্ঞানীরা প্রমাণ করেছেন এই চাপ মায়ের পেটের বাচ্চার আইকিউ বাড়তে ও মানসিক বিকাশে বাঁধা হতে পারে। চলুন বিস্তারিত জেনে নিই আজকের আয়োজনে-

১. অতিরিক্ত চাপ কারণ হতে পারে যথাসময়ের পূর্বে সন্তান জন্ম ও কম ওজনের সন্তান জন্মের কারণ হতে পারে

© Depositphotos.com

© Depositphotos.com

সব পিতা-মাতাই চায় পূর্ণাঙ্গ সুস্থ-স্বাভাবিক বাচ্চার জন্ম হোক। কিন্তু মায়ের অতিরিক্ত উদ্বেগ কখনো কখনো বাচ্চার জন্মের জন্য ক্ষেত্রে ক্ষতির কারণ হতে পারে। বিশেষ করে প্রথম কোয়ার্টারে যদি বেশি উদ্বিগ্ন থাকে তবে তা হতে পারে যথাসময়ের পূর্বে সন্তান জন্মদান ও স্বাভাবিকের চেয়ে কম ওজনে জন্ম দেয়ার কারণ।

অতিরিক্ত উদ্বেগ থেকে মূলত শরীরে corticotropin ছাড়ার হরমোন বা সি আর এইচ বাড়তে থাকে যা গর্ভবতী থাকার সময়কে কমিয়ে দিতে পারে। যার ফলে লেবার ডের তারিখ এগিয়ে আসে।

২. মায়ের মানসিক চাপ শিশুর আইকিউ ও ব্রেইন ডেভেলপমেন্টে বাঁধা দেয়

© Depositphotos.com

© Depositphotos.com

বিজ্ঞানীরা প্রমাণ করেছেন বেশি কর্তিসোল লেভেল শিশুর আইকিউ কমাতে পারে। স্বাভাবিকভাবে প্লাসেনটা এনজাইমের জন্ম দেয় যা কর্তিসোলকে ভেঙ্গে দেয়, যদি কেউ চাপ নিয়ন্ত্রণ করতে না পারে তবে তা শিশুর আইকিউ ও ব্রেন ডেভেলপমেন্টের বাঁধা হয়ে দাঁড়ায়।

৩. জন্মের পর বাচ্চার ঘুম ঠিক সময়ে হবে কিনা তা নির্ভর করে মায়ের মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণের উপর

© Depositphotos.com

© Depositphotos.com

যদি গর্ভবতী মায়ের মুড খারাপ থাকে বেশিরভাগ সময়, তবে তা শিশু জন্মের পর তার ঘুমে প্রভাব ফেলবে। দেখা যায় মা যদি চাপের কারণে শিশুর গর্ভাবস্থায় মেজাজ খারাপ রাখে বেশির ভাগ সময় তবে শিশুর জন্মের পর প্রথম দু বছরে ঘুমের সময় স্বাভাবিক হয় না।

৪. গর্ভাবস্থায় মায়ের মানসিক চাপ শিশুর স্বাস্থ্য খারাপ হওয়ারও কারণ

© Depositphotos.com

© Depositphotos.com

শিশু মায়ের গর্ভে থাকা অবস্থায় যদি মায়ের মানসিক চাপ অনুভূত হয় বেশি তবে তা শিশুর জন্মের পর দ্রুত ইনফেকশনের কারণ ও মেন্টাল ডিজঅর্ডারের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। ২০১১ সালে বিজ্ঞানীরা এ ব্যাপারটি নিশ্চিত করেছে। এছাড়াও চোখ, কান ও ত্বকের অস্বাভাবিকত্বও এই কারণে হয়ে থাকে বলে বিজ্ঞানীরা মত দিয়েছে।

৫. গর্ভাবস্থায় মায়ের মানসিক চাপ পরবর্তীতে বাচ্চার ভয় ও উদ্বেগ বাড়ায়

© Depositphotos.com

© Depositphotos.com

সাধারণত মানসিক চাপে থাকা মায়েদের সন্তানরা পরবর্তীতে ভীতু ও খুব উদ্বিগ্ন স্বভাবের হয়। এসব শিশুরা স্কুলে গিয়েও সহপাঠীদের সাথে মিশতে ও ক্লাস করতে ভয় পায়।

আপনার শিশুর নিরাপদে বেড়ে ওঠার জন্য যথাসম্ভব গর্ভবতী মায়েদের যত্নে রাখুন এবং চাপমুক্ত রাখার চেষ্টা করুন। এই বিষয়ে আপনার মূল্যবান মতামত কমেন্টে জানাতে ভুলবেন না। সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ...  



জনপ্রিয়