১০টি বুদ্ধিমান বিস্ময়কর প্রাণী ১০টি বুদ্ধিমান বিস্ময়কর প্রাণী

১০টি বুদ্ধিমান বিস্ময়কর প্রাণী

আপনি জেনে না ও থাকতে পারেন পৃথিবী নামক গ্রহে শুধু আমরাই বুদ্ধিমান প্রানী নই বরং বেশ কিছু বুদ্ধিমান প্রানী রয়েছে যাদের সম্পর্কে জানলে আপনি হতবাক হবেন এতে কোন সন্দেহ নেই।


১. শিম্পাঞ্জি

Internet

Internet

মানুষের ৯৯% ডি এন এ শিম্পাঞ্জির সাথে উল্লেখযোগ্যভাবে মিলে যায়। শিম্পাঞ্জিরা মানুষের মতই আমদের নিকট আত্নীয় কারণ তাঁরা দলবদ্ধ হয়ে বসবাস করে এবং আমদের মতই বিচিত্র ধরনের পরিবেশের সাথে খাপ খাইয়ে ছলতে পারে।

তাঁরা চাইলে আমাদের মতই দুপায়ে ভর করে হাঁটতে পারে যদি তাঁরা চায়। যদিও তাঁরা আদিমভাবে নিরামিষভোজী কিন্তু তাঁরা বিভিন্ন সময়ে মাংসজাতীয় খাবার ও গ্রহণ করে। তাঁরা বিভিন্ন কাজ সহজে করার জন্য বিভিন্ন প্রাকৃতিক যন্ত্র তৈরি ও ব্যবহার করে যেমন বাদাম বের করতে পাথর ব্যবহার করে এবং পাতার ব্যবহার করে পানি পান করে। তাঁরা ও আমাদের মত প্রজননক্ষমতা মেয়েদের ক্ষেত্রে ১৩ ও পুরুষের ক্ষেত্রে ১৬ বছর বয়েসে লাভ করে।

 

২. বটলনোজ ডলফিন

Internet

Internet

বটলনোজ ডলফিনরা প্রাণী জগতের গুটিকয়েক প্রজাতির মধ্যে অন্যতম যারা নিজস্ব ধ্বনি অনুশীলনের মাধ্যমে নিজস্ব স্বতন্ত্র ধ্বনির বিকাশলাভ করে। জীবনের শুরুতেই তাঁরা আলাদা আলাদা বিশেষ বাঁশির আওয়াজ সৃষ্টি করে ফেলে যা তাঁদের স্বতন্ত্র পরিচয় বহন করে। তাঁরা যখন নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ তৈরি করে তখন যার সাথে যোগাযোগ স্থাপন করা হবে তাঁর বাশির সুর অনুকরন করে বাঁশি বাজায়। এটাকে আমরা ধরে নিতে পারি অনেকটা নাম ডাকার মত।

অনেক ডলফিন ই অন্য  অসুস্থ ডলফিনের সাথে শক্তিশালী সামাজিক সম্পর্ক স্থাপন করে বসবাস করে পাশাপাশি তাঁদের শ্বাস-প্রশ্বাসের সুবিদার্থে সমুদ্রের পানির ওপরের অংশে যেতে ও সাহায্য করে। ডলফিন বিশাল সাগরের বুকে মানবএর ঘনিষ্ঠ বন্ধু যারা প্রায় ই মানুষকে হিংস্র হাঙ্গরের কাছ থেকে রক্ষা করে। মানুষের সাথে দলবদ্ধ হয়ে মাছ ধরতে সাহায্য করে। তাঁদেরকে প্রশিক্ষিত ও করা যায়।

 

৩. হাতি

Internet

Internet

স্থলভাগের প্রাণীদের মধ্যে সবচাইতে বড় আকারের মস্তিষ্ক হাতির দখলে। তাঁদের কর্টেক্সে মানুষের মস্তিষ্কে যতগুলো নিউরন রয়েছে ঠিক ততগুলোই রয়েছে। তাঁদের শেখার ক্ষমতা অসাধারণ। তাঁরা আত্ন সচেতন ও বটে। তাঁরা নিজেদের আয়নায় দেখে চিনতে পারে। তাঁদের শুঁড় এবং পা দিয়ে তাঁরা ভুকম্পন তৈরি করে যা তাঁদের একজনের অন্যদের সাথে বিভিন্ন বিষয়ে যোগাযোগ স্থাপনে সাহায্য করে।

৪. আফ্রিকান গ্রেই তোতা

Internet

Internet

তোতার জগতে আইনস্টাইন হিসেবে পরিচিত আফ্রিকান গ্রেই তোতাপাখি। এরা উচ্চবুদ্ধিসম্পন্ন। এদের বিচার বিশ্লেষণ করার ক্ষমতা বস্তুনিরপেক্ষ ও যথেষ্ট বুদ্ধিদীপ্ত। তাঁদের গননা করার ক্ষমতা ও ভাষা দক্ষতা ও বিস্ময়কর।

 

৫. ইঁদুর

Internet

Internet

বেশকিছু বছর আগে বিজ্ঞানীরা আবিষ্কার করেছেন যে, জানা ও অজানার ওপর ভিত্তি করে ইঁদুরদের ও আমাদের মতো সিদ্ধান্ত গ্রহনের ক্ষমতা রয়েছে। তাঁরা আমাদের মতই সূক্ষ্ম এবং আত্ন সচেতন এবং আমদের মতো তাঁরা ও সপ্ন দেখে। পোষা ইঁদুর অত্যন্ত সামজিক এবং তাঁরা তাঁদের মালিকের সাথে শক্ত সম্পর্ক স্থাপন করে।

 

৬. কাঁক

Internet

Internet

বিজ্ঞানীরা আবিষ্কার করেছেন যে কাঁকেরা ভিন্ন ভিন্ন মানব চেহারা মনে রাখতে পারে। তাঁরা শত্রু ও বন্ধুত্বপুর্ণ উভয় মানুষকেই মনে রাখে। আপনি কখন ও যদি কাঁকেরে বাসা ভেঙ্গে থাকেন তাহলে বুঝতে পারবেন আমি কি বোঝাতে চেয়েছি। তাঁরা তাঁদের বুদ্ধি দিয়ে বিভিন্ন জটিল সমস্যা ও সমাধান করতে পারে।

 

৭. কুকুর

Internet

Internet

কুকুর মানুষের সংস্পর্শে এত দীর্ঘকাল ধরে রয়েছে যে তাঁদের মত মানুষের মতিগতি আর কোন প্রাণী ই বুঝতে পারে না। কোনটা ভালো চরিত্র র কোনটা খারাপ সেটা তাঁরা মতিগতি দেখলেই বুঝতে পারে। দ্রুত শেখার ক্ষমতাটা ও এদের অনেক বেশি। লুকানো কোন ক্ষতিকর জিনিশ খুঁজতে কিন্তু কুকুরের অবদান অপরিসীম।

 

৮. কবুতর

Internet

Internet

বিজ্ঞানের গবেষণা মতে কবুতররা জটিল গানিতিক নিয়ম শিখতে সক্ষম। তাঁরা মানুষের মুখয়ব স্মরণ রাখতে পারে। এ জন্যই প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত কবুতর গোয়েন্দারা ব্যবহার করে থাকেন।

 

৯. শূকর

Internet

Internet

যদিও অনেকেই ভাবতে পারেন যে শূকর নোংরা প্রাণী কারণ এরা সারাক্ষণ কাঁদা বা ময়লাযুক্ত কোন তরল পদার্থে নিজেদের আংশিক বা সম্পূর্ণ ডুবিয়ে রাখে। আশলে তাঁরা এটা করে নিজেদের শরীর ঠাণ্ডা বা শীতল রাক্লহার জন্য। তাঁদের ঘর্মগ্রন্থি না থাকায় তাঁরা এই পদ্ধতিতে নিজেদের শরীরকে শীতল রাখে। তাঁদের খুব ই দীর্ঘস্থায়ী স্মৃতিশক্তি রয়েছে এবং তাঁরা খুব সহজে গোলকধাঁধা সমাধান করতে পারে।

১০.অক্টোপাস

Internet

Internet

অমেরুদন্ডীদের মধ্যে সবচাইতে বৃহত্তম মস্তিষ্ক হল অক্টোপাসের। একটা সাধারণ অক্টোপাসের ১৩০ মিলিয়ন নিউরন রয়েছে তবে সবগুলো নয় ৩/৫ অংশ নিউরন হচ্ছে এদের হাতগুলতে। অর্থাৎ প্রত্যেকটা হাতের ই একটা নিজস্ব মন রয়েছে। এ জন্য ই যদি হাত কেটে ফেলা ও হয় তা আবার জন্মাবে।এটা খাদ্য আঁকড়ে ধরেই চলাচল করতে পারে।

মতামত জানান কমেন্টে।



জনপ্রিয়