যুক্তরাষ্ট্রের ৮ জন রাষ্ট্রপ্রধান যাদের কোন স্নাতক ডিগ্রী ছিল না!  যুক্তরাষ্ট্রের ৮ জন রাষ্ট্রপ্রধান যাদের কোন স্নাতক ডিগ্রী ছিল না!

যুক্তরাষ্ট্রের ৮ জন রাষ্ট্রপ্রধান যাদের কোন স্নাতক ডিগ্রী ছিল না!

মানুষ যে তাঁর স্বপ্নের চাইতে ও বড় তা এই মহান ব্যক্তিদের সম্পর্কে না জানলে হয়ত জানাই হত না। তাঁদের অনেকেই খুব দরিদ্র ঘরে জন্মগ্রহণ করেও তাঁরা দরিদ্রতাকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে মর্যাদা ও খ্যাতির উচ্চ শিখরে আরোহণ করেছেন। আমরা আজ আপনাদের যুক্ত্ররাষ্ট্রের ৮ জন রাষ্ট্রপতি সম্পর্কে জানাবো যারা কখনো কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডিগ্রী নিতে পারেন নি। তবে এ কথা না বললেই নয় বাস্তব শিক্ষায় তাঁদের ধারে কাছে ও আমরা নেই।

০৮. এন্ড্রু জনসন (১৮৬৫-১৮৬৯)  

https://www.shmoop.com/wwii/photo-harry-truman.html

https://www.shmoop.com/wwii/photo-harry-truman.html

১৮৬৫ সালের ৪ মার্চ জনসনকে আব্রাহাম লিঙ্কনের স্বল্পকালীন দ্বিতীয় মেয়াদের সময় ভাইস প্রেসিডেন্ট করা হয়েছিল । এর মাত্র ১ মাস পরেই ১৫ ই এপ্রিল,  ১৮৬৫ সালে তিনি ১৭ তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট হন, যেদিন জন উইলকস বুথ লিঙ্কনকে হত্যা করেছিল।জনসন ২৯ শে ডিসেম্বর, ১৮০৮ সালে এ উত্তর ক্যারোলিনাতে একটি ছোট কাঠের তৈরি ঘরে জন্মগ্রহণ করেন।

তাঁর মা ছিলেন একজন ধোপী এবং তার বাবা-মা উভয়ই পুরোপুরি অশিক্ষিত ছিলেন। মাত্র দশ বছর বয়সে, জনসনকে একজন দর্জির শিক্ষানবিশ হিসেবে কাজ করার জন্য পাঠানো হয়েছিল, যেখানে অন্য একজন কর্মচারী তাকে মৌলিক পড়া এবং লেখার বিষয়ে সাহায্য করেছিল। স্থানীয়রা দরজির কাছে পড়তে আসত এবং ভবিষ্যতের হবু রাজনীতিবিদ তা মনযোগ দিয়ে শুনতেন।

জনসন এর জীবনীর লেখক এনিটি গর্ডন-রিডের মতে, ভবিষ্যত রাষ্ট্রপতির জনসাধারনের উদ্দেশ্যে ভাষণের দক্ষতা এখানেই উৎপন্ন হয়েছিল। ১৭ বছর বয়সে, জনসন টেনেসি গ্রীনভিল এ একটি দরজির দোকান খুললেন। ১৭ বছর বয়সে তার স্ত্রী এলিজা ম্যাক্কার্ডেল এর সাথে  প্রথম সাক্ষাৎ হয়েছিল এবং তাঁকে তাঁর  স্ত্রী ব্যাকরণ এবং গণিতের পড়তে সাহায্য করেছিলেন। ১৮২৭ সালে তাঁরা বিয়ের পিঁড়িতে বসেন যখন জনসনের বয়স ১৮ এবং ম্যাক্কার্ডেলের  ১৬ বছর বয়স ছিল।

০৭.জাচারি টেইলর (১৮৪৯-১৮৫০)

http://serene-musings.blogspot.com/2011/12/10-fun-facts-about-zachary-taylor.html

http://serene-musings.blogspot.com/2011/12/10-fun-facts-about-zachary-taylor.html

জাচারি টেইলর ১৭৮৪ সালের ২৪শে নভেম্বর ভার্জিনিয়ার বারবোর্সভিলে জন্মগ্রহণ করেন। কেন্টাকির ওহিও নদীর তীরে জঙ্গলে একটি কেবিনে বেড়ে ওঠেন যতদিন না  তাঁর কৃষক বাবা-মা'র ভাগ্য পরিবর্তিত হচ্ছিল এবং তাঁরা ইটের ঘরে যেতে পারছিলেন। পরে তাঁদের সুদিন আসে এবং তাঁরা সেখান থেকে ইটের ঘরে চলে আসেন। যদিও টেইলর যে কোন কিছু দ্রুত শিখতে পারতেন, কেন্টাকিতে কোন আনুষ্ঠানিক স্কুল ছিল না থাকায় এবং তার শিক্ষা বাধাপ্রাপ্ত হয় এবং থেমে যায়।

তার প্রথম দিকের হাতের লেখা পরবর্তীতে যে কারো কাছে এটাই প্রমাণ হত যে সে আসলেই নিরক্ষর । ৩ মে, ১৮০৮ সালে টেইলর ফার্স্ট লেফটেন্যান্ট হিসেবে সেনাবাহিনীতে যোগ দেন। তিনি মার্কিন সশস্ত্র বাহিনীর কর্মকর্তা হিসেবে পরবর্তী ৪০ বছর অতিবাহিত করেছিলেন। এর মধ্যে মেক্সিকান-আমেরিকান যুদ্ধ সহ বিভিন্ন যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন। সেনাবাহিনীতে তাঁর সাফল্যের জন্য তাঁকে ১৮৪৬ সালে মেজর জেনারেল পদে উন্নীত করা হয় এবং তিনি সাহসী ও বীরত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব হিসাবে স্বীকৃতি লাভ করেন।

এরপর তিনি সফলভাবে হুইগ পার্টির সভাপতিত্ব লাভ করেন। টেইলরের জাতীয় বীরত্ব তাঁকে প্রচণ্ড সহায়তা করেছিল সে সময় রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হতে যদিও তিনি এ বিষয়ে অতটা আগ্রহী ছিলেন না । ১৮৪৯ সালের ৪ মার্চ তিনি রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তবে টেইলরের রাষ্ট্রপতির মেয়াদ খুবই ক্ষণস্থায়ী ছিল, কারণ তিনি  ১৮৫০ সালের  ৯ জুলাই হজম সংক্রান্ত সমস্যায় মারা যান। অনেকে মনে করেন তাঁকে বিষক্রিয়ায় হত্যা করা হয়েছিল।

০৬. মিলার্ড ফিলমোর (১৮৫০-১৮৫৩) 

https://commons.wikimedia.org/wiki/File:Millard_Fillmore.jpg

https://commons.wikimedia.org/wiki/File:Millard_Fillmore.jpg

জাচারি টেইলরের হঠাৎ মৃত্যুর পর মিলার্ডফিলমোরকে রাষ্ট্রপতি পদে বসানো হয়েছিল, তিনি টেইলরের ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। টেইলরের মৃত্যুর দিন তিনি ক্ষমতা গ্রহণ করেন। ফিলমোর ১৮০০ সালের  ৭ জানুয়ারী নিউইয়র্কের মোরাভিয়াতে একটি ছোট কাঠের ঘরে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি তার বাবার খামারে কাজ করতেন এবং বিভিন্ন ১ কক্ষবিশিষ্ট বিদ্যালয়ে শিক্ষা গ্রহণ করেছিলেন।১৪ বছর বয়সে, নিউইয়র্কে স্পার্টায় একটি কাপড় প্রস্তুতকারকের কাছে তাকে প্রশিক্ষণ লাভের জন্য পাঠানো হয়।

খুব শীঘ্রই, তিনি নিউ হোপের আশেপাশে দর্জির দোকান দিয়েছিলেন। যদিও তিনি আইন বিষয়ে বাস্তব শিক্ষা গ্রহণ করেছিলেন যখন তিনি একটা স্থানীয় বিচারকের করণিক হিসেবে কাজ করেছিলেন তখন। এবং ধীরে ধীরে তিনি ১৮৩৪ সালে নিজের ল' ফার্ম ও দিয়েছিলেন এবং ১৮২৩ সালে কিন্তু ফুল টাইম এটর্নি ও হয়েছিলেন। তিনি ক্লিন্তু নিজে অত প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা গ্রহণ করতে না পারলেও অন্যদের সুযোগ করে দিতে তিনি ইউনিভার্সিটি অফ বাফেলো প্রতিষ্ঠা করেন।

 

০৫. জেমস মনরো (১৮১৭-১৮২৫)

https://commons.wikimedia.org/wiki/File:James_Monroe_County_(New_York).jpg

https://commons.wikimedia.org/wiki/File:James_Monroe_County_(New_York).jpg

ভার্জিনিয়াতে বেড়ে উঠার সময় জেমস মনরো বাড়িতে শিক্ষা গ্রহণ করেছিলেন যেখানে তার মা এলিজাবেথ তার শিক্ষাগুরু ছিলেন। তিনি ১১ বছর বয়সে ক্যাম্পবেলটন একাডেমীতে ভর্তি হন এবং সেখানে তিনি তার  ঔজ্বল্ল্য ছড়িয়েছিলেন  গণিত ও ল্যাটিন উভয় ক্ষেত্রেই। ১৭৭৪ সালে তিনি উইলিয়াম এন্ড মেরি কলেজে পড়াশোনা শুরু করেন। সেখানে মনরো বিপ্লবী কর্মকান্ডে জড়িত হন।

১৭৭৫ সালে তিনি কলেজ থেকে ঝরে পড়েন এবং কন্টিনেন্টাল আর্মিতে যোগদান করেন এবং আর তিনি  ডিগ্রি অর্জনে ফিরে যান না।সেই বছরের জুন মাসে, লেক্সিংটন ও কনকর্ডের যুদ্ধের পর, মনরো এবং তাঁর জোষ্ট্য সহকর্মীদের একটি দল গভর্নরের প্রাসাদে ভেঙ্গে  প্রবেশ করেন এবং ২০০ টি বন্দুক এবং ৩০০ তরোয়াল চুরি করেন। অস্ত্র স্থানীয় সৈন্যদের দেওয়া হয়।

তারপরে ১৭৮০ সালে মনরো তার রাজনৈতিক কর্মজীবনকে প্রভাবিত করবে এই প্রত্যাশায় থমাস জেফারসনের অধীনে আইন অধ্যয়ন শুরু করেন  । তিনি তার প্রচেষ্টায় সফল হন এবং ৪ মার্চ ১৮১৭ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পঞ্চম প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ গ্রহণ করেছিলেন।

০৪. অ্যান্ড্রু জ্যাকসন (১৮২৯-১৮৩৭)

https://commons.wikimedia.org/wiki/File:Andrew_Jackson_Daguerrotype-crop.jpg

https://commons.wikimedia.org/wiki/File:Andrew_Jackson_Daguerrotype-crop.jpg

মাত্র ১৫  বছর বয়সে, অ্যান্ড্রু জ্যাকসন একদিকে অনাথ এবং অন্যদিকে বিপ্লবী যুদ্ধের একজন অভিজ্ঞ ব্যাক্তি ছিলেন। এক কিশোর হওয়া সত্ত্বেও, তাঁকে ব্রিটিশরা বন্দী করেছিল তার ওপর দুই ভাই হারানোর যন্ত্রণা তো ছিলই। জ্যাকসনের যদিও একটা নির্দিষ্ট মাত্রার শিক্ষা ছিল, কিন্তু এটা অনেকটা খারাপের মধ্যে ভালো বলা চলে। পরে তিনি নিজের শিক্ষার দায়িত্ব নিজের হাতে তুলে নেন। যখন কিনা তিনি নর্থ ক্যারোলিনার সেলিসবেরিতে আইন বিষয়ে শিক্ষা গ্রহণের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করলেন। 

১৭৮৭ সালে জ্যাকসন বার পরীক্ষায় পাস করতে সক্ষম হন এবং দেশটির আইনজীবী হন। ১৭৮৭ সালে তিনি ন্যাশভিলের মূল শহরে চলে যান, যেখানে তিনি আইন অনুশীলন শুরু করেন এবং দ্রুত স্থানীয় রাজনীতিতে জড়িত হন। জ্যাকসন রাষ্ট্রের প্রথম কংগ্রেসম্যান এবং পরবর্তীতে একজন সিনেটর হয়ে উঠবেন।

১৮০১ সালে জ্যাকসনকে টেনেসির সামরিক বাহিনীর অধিনায়ক হিসাবে অভিহিত করা হয় এবং তার নেতৃত্বে এই বাহিনীকে বেশ কয়েকটি বীরত্বপূর্ণ জয়লাভ করে। ১৮১২ সালের যুদ্ধের সময় তাঁর কর্মকাণ্ড তাঁকে জাতীয় নায়কে পরিণত করে এবং তাঁকে স্বর্ণপদক এবং কংগ্রেসের ধন্যবাদ লাভ করায়। ৪ মার্চ, ১৮২৯ সালে জ্যাকসন রাষ্ট্রপতির শপথ গ্রহণ করেন এবং ৪ মার্চ ১৮৭৩ সাল পর্যন্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সপ্তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

০৩. গ্রোভার ক্লিভল্যান্ড (১৮৮৫-১৮৮৯ এবং ১৮৯৩-১৮৯৭)

http://en.academic.ru/dic.nsf/enwiki/7433

http://en.academic.ru/dic.nsf/enwiki/7433

গ্রোভার ক্লিভল্যান্ড ১৮৩৭ সালের ১৮ মার্চ নিউ জার্সির ক্যালডওয়ালে জন্মগ্রহণ করেন এবং নিউইয়র্কের ফেয়েটভিলে বেড়ে ওঠেন।  তিনি ১৬ বছর বয়স পর্যন্ত স্কুলে পড়াশোনা করেন, যখন তার বাবার মৃত্যুর কারণে পরিবার চালাতে শুরু করতে হয়েছিল তখন তিনি বিদ্যালয় ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়েছিলেন। তার ভাই উইলিয়ামকে ধন্যবাদ, তাঁর জন্য গ্রোভার নিউইয়র্ক ইনস্টিটিউট ফর দ্য ব্লাইন্ডের সহকারী শিক্ষক হন, তবে তিনি মাত্র এক বছর সেখানে অবস্থান করেন।

যদিও ক্লিভল্যান্ডকে গির্জার জোষ্ঠ্যদের মধ্যে একজন কলেজ শিক্ষা গ্রহণের জন্য অর্থ সরবরাহের প্রস্তাব করেন তবে শর্ত দেয় যে তাঁকে ভবিষ্যতে একজন মন্ত্রী হতে হবে, তবে তিনি তা গ্রহণ না করে পশ্চিমে চলে যাওয়া বেছে নিয়েছিলেন। বাফেলোতে, ক্লিভল্যান্ডের চাচা তাকে ক্লার্ক হিসাবে নিযুক্ত করেছিলেন এবং তাকে প্রভাবশালী  একটি গোষ্ঠীর সাথে পরিচয় করিয়েছিলেন।

তিনি রজার্স, বোয়েন এন্ড রজার্স নামক ল'ফার্মের সাথে কাজ করতে শুরু করেন যার ফলে তিনি ১৮৫৯ সালে বার পরীক্ষাতে পাস করার পথকে সুগম হয়েছিল। আনুষ্ঠানিক শিক্ষার অভাব ক্লিভল্যান্ডের রাজনৈতিক ক্যারিয়ায়রে কোন প্রভাব ই ফেলতে পারেনি  যার প্রমাণ ছিল তার বাফেলোর মেয়র ও নিউইয়র্ক এর গভর্নর হিসেবে আত্নপ্রকাশ করা । তিনি ১৮৮৫ থেকে ১৮৮৮ এবং ১৮৯৩ থেকে ১৮৯৭ পর্যন্ত দুইটি ধারাবাহিক পদে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন। তিনিই প্রথম ও একমাত্র রাষ্ট্রপতি যিনি পর পর দু'বার রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়েছিলেন।

০২. জর্জ ওয়াশিংটন (১৭৮৯-১৭৯৭)

Internet

Internet

জর্জ ওয়াশিংটন ২২ ফেব্রুয়ারী ১৭৩২ সালে  ভার্জিনিয়ার ওয়েস্টমোরল্যান্ডে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। তার শৈশব কাটে ভার্জিনিয়ায়, যেখানে তিনি বিভিন্ন শিক্ষকের দ্বারা পাঠ নিয়েছিলেন এবং এঙ্গেলিকান পাদরির চালিত স্কুলে ও গিয়েছিলেন। ওয়াশিংটন মাত্র ১১ বছর বয়সে তার বাবাকে হারান। এর ফলে পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী তাঁর আর উচ্চশিক্ষার জন্য ইংল্যান্ডের এপলবাই বিদ্যালয়ে যাওয়া হয় নি।

ওয়াশিংটনে তাঁর এই বিখ্যাত হয়ে ওঠা সম্পর্কে তিনি বলেন, "আমার মা আমার দেখা সবচেয়ে সুন্দরী মহিলা। আমি সবকিছুর জন্য আমার মায়ের কাছে ঋণী। আমি তার কাছ থেকে প্রাপ্ত নৈতিক, বুদ্ধিগত এবং শারীরিক শিক্ষাকেই আমার সফলতার রহস্য বলে মনে করি। " ওয়াশিংটন ১৭৮৯ থেকে ১৭৯৭ সাল পর্যন্ত আমেরিকার প্রথম রাষ্ট্রপতি হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন।

যদিও তিনি নিজে স্নাতক ডিগ্রী নিতে পারেন নি, তিনি শিক্ষাকে সর্বাধিক গুরুত্বপুর্ণ বলে মনে করতেন এবং বলেন, “A primary object should be the education of our youth in the science of government. In a republic, what species of knowledge can be equally important? And what duty more pressing than communicating it to those who are to be the future guardians of the liberties of the country?”

০১. আব্রাহাম লিঙ্কন (১৮৬১-১৮৬৫)

https://en.wikipedia.org/wiki/File:Abraham_Lincoln_head_on_shoulders_photo_portrait.jpg

https://en.wikipedia.org/wiki/File:Abraham_Lincoln_head_on_shoulders_photo_portrait.jpg

আব্রাহাম লিঙ্কন ১২ই ফেব্রুয়ারি, ১৮০৯ সালের কেনটাকির হডজেনভিলে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর বেড়ে ওঠার বছরগুলিতে তিনি খুব কম একাডেমিক প্রশিক্ষণ পান। তিনি যখন সাবালক হলেন , ভ্রমণরত শিক্ষকদের কাছ থেকে তিনি সীমিত পরিসরে পড়তে, লিখতে এবং অঙ্ক করতে সক্ষম হয়েছিলেন। তার শৈশবকে বর্ণনা করে তিনি বলেন, "এটি একটি বন্য অঞ্চল ছিল, যেখানে এখনও অনেক ভাল্লুক এবং অন্যান্য বন্য প্রাণী রয়েছে। সেখানে আমি বড় হয়েছি  এবং যখন আমি সাবালক হলাম তখন আমি অনেক কিছুই জানতাম না।"

যাইহোক, লিঙ্কন প্রচন্ড শিক্ষানুরাগী ছিলেন এবং আইনের সাথে জড়িত যেকোন বই তিনি এক নিমিষেই পড়ে শেষ করতেন। কোন রকম প্রাতিষ্ঠানিক আইন শিক্ষা গ্রহণ না করেই শুধুমাত্র নিজে নিজে আইনের বই পড়ে কঠোর অধ্যাবসায় ও আত্নচেষ্টার কারণে একজন অনুশীলনকারী আইনজীবী হিসেবে পরিণত হতে পেরেছিলেন।

তিনি ইলিয়নিস আইন পরিষদে আট বছর অতিবাহিত করেছিলেন বিশদ জ্ঞান অর্জনের জন্য আদালত থেকে আদালতে ভ্রমণ করেছিলেন। লিঙ্কন  ১৮৬১ সালের ৪ মার্চ থেকে রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন এবং ১৮৬৫ সালের  ১৫ এপ্রিল গুপ্তহত্যার  আগ পর্যন্ত তিনি রাষ্ট্রপতি ছিলেন।

আপনাদের মূল্যবান মতামত আমাদের সাথে শেয়ার করা আমাদের জানার সুযোগ করে দিন আর পোস্টটি ভালো লাগলে শেয়ার করে অন্যদের জানার সুযোগ করে দিন।



জনপ্রিয়