ঘটনাগুলো বাংলাদেশের সোশ্যাল মিডিয়াতে রেকর্ড পরিমানের ঝড় তুলেছিল !      ঘটনাগুলো বাংলাদেশের সোশ্যাল মিডিয়াতে রেকর্ড পরিমানের ঝড় তুলেছিল !

ঘটনাগুলো বাংলাদেশের সোশ্যাল মিডিয়াতে রেকর্ড পরিমানের ঝড় তুলেছিল !

সোশ্যাল মিডিয়ার কল্যাণে আমরা দেখেছি বিভিন্ন সময় বিভিন্ন সমস্যার সমাধান করতে কিংবা বিভিন্ন সময় সোশ্যাল মিডিয়ার কারণে নতুন সমস্যা তৈরি হতে। এক বছরের সোশ্যাল মিডিয়াতে অনেক কিছু ভাইরাল হয় বা ঝড় তুলে এর মাঝে উল্লেখযোগ্য সাতটি আমরা দেখানোর চেষ্টা করেছি, কিছু হয়তো মিস হয়ে যেতে পারে কমেন্টে জানালে পরবর্তীতে আমরা তো সংযোজন করে দিব। আজকে আমরা আপনাদেরকে বাংলাদেশের কিছু ঘটনা উল্লেখ করব যেগুলো গত বছর ২০১৮ সালে সোশ্যাল মিডিয়াতে রেকর্ড পরিমাণ এর ঝড় তুলেছিল

 

২০১৮ সালের জুলাই মাসে অতিষ্ঠ গরমের পর নেমে আসে স্বস্তির বৃষ্টি। বৃষ্টিতে প্রকৃতি শীতল হয়ে এলেও সেই বৃষ্টিতে তোলা একটি ছবি নিয়ে সরগরম হয়ে উঠেছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র শিক্ষক কেন্দ্র টিএসসিতে এক যুগলের চুম্বন দৃশ্য নিয়ে আলোচনার ঝড় উঠেছে বিভিন্ন মহলে। সমালোচনাও কম হয়নি। আর এই আলোচনা- সমালোচনার জন্ম দিয়েছেন ফটো সাংবাদিক জীবন আহমেদ।

সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমগুলোতে ও বাংলাদেশের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমেও এ ছবি নিয়ে কম কথা হয়নি। অনেকেই বিষয়টিকে ভিন্ন চোখে না দেখে ইতিবাচক দৃষ্টিতেও দেখছেন। কেউ কেউ আবার প্রতিবাদ জানাতে গিয়ে নিজের প্রেয়সীর সঙ্গে চুমুর ছবি সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমগুলোতে উন্মুক্ত করতে শুরু করেছেন। সেই তালিকা থেকে বাদ পড়েননি তারকারাও। 

 

সোশ্যাল মিডিয়ায় নানা ধরণের অশ্লীল, অসঙ্গতিপূর্ণ ভিডিওবার্তা ছড়িয়ে বেশ আলোচনায় সিফাত উল্লাহ ওরফে সেফুদা নামে এক প্রবাসী বাংলাদেশি।  দীর্ঘ ২৫ বছর থেকে রয়েছে পরবাসে।  সিফাত উল্লাহর প্রিয় খাবার হলো চেরিফল, মদ/ওয়াইন। অধিকাংশ সময় লাইভে এসে এই খাবারগুলো খান এবং মানুষকে এগুলোর গুণাগুন বর্ণনা করেন। খেতে উৎসাহিত করেন।  তার প্রিয় কাজগুলোর মধ্যে একটা হলো বাংলাদেশের চলমান বিষয়গুলো নিয়ে অশ্লীলভাবে ব্যক্তি বিশেষকে গালাগালি করা। 

তথ্য অনুযায়ী, সেফাত উল্লাহ ১৯৭৯/১৯৮০ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেছেন। বর্তমানে ভিয়েনায় এক স্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রফেসর হিসেবে রয়েছেন। পাশাপাশি একটি অনলাইন শপে পার্টটাইম কাজ করেন। স্বীকৃত কাজ ছাড়াও তিনি কবিতা লেখেন, গান লেখেন, স্থানীয় গনমাধ্যম তথা টেলিভিশনে কাজ করেন।

 

‘দিস ইলেকশন ইজ ভেরি ইমপরট্যান্ট ইলেকশন, সো গাইস, বি কেয়ারফুল’—এটি একটি গানের চরণ। এরপরের কথাগুলো অবশ্য বাংলা—‘টাকাপয়সা এক দিন আর ভালোবাসা চিরদিন/ তাই মানিক ভাইয়ের সালাম নিন/ হাতে লাগালে কালি আর চোখে লাগালে কাজল/ আমি মানিক ভাইয়ের পাগল।’ একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের চূড়ান্ত প্রার্থী মনোনয়নের আগে ঢাকা-৭ আসনের মনোনয়নপ্রত্যাশী হাসিবুর রহমান মানিককে নিয়ে বাঁধা হয়েছিল গানটি।

ছবি ক্রেডিট: earki

ছবি ক্রেডিট: earki

মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শোভাযাত্রায় প্রথমবার বাজানো হয়েছিল এই গান। হাসিবুরের কপাল খোলেনি, কিন্তু গানটি হিট। অল্প সময়ের মধ্যেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এটি। ব্যঙ্গ করে অনেকের মুখে মুখেও ছিল গানের কথা। এবার ঢাকার নির্বাচনী হাওয়ায় এই গানই প্রথম আলোচিত হয়।

 

আরমান আলিফ, টুম্পা খান কিংবা মাহতিম সাকিবকে চিনতেন না কেউই। ২০১৮ সালের মাঝামাঝি সময়ে বদলে যায় তাঁদের জীবন। অন্তর্জালে ভাইরাল হয় তাঁদের গাওয়া গান। রাতারাতি পেয়ে যান জনপ্রিয়তা। হালের জনপ্রিয় ‘অপরাধী’ গানটিকে প্যারোডি করে আলোচিত হয়েছিলেন ইউটিউবার টুম্পা খান সুমী। গানটির মূল তরুণ শিল্পী আরমান আলিফও টুম্পার গানের প্রশংসা করেছিলেন

এতে বাদ যায়নি বাংলাদেশের ক্রিকেটাররাও, পেসার আবু হায়দার রনি গলা ধরেছেন ‘একটা সময় তরে আমার সবই ভাবিতাম, তোর মন পিঞ্জিরায় যতন করে আগলায়া রাখিতাম।’ তার সঙ্গে গলা মিলিয়ে বাকিরা গাইছেন, ‘মাইয়া ও মাইয়ারে তুই অপরাধী রে, আমার যত্নে গড়া ভালোবাসা দে ফিরায়া দে।’ আফগানিস্তান সিরিজের আগে ড্রেসিং রুমে এমনই মাতোয়ারা হয়েছিলেন বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা। যদিও আফগানদের বিপক্ষে হোয়াইটওয়াশ হওয়ার পর সেই গানের জন্য তুমুল সমালোচিত হন ক্রিকেটাররা। 

 

ঢাকাই চলচ্চিত্রের নবাগতা নায়িকা সানাই মাহবুব সুপ্রভা। বর্তমান সময়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাকে ঘিরে জোর আলোচনা চলছে। ব্রেস্ট ইমপ্ল্যান্ট করিয়েছেন তিনি। নিজের ব্রেস্ট ৩৬ থেকে করেছেন ৪৪ সাইজের। আর সেটা নিয়ে খোলাামেলা কথাও বলছেন তিনি। আর তাতেই চলছে তাকে ঘিরে বিতর্ক ও সমালোচনা। 

টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার যুগান্তরকে বলেন, শুধু টিকটক নয় দেশীয় সংস্কৃতির জন্য হুমকি রয়েছে এমন সব ধরনের সাইট আমরা বন্ধ করে দিতে চাই। তিনি বলেন, আমি ইন্টারনেটকে নিরাপদ করতে চাই। আমার দেশ ইউরোপ না আমেরিকা না আমার দেশে বাংলাদেশ। তাই এ দেশের মানুষ, সমাজ, সাহিত্য, সংস্কৃতি সঙ্গে যায় না এমন কোনো কিছুকেই আমি রাখতে চাই না।

এবার সেই অভিযানের অংশ হিসেবে সানাইকে সাইবার নিরাপত্তা ও অপরাধ দমন বিভাগে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আনা হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আপত্তিকর ভিডিও ছাড়ানো থেকে বিরত থাকবেন এই অঙ্গীকারের মুচলেকা নিয়ে রোববার (১৭ ফেব্রয়ারি) বিকেলে নায়িকা-মডেল সানাই মাহবুব সুপ্রভাকে ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ। 

 

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বহুল চর্চিত একটি নাম মিশেল অপু মন্ডল। প্রেমের টানে সুদূর যুক্তরাষ্ট্র থেকে আসা সারা মেকিয়েনকে বিয়ে করে আলোচনার জন্ম দেন বরিশালের এই তরুণ।

তবে বিয়ের তিন দিন পরই তাকে মৃত বলে 'ঘোষণা' করল ফেসবুক। অপু মন্ডলকে মৃত বলে তার প্রোফাইল রিমেম্বারিং করে দিয়েছে সামাজিক যোগাযোগের এ মাধ্যমটি।  বরিশাল নগরীর দুই নম্বর ওয়ার্ডের কাউনিয়া প্রধান সড়কের খ্রিস্টান কলোনীতে বসবাস মাইকেল অপু মন্ডলের। পেশায় তিনি রং মিস্ত্রি। সে একজন ফ্রিল্যান্সারও। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার বাসিন্দা সমাজকর্মী সারা মেকিয়েন মিনিসোটার একটি বৃদ্ধাশ্রমে নার্স হিসেবে কর্মরত।

সাধারণত আইডির সঙ্গে যুক্ত থাকা বন্ধু এবং অন্যান্য ব্যবহারকারী ‘আইডি রিমেম্বারিং’ করার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ মৃত ব্যক্তির আইডিকে ‘রিমেম্বারিং’ করে। তবে অনেক সময় দেখা যায় কেউ নকল মৃত্যু সনদ বানিয়ে ফেসবুকের কাছে দিলেও তা রিমেম্বারিং করে দেয় ফেসবুক। সম্ভবত কারো বিষয়টি ভালো লাগেনি তাই রিমেম্বারিং করে দিয়েছিল ! 

 

মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ অনুষ্ঠানে একজন মডেল, অভিনেতা ও কোরিওগ্রাফার খালেদ হোসেন সুজন অনন্যাকে জিজ্ঞেস করেন, ‘‘H2O মানে কি?'' প্রথমে জানেন না বললেও পরে অনন্যা বলেন, ‘‘এ নামে একটি রেস্টুরেন্ট আছে ধানমন্ডিতে৷'' বিচারক তো বটেই, দর্শক সারিতে উপস্থিত সকলের মধ্যেও এ নিয়ে সৃষ্টি হয় হাস্যরসের৷  সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল যে শব্দ দুটি হয়েছিল , তা হলো- H2O এবং Wish। বিশেষ করে H2O তে ভেসে গেছে নিউজফিড। পানির রাসায়নিক সংকেত নিয়ে ফেসবুক রসিকতায় টইটুম্বুর।

একজন লিখেছেন, জীবন মানে জি-বাংলা হতে পারলে রেস্টুরেন্ট এর নাম H2O হতে পারবে না কেন? কেউ লিখেছেন, দোকানদারকে H2O হিট করে একটা চা দিতে বললাম, সে পাত্তাই দিল না। এই দোকানদারের জন্য তোমরা এখন কী Wish করবা বন্ধুরা? ব্যাপারটি নিয়ে ট্রল কম হয়নি। বিভিন্ন গ্রুপ, পেজে এসব শেয়ার হয়েছে।

কেউ কেউ আবার প্রতিযোগীর পাশাপাশি বিচারকের মানদণ্ড নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন৷ তাঁরা বলছেন, কিছুক্ষণ পরেই অন্য এক বিচারক মডেল, অভিনেত্রী ও কোরিওগ্রাফার ইমি প্রতিযোগীদের ‘গুড নাইট' বলে সম্ভাষণ জানান৷ ‘গুড নাইট' যে শুধু বিদায়ের সময় বলা যায়, সে বিষয়টি যে প্রতিযোগিতার বিচারক জানেন না, সেখানে প্রতিযোগীর মান নিয়ে প্রশ্ন তোলা কতটা যৌক্তিক, সে নিয়েও বিস্ময় প্রকাশ করেছেন অনেকে৷

 

ফেসবুকে ঝড় তুলেছিল ২০১৮ সালের ভ্যালেন্টাইন দিবস উপলক্ষে ‘আমারি ঢাকা’ হোটেলের একটি বিজ্ঞাপন। মূলত বিজ্ঞাপনটির চোখ কপালে উঠানোর মত অর্থমূল্যকে সবাই সমালোচনার বাক্যবাণে বিদ্ধ করছেন। ফেসবুকজুড়ে হচ্ছে নানা ধরনের ট্রল ও স্যাটায়ার। প্রতিদ্বন্দ্বী নানা প্রতিষ্ঠান সেই বিজ্ঞাপনের প্রতি বিজ্ঞাপন হিসেবে আপাত কম মূল্যে নানা অফার দিয়েছিল 

গুলশান-২ এর ৪১ নম্বর রোডে অবস্থিত আমারি ঢাকা একটি চার তারকা মানের হোটেল। ভ্যালেন্টাইন ডে উপলক্ষ্যে তারা ২০১৮ সালে একটি বিশেষ ভ্যালেন্টাইন প্যাকেজ অফার করেছিল যার মূল্যমান নয় লক্ষ টাকা, ভ্যাটসহ সর্বমোট খরচ হবে এগারো লক্ষ আটত্রিশ হাজার পাঁচশত টাকা। ‘অন ক্লাউড নাইন’ নামের এই প্যাকেজ গ্রহীতা কাপল পাবেন লিমুজিন কারে পিক এন্ড ড্রপ, হেলিকপ্টারে করে ঢাকা সিটি স্কাই ট্যুর, হোটেলটির ১৮ তলার রুফটপে ৯ কোর্সের বিশেষ ডিনার যাতে রয়েছে নানান দেশের বিখ্যাত সব খাবার, ব্যাক্তিগত বাটলার, স্পা সুবিধা এবং রয়েল হানিমুন স্যুটে একরাত থাকার সুযোগ ।বাংলাদেশের সমসাময়িক আর্থ সামাজিক প্রেক্ষাপটে আক্ষরিক অর্থেই চোখ কপালে উঠার মতো খরুচে অফার এটি।

 

২০১৮ সালের শুরুতেই কোটি কোটি তরুণের ঘুম কেঁড়ে রাতারাতি সেলিব্রেটি বনে গিয়েছিল ‘প্রিয়া প্রকাশ‘। ২০১৮ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারিতে মালায়াম সিনেমা ‘উরু আদার লাভ’ -এর একটি ছোট্ট ক্লিপস হঠাত ভাইরাল হয়ে যায় অনলাইন জগতে।

কিশোর প্রেম নিয়ে ছোট ঐ ভিডিও ক্লিপটিতে দেখা যায়, ‘প্রিয়া প্রকাশ’ নামের মেয়েটি তাঁর বন্ধুকে চোখ মারে। আর সেই দৃশ্যই মুহূর্তে হৃদয় কেড়ে নিয়েছিল কোটি কোটি তরুণের। আর তাতেই রাতারাতি তারকা বনে যায় এই ‘প্রিয়া প্রকাশ’।

 

প্রতিবছরই আমাদের দেশে প্রকাশ পায় বেশ কিছু জনপ্রিয় মিউজিক ভিডিও। ২০১৮ সালে বেশ কিছু বাংলা মিউজিক ভিডিও ইউটিউব কাঁপিয়েছে। তবে সমালোচিত হয়েছে নুসরাত ফারিয়ার ‘পটাকা’ ও সিয়ামের ‘হাজির বিরিয়ানি’ নামের এই দুটি মিউজিক ভিডিও। যদিও মিউজিক ভিডিও হিসেবে নয়, মূলত গানের কথা নিয়েই আলোচনার ঝড় তুলেছিল মিউজিক ভিডিও দুটি।

জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা নুসরাত ফারিয়ার গাওয়া প্রথম গান ছিল ‘পটাকা‘। আর নিজের গাওয়া প্রথম গানেই ইউটিউবে অপ্রত্যাশিতভাবে ডিজলাইকের রেকর্ড গড়েন এই নায়িকা। গানটি একইসাথে নেচেছেনও উপস্থাপিকা থেকে নায়িকা বনে যাওয়া নুসরাত ফারিয়া। মূলত দর্শকদের দাবি, গানটি অর্থহীন! আর এতেই সোশ্যাল মিডিয়ায় আলোচনার ঝড় উঠে পটাকার বিপক্ষে। একে একে দর্শকরা দিতে শুরু করে ডিজলাইক। কমেন্টেও বাদ যায় নি সমালোচনা। পরিস্থিতি যখন বেগতিক। এমতাবস্থায় মিউজিক ভিডিওটির লাইক ডিজলাইক সংখ্যা প্রদর্শন বন্ধ করে দেয় চ্যানেলটি। 

 

 মোটর শ্রমিকদের অবরোধ চলাকালীন সময়ে এক ক্ষুব্ধ পথচারীর সাক্ষাৎকার থেকে ‘হাইস্যকর‘ শব্দ উচ্চারনতঁই সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশ ভাইরাল হয়।

 

কোন ছবিটি আপনার কাছে সবচেয়ে ভালো লেগেছে আমাদের কমেন্টে জানাতে ভুলবেন না। আপনার আশে পাশের যে কোন ভালো কিংবা মজার ছবি যদি আমাদের মাধ্যমে পেইজে অথবা আর্টিকেলে শেয়ার করতে চান তাহলে আমাদের ফাঁপরবাজ পেইজের ইনবক্সে ছবিটি কোথায় উঠানো এবং কে উঠিয়েছেন এই তথ্য সহ মূল ছবিটি পাঠাতে পারেন, পরবর্তিতে আমরা আপনার তোলা ছবি সবার সাথে শেয়ার করব। সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ



জনপ্রিয়