আপনার বয়স অনুযায়ী দৈনন্দিন কাজের জন্য আপনার আদর্শ সময়   আপনার বয়স অনুযায়ী দৈনন্দিন কাজের জন্য আপনার আদর্শ সময়

আপনার বয়স অনুযায়ী দৈনন্দিন কাজের জন্য আপনার আদর্শ সময়

সবকিছুর জন্য একটি নির্দিষ্ট সময় রয়েছে, এমনকি আপনার একটা নতুন পারফিউম বাছাই করার জন্যেও। কিন্তু বয়স বৃদ্ধির সাথে সাথে পরিবর্তিত হয়। আজকে আমরা আপনার বয়স অনুযায়ী দৈনন্দিন কাজগুলো করার জন্য আদর্শ সময় খুঁজে বের করার জন্য আমন্ত্রণ জানাচ্ছি। 

 

বিশ বছর বয়সের মধ্যেঃ

সকাল ৯.৩০টাঃ যখন ওরেক্সিন  (জাগ্রত হরমোন) ম্যালোটনিন (ঘুমের হরমোন) অগ্রাহ্য করে না ততক্ষণ  পর্যন্ত।

ত্রিশ বছর বয়সের মধ্যেঃ  

সকাল ৮.১০টাঃ আপনার জৈবিক ঘড়িটি সব সময়ই শুরু হয় যতক্ষণ আপনি সতর্ক থাকবেন।

চল্লিশ বছর বয়সের মধ্যেঃ

সকাল ৭.৫০টাঃ আপনার বয়স যখন চল্লিশ হবে তখন আপনার জাগরণ চক্র ঘুমের চক্রের উপর জয়লাভ করে।  

পঞ্চাশ বছর বয়সের মধ্যেঃ

সকাল ৭টাঃ  এই বয়সে, গভীর ঘুম হ্রাস পায়।

ষাট বছর বয়সের মধ্যেঃ

সকাল ৬.৩০টাঃ  সূর্যালোকের উপকারী প্রভাবগুলির ক্ষেত্রে আপনার শরীর ভাল জানেন, তাই আপনি ছোট বাচ্চাদের মতো তাড়াতাড়ি ঘুম থেকে জেগে উঠবেন। 

 

বিশ বছর বয়সের মধ্যে

সকাল ১০টাঃ অল্পবয়সী ছেলেমেয়ে প্রায়ই ব্রেকফাস্ট এড়িয়ে যান কারণ তারা এই সময়ে ক্ষুধা অনুভব করে না। তবে, এক কাপ কফি খেয়ে নিতে পারেন।

ত্রিশ বছর বয়সের মধ্যে

সকাল ৮.৪০টাঃ মিষ্টি বা কঠিন জাতীয় খাবার এড়িয়ে যাওয়া ভালো।    

চল্লিশ বছর বয়সের মধ্যে

সকাল ৮.২০টাঃ ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার আপনাকে একটু বেশি সময় ধরে পেট ভরে রাখবে।

পঞ্চাশ বছর বয়সের মধ্যে

সকাল ৭.৩০টাঃ চল্লিশ বছর পার হয়ে গেলে আপনার বিপাক ৫% ধীর হয়ে যায়, তাই এই সময় শুধু ক্ষুধার জ্বালা মিটানোর জন্য খাওয়া ভালো।

ষাট বছর বয়সের মধ্যে

সকাল ৭টাঃ আপনার শক্তি যোগাতে ব্লুবেরি অনেক ক্যালোরি যোগ করে।  

 

বিশ বছর বয়সের মধ্যে

দুপুর ১২টাঃ এই বয়সে, আপনার মস্তিষ্ক দুপুরে উৎপাদনশীল হওয়া শুরু করে, যদিও আপনার বস এই ধারণাটি খুব বেশি পছন্দ করবে না।

ত্রিশ বছর বয়সের মধ্যে

সকাল ১০.৪০টাঃ মধ্যাহ্নজালীন সময়ে, আপনার করটিসোল স্তর তার প্রাকৃতিক শিখরে পৌঁছে এবং সতর্কতা প্রণোদিত করে।   

চল্লিশ বছর বয়সের মধ্যে

সকাল ১০.২০টাঃ যখন যথেষ্ট সময় চলে যায় তখন ঘুমের জড়তা উধাও হয়।  

পঞ্চাশ বছর বয়সের মধ্যে

সকাল ৯.৩০টাঃ আপনার সতর্কতা এবং একাগ্রতার স্তর শীর্ষে থাকে।  

ষাট বছর বয়সের মধ্যে

সকাল ৯টাঃ আপনার মস্তিষ্কের সংযোগগুলি তাদের সর্বাধিক সক্রিয়।

 

বিশ বছর বয়সের মধ্যে

বেলা ৩.৩০টাঃ আপনার দিন দেরী করে শুরু করার কারণে ক্ষুধা লাগার জন্য কিছু সময় লাগে।

ত্রিশ বছর বয়সের মধ্যে

বেলা ২.১০টাঃ এই সময়ের মধ্যে খাবার না খেলে আপনার শরীর তার গ্লুকোজ রিজার্ভ ব্যবহার করবে এবং আপনার পেট জ্বালা করবে।  

চল্লিশ বছর বয়সের মধ্যে

বেলা ১.৫০টাঃ এই সময়ে খাবার খেলে শরীরে শক্তি ফিরে পাবেন।   

পঞ্চাশ বছর বয়সের মধ্যে

বেলা ১টাঃ এই বয়সে এই সময়ে দুপুরের খাবার খাওয়া ভালো।

ষাট বছর বয়সের মধ্যে

দুপুর ১৩.৩০টাঃ আপনার স্বাদ কুঁড়ি সকাল ১১টা এবং বেলা ১টার মধ্যে সংবেদনশীল হয়।

 

ত্রিশ বছর বয়সের মধ্যে

বেলা ৩.৪০টাঃ মধ্যাহ্নে ২০ মিনিটের মতো বিশ্রাম নিলে কাজ করার জন্য পুনরায় শক্তি ফিরে পাওয়া যায়।     

চল্লিশ, পঞ্চাশ এবং ষাট বছর বয়সের মধ্যে

বেলা ২টাঃ এই সময় দুপুরের খাবার পর কিছুটা ক্লান্তি অনুভব হয়ে থাকে। আপনি যখন ষাট বছর বয়সে পা দিবেন তখন আপনার যদি একান্তই বিশ্রাম নেয়ার দরকার মনে করেন তখনই কেবল বিশ্রাম নেয়ার জন্য বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দিয়েছেন।  

 

বিশ বছর বয়সের মধ্যে

রাত ৮টাঃ এই বয়সে সন্ধ্যায় জীর্ণতা বেশি করে দেখা দেয়।  

ত্রিশ বছর বয়সের মধ্যে সন্ধ্যে ৬.৪০মিনিটের মধ্যে কাজ শেষ করা ভালো।   

চল্লিশ বছর বয়সের মধ্যে

সন্ধ্যে ৬.২০টাঃ আপনার দেরী করে দুপুরের খাবার খাওয়া এই সময় পর্যন্ত সবচেয়ে শক্তি প্রদান করে।

পঞ্চাশ বছর বয়সের মধ্যে আপনার দৈনন্দিন কার্যকলাপ শেষ করার জন্য বিকাল ৫.৩০মিনিট একটি ভাল সময়।

ষাট বছর বয়সের মধ্যে

বিকাল ৫টাঃ আপনি যদি এখনো কাজ করে থাকেন, তাহলে আপনার পুরো শক্তি শেষ হওয়ার আগেই বাড়িতে চলে যান।

 

বিশ বছর বয়সের মধ্যে

রাত ৮.৩০টাঃ কারণ সারাদিন কাজ করার পরও আপনার মস্তিষ্ক এখনো প্রাণবন্ত আছে।  

ত্রিশ বছর বয়সের মধ্যে

রাত ১০টাঃ একটি সীমিত পরিমাণ সময় যাতে এটি আপনার ঘুমে প্রভাবিত না করে।

চল্লিশ এবং পঞ্চাশ বছর বয়সের মধ্যে

রাত ৯.৩০টাঃ বাতের প্রাথমিক উপসর্গ এড়াতে সীমিত সময় মানে ১ ঘন্টার মতো ব্যবহার করতে পারেন।

ষাট বছর বয়সের মধ্যে

রাত ৯টাঃ এই বয়সে আপনার চোখ কৃত্রিম আলোতে আরো সংবেদনশীল।

 

বিশ বছর বয়সে রাতের খাবার খাওয়ার আদর্শ সময় হলো রাত ৯.৩০মিনিট।

ত্রিশ বছর বয়সে কাজ শেষ করার এক বা আধা ঘন্টা পর রাতের খাবার খাওয়া ভালো।   

চল্লিশ বছর বয়সের মধ্যে রাত ৭.৫০ মিনিটে ডিনার করলে ঘুমাতে যাবার আগে খাদ্য হজম হওয়ার যথেষ্ট সময় পায়।

পঞ্চাশ বছর বয়সের মধ্যে তার ৭টার মধ্যে ডিনার করা ভালো। কারণ এই বয়সে, নিয়মিত খাবার আপনার কলেস্টএরলের মাত্রা কম রাখতে এবং কার্ডিওভাসকুলার সমস্যা প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ।  

ষাট বছর বয়সের মধ্যে সন্ধ্যে ৬.৩০ মিনিটে ডিনার সেরে ফেলা ভালো, কারণ সময় থাকতে খাওয়া হার্টবার্ন এবং বদহজম কমিয়ে দেয়।

 

বিশ বছর বয়সের মধ্যে বেলা ৩টার দিকে সহবাস করা ভালো সময়। এই বয়সে, কামশক্তি মধ্যাহ্নে সর্বাধিক অনুভূত হয়।

ত্রিশ বছর বয়সের মধ্যে সকাল ৮.২০টা। এই সময়ে, সূর্যালোক হাইপোথ্যালামাস উদ্দীপনার মাধ্যমে পুরুষ এবং নারী উভয় ক্ষেত্রেই টেসটোসটের বৃদ্ধি পায়।

চল্লিশ বছর বয়সের মধ্যে রাত ১০.২০ টায় সহবাস করা ভালো। কারণ এই সময় মনের ভার হালকা থাকে এবং এই সময়ে সহবাস করলে বিশ্রাম এবং ঘুম বৃদ্ধি পাবে।

পঞ্চাশ বছর বয়সের মধ্যে রাত ১০টার মধ্যে করা ভাল। 

ষাট বছর বয়সের মধ্যে রাত ৮টায়। 

 

বিশ বছর বয়সের মধ্যেঃ রাত ১১টায়

ত্রিশ বছর বয়সের মধ্যেঃ  রাত ৮.১০ মিনিটে

চল্লিশ এবং পঞ্চাশ বছর বয়সের মধ্যেঃ সন্ধ্যা ৬টায়

ষাট বছর বয়সের মধ্যেঃ সন্ধ্যা ৬টায়

 

বিশ বছর বয়সের মধ্যেঃ ঘুমানোর পারফেক্ট সময় রাত ১টা।  ঘুমাতে যাওয়ার ১ ঘন্টা আগে স্মার্টফোন, ট্যাব  ব্যবহার বন্ধ করা উচিৎ।  

ত্রিশ বছর বয়সের মধ্যেঃ  রাত ১১টা। এই সময়ে ঘুমালে ভাল ঘুম নিশ্চিত হয়, স্মৃতিশক্তি একত্রিত করা যায় এবং পরের দিনের জন্য আপনার সতর্কতা উন্নত হয়।   

চল্লিশ বছর বয়সের মধ্যেঃ রাত ১১.৩০ মিনিট। আপনাকে মধ্যরাতের আগেই ঘুমাতে যেতে হবে।

পঞ্চাশ এবং ষাট বছর বয়সের মধ্যেঃ রাত ১০টা। 

 



জনপ্রিয়