ছবিগুলো প্রমাণ করে আমাদের লাইফস্টাইল কতটা পরিবর্তিত হয়েছে! ছবিগুলো প্রমাণ করে আমাদের লাইফস্টাইল কতটা পরিবর্তিত হয়েছে!

ছবিগুলো প্রমাণ করে আমাদের লাইফস্টাইল কতটা পরিবর্তিত হয়েছে!

একটা সময় ছিল যখন বিমানে ভ্রমণ করা শুধুমাত্র ধনী ব্যক্তিদের জন্য ছিল। বা বাচ্চারা খেলার জন্য বাইরে যেত। একটি গবেষণা মতে, ২০১৭ সালে ১২ থেকে ১৫ বছরের শিশুরা প্রতি সপ্তাহে প্রায় ১২.২ ঘন্টা ভিডিও গেম খেলায় ব্যস্ত থাকে।

আজকে আমরা নস্টালজিক মুহূর্তের কিছু অভিজ্ঞতার ছবি সংগ্রহ করেছি।  

 

১. মানুষ এবং তাদের কম্পিউটারের বাহ্যিক রূপ

© brightside

© brightside

আপনি কি কখনো বিস্মিত হয়েছেন কেন আমরা প্রায়শই স্বাস্থ্য বিষয় নিয়ে আলোচনা করি? সময়ের পরিবর্তনের সাথে সাথে আমরা কম্পিউটারের উপর বেশী নির্ভরশীল হচ্ছি। আগে আমরা সারাদিনে অল্প সময়ের জন্য কম্পিউটার নিয়ে বসতাম, বর্তমানে আমরা পুরোপুরি এতে আসক্ত হয়ে পড়েছি এবং সব কাজ কম্পিউটার নির্ভর হয়ে যাচ্ছে দেখে সারাদিনই কম্পিউটারের সামনে বসে থাকি।

 

২. ব্রেকআপ

© brightside

© brightside

অতীতে ব্রেকআপ হওয়া মানে মন খারাপ বা হতাশ হওয়ার একটা বিষয় ছিল। বর্তমান প্রজন্মের মানুষ খুবি বাস্তবিক হয়ে উঠছে এবং তারা হারিয়ে যাওয়া মানুষ বা জিনিসের জন্য কেঁদে সময় নষ্ট করে না। তারা ভ্রমণ এবং অ্যাডভেঞ্চার অনুসন্ধান করে এবং তাদেরকে কোন বাধাই আটকে রাখতে পারে না।

 

৩. বিয়ে

© brightside

© brightside

বর্তমানের দম্পতিরাও একে অপরকে অনেক ভালবাসে, কিন্তু সময়ের সাথে স্বাভাবিকভাবে দূরত্ব বেড়ে যাচ্ছে। দম্পতিদের মধ্যে সবচেয়ে বড় বাধা হল অতিরিক্ত প্রযুক্তি ব্যবহারের আসক্ততা।

 

৪. টাকা উত্তোলন

© brightside

© brightside

আপনাদের কি মনে আছে? অতীতে আপনাকে আপনার ব্যাংক একাউন্ট থেকে টাকা উত্তোলনের জন্য দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করতে হতো। অনেক কাগজের কাজ থাকতো দেখে দেরি হতো! মাত্র কয়েক দশকের ব্যবধানে আমরা জানতে পেরেছি টাকা উত্তোলনের সিস্টেম কতটা পরিবর্তিত হয়েছে। এখন আর কষ্ট করে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা লাগে না, যেকোন সময় যত্রতত্র টাকা লেনদেন করা যায়।

 

৫. মুভি থিয়েটার

© brightside

© brightside

বসে মুভি দেখার অভিজ্ঞতা ভুলে যান। নতুন প্রজন্ম কিউরিয়াস হয়ে থাকে। বর্তমানে 3D এবং 4D  সিনেমা আছে, এমনকি বর্তমানে আপনি আপনার গাড়িতে বসেই সিনেমা দেখতে পারেন। এটিকে ড্রাইভ-ইন থিয়েটার বলা হয়।

  

৬. স্কুলের শাস্তি

© brightside

© brightside

আপনার শিক্ষকদের জন্য এখন আর ভয় পাওয়ার কারণ নেই। তারা কখনোই আপনাকে আঘাত করবে না কারণ তারা আইনের সাথে ঝামেলা করতে চায় না।

 

৭. জনসংখ্যা

© brightside

© brightside

বর্তমান দিনে ছেলে-মেয়েদেরকে আর রাস্তাঘাটে খেলা করতে দেখি না। পাবলিক স্থানগুলো্তে এখন বিশৃঙ্খল অবস্থা বিরাজমান। জনসংখ্যা বৃদ্ধি বিশ্বজুড়ে অনেক ছড়িয়ে পড়েছে।

 

৮. বাসস্থান

© brightside

© brightside

সেই দিনগুল চলে গেছে, যখন সাধারণ মানুষ বিলাসবহুল সম্পত্তি সমর্থ হতে পেরেছে। বড় বাড়িগুলো এখন ছোট ছোট অ্যাপার্টমেন্টে প্রতিষ্ঠাপিত করা হয়েছে।

  

৯. বন্ধুর সাথে কথা বলা

© brightside

© brightside

অতীতে আমাদের জীবন এতটাই ব্যস্ত ছিল না। কিন্তু এখন আমাদের বন্ধুদের সাথে দেখা করার জন্যও সময় থাকে না এবং হ্যালো বলতে সামাজিক মিডিয়ার উপর নির্ভরশীল হতে হয়।

 

১০. বাচ্চাদের খেলা

© brightside

© brightside

আপনি আপনার শৈশবের কথা মনে করে দেখুন, তখনকার সময়ে খেলার সময়ের জন্য কত অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করে থাকতেন। সব বাচ্চারা একসাথে বাইরে খেলাধূলার জন্য বের হতো। এটা শুধুমাত্র তাদের শারীরিক ব্যায়াম ছিল না বরং এটি তাদের সামাজিক বন্ধন শক্তিশালী করে রাখতো। বর্তমান দিনের বাচ্চারা শুধুমাত্র তাদের প্রিয় ভিডিও গেইমের সাথে সম্পৃক্ত।  

 

১১. প্রযুক্তি

© brightside

© brightside

এমন সময় ছিল যখন কারো সাথে যোগাযোগ করার জন্য একটি টেলিফোন অপারেটরে গিয়ে ফোন করা লাগতো। কিন্তু, বর্তমানে আপনি যখন তখন যেকোন সময় লাইভ ভিডিও চ্যাট করতে পারেন।

 

১২. বিনোদন

© brightside

© brightside

অতীতে পিকনিক, বাড়িতে পার্টি এবং রাস্তায় খেলা করা হতো। এখন, বাচ্চারা তাদের ভিডিও গেম, মোবাইল ফোন এবং কম্পিউটারে শেয়ার করে আনন্দ উপভোগ করে।

 

১৩. কাজ

© brightside

© brightside

অফিসে দীর্ঘ সময় থাকা এবং গাদা গাদা ফাইল নিয়ে কাজ করার পরিবর্তে বর্তমানে বাড়িতে বসে প্রযুক্তির সাহায্য অনেক কম সময়ে সহজেই কাজ সম্পাদন করতে পারছে।

 

১৪. পারিবারিক কাঠামো 

© brightside

© brightside

যৌথ পরিবার ধীরে ধীরে অতীতের একটি বিষয় হয়ে যাচ্ছে। বর্তমানে, আমরা একক পরিবারের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশে পরিণত হচ্ছে।

 

আপনার কাছে কয়েক দশক ধরে জীবন কিভাবে পরিবর্তিত হয়েছে? আপনার অভিজ্ঞতা আমাদের সাথে শেয়ার করে জানান।  

 



জনপ্রিয়