ঘটনাগুলো দেখে মনে হবে জাপানীরা পৃথিবীর বাইরে ভিন্ন কোন গ্রহ থেকে এসে পড়েছে ! ঘটনাগুলো দেখে মনে হবে জাপানীরা পৃথিবীর বাইরে ভিন্ন কোন গ্রহ থেকে এসে পড়েছে !

ঘটনাগুলো দেখে মনে হবে জাপানীরা পৃথিবীর বাইরে ভিন্ন কোন গ্রহ থেকে এসে পড়েছে !

জাপান- প্রশান্ত মহাসাগরের একদম পূর্ব কোণে ৬,৮০০ টি দ্বীপ নিয়ে গড়ে ওঠা ছোট্ট একটি দেশ; কিন্তু এই দেশটি নিয়ে পৃথিবীজুড়ে মানুষের বিস্ময়ের সীমা নেই। প্রযুক্তির মুন্সিয়ানায় গোটা বিশ্বকে মাতিয়ে রেখেছে জাপানিরা, কিন্তু তাদের সাফল্যের দৌড় কেবল কাঠখোট্টা প্রযুক্তিগত ক্ষেত্রেই সীমাবদ্ধ নয়, শিল্প সাহিত্যে চিত্রকলা সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে তাদের ঈর্ষণীয় বিচরণ।

 

এয়ারপোর্টে একবার ফ্লাইট ছাড়তে দেরী হয়ে যায়। জাপানের সেই এয়ারপোর্টের কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ যাত্রীদের সামনে জড়ো হয়ে, তাদের সামনে ঝুঁকে সম্মান জানান ও ক্ষমা প্রার্থনা করেন।

 

 

ট্রলি নিয়ে সিঁড়ি দিয়ে নামার ঝামেলা কত, যিনি নামিয়েছেন শুধু তিনিই জানেন কিন্তু, কোন চিন্তা নেই আপনি এখন জাপানের কথা শুনছেন। আর উদ্ভাবনী শক্তিতে জাপানিজরা ঠিক একটা উপায় বের করেছেন। ট্রলির নিচে লাগিয়ে দিয়েছে এক ধরনের সাসপেনশন ট্র্যাক, যা সাধারণত মিলিটারি ট্যাংকে ব্যবহার করা হয়।

 

জমিতে শষ্য এমনভাবে বোপন করা হয়, যখন বড় হয়, তখন রঙ-বেরঙের আর্টে পরিণত হয়। এমন আর্ট কেবল জাপানেই দেখতে পাবেন। এটি সম্প্রতি জাপানে খুব জনপ্রিয় হয়ে উঠছে।

© xxkiroxx / Instagram

© xxkiroxx / Instagram

 

জাপানে গিয়ে পথ হারিয়েছেন? সোজা থানায় চলে আসেন। পুলিশের সাহায্য চাইলে তারা আপনাকে ডিটেইলড ম্যাপ এঁকে যাত্রাপথ দেখিয়ে দিবে।

 

আপনি কি কখনো এই রকম সবচেয়ে সংগঠিত লাগেজ পিকআপ করা দেখেছেন? লাগেজগুলো সহজে যাতে তোলা যায় এজন্য হ্যান্ডেলগুলো বাইরের দিকে মুখ করে সাজানো হয়েছে (নারিতা এয়ারপোর্ট থেকে তোলা)।

© abiem01 / Instagram

© abiem01 / Instagram

 

জাপানে রাস্তার বসানো আছে সবজির দোকান। তাতে নাই কোন দোকানি? জিনিসের গায়ে দাম লেখা রয়েছে। যার যেটা প্রয়োজন তিনি সেটা কিনে মূল্য দোকানে রাখা বাক্সে রেখে যান।

© tsukachan91 / Instagram

© tsukachan91 / Instagram

 

জাপানে প্রকাশিত অধিকাংশ বই কমিক্স বই। শতকরা হিসেবে যা দাঁড়ায় ২০% এ।

কমিক্স বই

কমিক্স বই

 

ম্যাচ শেষে নিজেদের ড্রেসিংরুম পরিষ্কার করে জাপান দল। পুরো ড্রেসিংরুম ঝকঝকে পরিষ্কার করে যাবার সময় একটি টেবিলের উপর কাগজে ‘ধন্যবাদ’ লিখে দিয়ে যায় জাপান।

SB Nation

SB Nation

শুধু ফুটবলাররাই নয়, রাশিয়ায় খেলা দেখতে আসা জাপানের সমর্থকরা খেলা শেষেও গ্যালারি পরিষ্কার করেছেন। প্রতি ম্যাচেই সমর্থকদের এমন কান্ড দেখা গেছে রাশিয়ার গ্যালারিতে।

Mirror
 

Mirror

 

২০১৪ সালে একটি রাস্তাই ৪৫ ফুট গর্ত হয়ে যায় এবং অবিশ্বাস্য ভাবে এটি মাত্র ৪৮ ঘন্টার মধ্যেই ঠিক করে দেওয়া হয়।যেটা তৎকালীন সময়ে ইন্টারনেটে ভাইরাল হয়।

source: internet

source: internet

 

জাপানের রাস্তায় কোন ডাস্টবিন থাকে না! এমনকি দেশটির কোথাও অন্যান্য দেশের মত বর্জ্যের ভাঁগাড় পর্যন্ত নেই, কারণ জাপানিরা সবরকম বর্জ্য রিসাইকেল করে ফেলে! যেগুলো রিসাইকেল করা সম্ভব না সেগুলো খুব সুশৃংখল একটি পদ্ধতির মধ্য দিয়ে ধ্বংস করে ফেলা হয়। ধূমপায়ীরা ব্যাগে করে ছাইদানি নিয়ে ঘুরেন, জাপানের রাস্তায় যে সিগারেটের ছাই পর্যন্ত ফেলা নিষিদ্ধ!

source: internet
 

source: internet

 এই স্মার্ট ব্রা নারীরা কি অনুভব করে তা ‘বুঝতে পারে’ এবং ভালোবাসার সময় এর পরিধানকারী যদি মন থেকে ‘সত্যিকার ভালোবাসা’ অনুভব করে কেবলমাত্র তখনই এই ব্রায়ের হুক খুলবে। 

© Ravijour

© Ravijour

 

আপনি এধরণের টয়লেট জাপানে খুঁজে পাবেন, যেখানে হাত ধোয়ার পানিটাই পরে ফ্লাশের কাজে লাগে!

© illemu / Instagram

© illemu / Instagram

 

জাপানে শিশুদের স্কুলে পড়ালেখার পাশাপাশি আদব-কায়দা শেখানোর বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে দেখা হয়ে থাকে। গুরুজনদের সম্মান করা, মানুষের সাহায্যে হাত বাড়িয়ে দেওয়া, সবাই মিলে কাজ করা ইত্যাদি শিক্ষা একদম ছেলেবেলায় জাপানিদের মনে গেঁথে দেওয়া হয়। স্কুলে ছাত্র-শিক্ষক নিজেরাই মিলেমিশে একসাথে ক্লাসরুম, ক্যাফেটেরিয়া ইত্যাদি পরিষ্কার করেন, কোন কাজকেই ছোট করে না দেখার অভ্যাস এখান থেকেই গড়ে ওঠে জাপানী শিশুদের।

source: internet

source: internet

 

ছোটবেলা থেকে চাপমুক্ত ও পড়া ভীতি যাতে তৈরি না হয়, সেজন্য জাপানে ১০ বছর বয়স পর্যন্ত শিশুদের পরীক্ষা দিতে হয় না।

বাচ্চাদের পরীক্ষা নেওয়া হয় না

বাচ্চাদের পরীক্ষা নেওয়া হয় না

 

বড় বিল্ডিংয়ে আগুন লাগলে হুড়াহুড়িতে অনেক মানুষ আহত হন। জাপানিজদের কাছে রয়েছে সুন্দর সমাধান। এই বিল্ডিংয়ের ফায়ার স্কেপটি একটি স্লাইডারের মত। আগুন লাগলে সহজেই সবাই বেরিয়ে এসে তাড়াতাড়ি করে নেমে পড়তে পারবেন।

 

গাড়ি বা ট্রেনের সিটের কাভারে এঁকে দেয়া আছে এই সিটতে বসার ব্যাপারে কাদেরকে গুরুত্ব দিতে হবে। ছবিতে দেখানো সিট দুইটা প্রবীণদের জন্য সংরক্ষিত।

 

হোটেলের রিপিসশন ডেস্কে গিয়ে দেখলেন, এ কি! দু’ দু’টো ডায়নোসর। ভয় পাওয়ার কিছু নেই, এগুলো রোবট। হোটেলের রিজার্ভেশন থেকে শুরু করে অতিথিদের বেশ কিছু কাজে অটোমেশনে সাহায্য করে রোবটগুলো।

 

কোন ছবিটি আপনার কাছে সবচেয়ে ভালো লেগেছে আমাদের কমেন্টে জানাতে ভুলবেন না। আপনার আশে পাশের যে কোন ভালো কিংবা মজার ছবি যদি আমাদের মাধ্যমে পেইজে অথবা আর্টিকেলে শেয়ার করতে চান তাহলে আমাদের ফাঁপরবাজ পেইজের ইনবক্সে ছবিটি কোথায় উঠানো এবং কে উঠিয়েছেন এই তথ্য সহ মূল ছবিটি পাঠাতে পারেন, পরবর্তিতে আমরা আপনার তোলা ছবি সবার সাথে শেয়ার করব। সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ



জনপ্রিয়