১২ টি খাবার কখনোই স্লো কুকারে কম আঁচে বেশিক্ষণ রান্না করবেন না?     ১২ টি খাবার কখনোই স্লো কুকারে কম আঁচে বেশিক্ষণ রান্না করবেন না?

১২ টি খাবার কখনোই স্লো কুকারে কম আঁচে বেশিক্ষণ রান্না করবেন না?

AOL.com

AOL.com

স্লো কুকিং অর্থই হলো লো কুকিং বা কম আঁচে বেশি সময় ধরে রান্না করা যেখানে আপনার কুকারের তাপমাত্রা ৩০০ ডিগ্রীর বেশি যাবে না এমনকি যদি সর্বোচ্চ মাত্রায় ও হয়।পৃথিবী অনেক আধুনিক হয়েছে। অধিকাংশ মানুষ ই এখন কুকারে রান্না করে। এতে সময় ও বাঁচে কষ্ট ও কম হয়। কিন্তু সব খাবার কম আঁচে রান্না করা উচিৎ নয় আবার অনেক খাবার বেশি আঁচে রান্না করা ভালো না। আজ আমরা এমন ১২ টি খাবার সম্পর্কে জানব যেগুলো স্লো কুকারে দীর্ঘক্ষন রান্না করা ঠিক না।  

১২. চাল

Pavlo Lys/Shutterstock

Pavlo Lys/Shutterstock

মনে হতে পারে ভাত রান্নায় তেমন কোন কষ্ট নেই। শুধু পানি আর চাল কুকারে বসিয়ে দিলেই শেষ। আপনা আপনি রান্না হয়ে যাবে।আপনি গরমাগরম খেতে বসে যাবেন। কিন্তু সময় গুরুত্বপূর্ণ একটা বিষয়। চাল বেশিক্ষণ ধরে রান্না করলে এটা আঠালো হয়ে যায়। পাশাপ্সহি খাদ্যগুণ ও নষ্ট হয়। তাই বেশিক্ষণ ধরে স্লো কুকারে ভাত রান্না করবেন না। 

১১. পাস্তা

Ongala/Shutterstock

Ongala/Shutterstock

পাস্তা কিনার সময় রান্না সংক্রান্ত তথ্য অবশ্যই দেখে কিনবেন। অল্প আঁচে বেশিক্ষণ রান্না করা যাবে কিনা বা স্লো কুকারে রান্না করা যাবে কিনা তা অবশ্যই দেখে নিন। অর্থাৎ সময়ের ব্যপারটার কথা বলছি। মূল রান্না শুরুর আগে আপনি সামান্য কিছু স্রালো কুকারে রান্না করে দেখতে পারেন। 

১০. পোর্ক মিট

Unknown

Unknown

যদিও পোর্ক খাওয়া না খাওয়া নিয়ে ধর্মীয় বিধি নিষেধ রয়েছে। আমরা যারা ভক্ষণ করেন তাঁদের বলছি। পোর্ক মিট যদি আপনি স্লো কুকারে রান্না করেন তা পুরোপুরি খাবার অযোগ্য হয়ে যাবে। কারণ এটা দেখতে হয়ে যাবে ধূসর, ও তীব্র গন্ধযুক্ত আঠালো জগাখিচুরিতে পরিণত হবে। ডাস্টবিন ছাড়া কোন গতি থাকবে না।

০৯. সি ফুড বা সামুদ্রিক খাবার

Ingrid Maasik/Shutterstock

Ingrid Maasik/Shutterstock

সি ফুড সর্বোতকৃষ্ট যদি তা বেশি রান্না করা না হয়। তবে সম্যক্ষেপণ করে স্লো কুকারে রান্না ছাড়াও ভালো উপায় অবশ্যি আছে এগুলো রান্না করার। হোক সেটা কোন শক্ত আবরণের কিংবা নরম।

০৮. এলকোহল

Valentyn Volkov/Shutterstock

Valentyn Volkov/Shutterstock

যখন আপনি এলকোহল বা মদ দিয়ে চুলায় রান্না করেন সেক্ষেত্রে এলকোহল অপসারিত করা সম্ভব হয়। অল্প আঁচে রান্না করলে সেটা সম্ভব হয় না বরং খাবারে মদের গন্ধ লেগে থাকে যার ফলে পুরো খাবারটাই মদের তিক্ত স্বাদে বুদ হয়ে যায়। বিশেষ করে যখন আপনি স্লো কুকারে রান্নার শেষ দিকে তা মিশিয়ে দেয়ার চেষ্টা করেন। 

০৭. দুধ ও দুগ্ধজাত পণ্য

showcake/Shutterstock

showcake/Shutterstock

দুধ বেশিক্ষণ জাল দিয়ে রান্না করলে এটা ছানা জমে যেতে পারে যার উদ্দেশ্য হয়ত দই বা লাচ্ছি বানাতে প্রয়োজন হতে পারে। তো আপনার উদ্দেশ্য আপনি ভালো করেই জানেন আপনি দুধ দিয়ে কি প্রস্তুত করতে চলেছেন সে হিসাব করেই কাজ করুন।

০৬. হিমায়িত খাদ্য 

Photosiber/Shutterstock

Photosiber/Shutterstock

স্লো কুকিং অর্থই হলো লো কুকিং বা কম আঁচে বেশি সময় ধরে রান্না করা যেখানে আপনার কুকারের তাপমাত্রা ৩০০ ডিগ্রীর বেশি যাবে না এমনকি যদি সর্বোচ্চ মাত্রায় ও হয়। সুতরাং আপনি কখনোই সরাসরি বরফজাত কোন খাদ্য স্লো কুকারে চড়িয়ে দেবেন না যার ফলে কুকারের ভেতরের তাপমাত্রা আরো কমে যেতে পারে? ফলশ্রুতিতে আপনার রান্নায় আরো বেশি সময় লাগতে পারে। আপনি অবশ্যই বিশাল আকারের হিমায়িত কোন খাদ্য স্লো কুকারে দিয়ে রান্না শুরু করবেন না। সুতরাং আপনার কখনোই এই বোকামি করা উচিৎ হবে বলে আমরা মনে করি না।  

০৫. বীচি জাতীয় খাবার

Tenaht/Shutterstock

Tenaht/Shutterstock

শিমের বীচি বা মটর শুঁটি রান্নার অনেক আগ থেকেই পানিতে ভিজিয়ে রাখা হয় যাতে তা নরম হয় এবং রান্নায় সময় কম লাগে। এজন্য স্লো কুকারে রান্না হয়ত ভালো সমাধান। কিন্তু আপনি বৃক্কের মত দেখতে যে সকল বীচি রান্না করবেন সেগুলোর ক্ষেত্রে আপনাকে অবশ্যই বেশি আঁচে রান্না করতে হবে কারণ প্রাকৃতিকভাবেই এসবে এক ধরনের বিষ থাকে যা বেশি আঁচে রান্না করলে চলে যায়।

স্লো কুকার সহজেই এই বিশকে ধ্বংস করতে পারে যখন কিনা তাপমাত্রা ২১২ ডিগ্রি ফারেনহাইটে পৌঁছায়। বীচি জাতীয় শস্য স্লো কুকারে দেয়ার আগে অবশ্যই আগে থেকে পানিতে ভিজিয়ে রাখুন, ভালো করে কচলিয়ে ধোয়ার কাজ সারউন এর পর কমপক্ষে ১০ মিনিট বেশি আঁচে ভালো করে সেদ্ধ করে নিন।

০৪. মুরগীর বুকের মাংস

Powerofflowers/Shutterstock

Powerofflowers/Shutterstock

হাড় ও চামড়া ছাড়া সাদা মাংস বেশিক্ষণ রান্না করলে শুকিয়ে যায়। কারণ এগুলো একদম ই চর্বিহীন। বিশেষ করে এই ধরণের মাংস সসি রেসিপিতে ভালো যায়। 

০৩. সবুজ সবজি 

Ataly/Shutterstock

Ataly/Shutterstock

বাঁধাকপি, ব্রুকলি, ফুলকপি, শাক এসব খাদ্য নিঃসন্দেহে অন্য যে কোন আহারের তুলনায় বেশি পুষ্টিগুণ সম্পন্ন। কিন্তু যদি এদের বেশিক্ষণ ধরে রান্না করা হয় এদের ভেতর থাকা মানব শরীরের জন্য উপকারী কিছু কম পোয়া যায় এমন পুষ্টি উপাদান হারিয়ে যায়। 

০২. তাজা গুল্ম 

marcin jucha/Shutterstock

marcin jucha/Shutterstock

পুদিনা, ধনে পাতা কিংবা সুগন্ধি তাজা যেসকল গুল্ম আমরা রান্নায় ব্যবহার করি সেগুলো বেশিক্ষণ রান্না করলে রঙ নষ্ট হয়ে যায়। পাশাপাশি তাদের সুঘ্রাণ ও হারায়। এজন্য রান্নার শেষের দিকে তাদের ব্যবহার করলে খাদ্যগুণ ও সুগন্ধ সব ই অটুট থাকবে। 

০১. ডিম

Duangnapa Kanchanasakun/Shutterstock

Duangnapa Kanchanasakun/Shutterstock

সারারাত ধরে ডিম সেদ্ধ করবেন এর সকালে ঘুম থেকে জেগে দেখবেন সেটা পাথর হয়ে গেছে। অবশ্যই আপনি এমন কাজ করতে চাইবেন না।

আমাদের আয়োজন সম্পর্কে আপনার মতামত জানতে চাই। ভালো লাগলে লাইক, কমেন্ট ও শেয়ার দিয়ে সাথেই থাকুন।



জনপ্রিয়