সত্যিই আমরা ভাগ্যবান, কারণ এ মানুষগুলোর সময় আমরা বেঁচে আছি         সত্যিই আমরা ভাগ্যবান, কারণ এ মানুষগুলোর সময় আমরা বেঁচে আছি

সত্যিই আমরা ভাগ্যবান, কারণ এই মানুষগুলোর সময় আমরা বেঁচে আছি

সময়ের কিছু লিজেন্ড থাকে যারা না থাকলে হয়ত অনেক কিছুই অপূর্ন থেকে যেত। যারা তাদের সৃষ্টি কর্মের মাধ্যমে একটা প্রজন্মকে সুন্দর ভাবে গড়ে তুলতে সাহায্য করে। যেমন , যারা বই পড়তে ভাল বাসেন তারা হুমায়ুন আহমেদ , জাফর ইকবাল, ওপার বাংলার সুনীল, শীর্ষেন্দুর লেখা বড় হয়েছেন। তেমনি যারা গান শুনতে ভালবাসেন তারা জেমস , আইয়ুব বাচ্চু কলকাতার নচিকেতা, অঞ্জন দত্ত বা অনুপম রায়, আরজিত সিং এর গান শুনেন অবসর সময়। মুভির ক্ষেত্রে আমির খান শাহ্রুখ খান , সালমান খান, রনবির কাপুর কলকাতার প্রসেঞ্জিত বাংলার চঞ্চল চৌধুরী , জয়া আহসান আমাদেরকে মুগ্ধ করে রেখেছে। ক্রিকেটে মাশরাফি, সাকিব , টেন্ডুলকার্‌ , কোহেলি তাদের অসাধারণ ক্রিকেট শৈলী দিয়ে দর্শকদের বিমহিত করে রাখছেন। 

১। আমাদের মাশরাফি

internet

internet

নড়াইল এক্সপ্রেস নামে ক্রিকেট জগতে প্রবেশ, তার পর থেকে বোলিং ফিল্ডিং, ব্যাটিং সবকিছু ছাড়িয়ে তার অসাধারণ নেতৃত্ব বাংলাদেশ দলকে একটা শক্ত অবস্থায় নিয়ে আসেছে। আমরা ভাগ্যবান কারন বসের সময় আমারা বেঁচে আছি।

 

২। মিস্টার পারফেক্ট আমির খান।

আমির খানের সিনেমা দেখেনি আমন মানুষ খুব কম আছে। কিন্তু তিনি যে সিনেমা এখন পর্যন্ত করছেন তার জন্য আমরা তাকে আজঈবন মনে রাখবো। তার এই সিনেমা যেমন বাজি, ফানা, গজনি, মোঘল পান্ডে, লগন, তারে জমিন পার, দঙ্গল, থ্রী ইডিয়টস, পিকে সিনেমা সবার মন কেড়েছে।

 

৩। প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়

internet

internet

এই ভাদ্র লোক মনে হয় সবচেয়ে বেশি ছবিতে অভিনয় করছে। কলকাতা বাংলার গৎ বাধা ছবি হতে শুরু করে আধুনিক আর্ট ফিল্ম সব জায়গায় তার উপস্থিতি দেখার মত। 

 

৪। আইয়ুব বাচ্চু

internet

internet

আইয়ুব বাচ্চু , নতুন করে পরিচিত করানোর কিছু নাই। যার গিটারের ঝঙ্কারে আমরা মুগ্ধ ছিলাম। আজীবন সঙ্গীত প্রেমীদের মনে বেঁচে থাকবেন তিনি।

 

৫। সাকিব আল হাসান

internet 

internet

অনেকে হয়ত সাকিব এর সমালোচনা করেন সাকিব এই সাকিব সেই। কিন্তু দলের জন্য তার যে অবদান তা কি ভুলতে পারবে কেউ? না পারবেনা।  বিশ্বের বুকে বাংলাদেশকে পরিচিত করাতে তার অবদান অনন্য। আমরা ভাগ্যবান তার সময়ে বেঁচে আসি।

 

৬। শাহরুখ খান

internet

internet

রোমান্টিক হিরো শাহরুখ খান। প্রেমের সিনেমায় যার অবদান ভুলবার নয়। কুছ কুছ হোতাহে, দিল অয়ালে দুলহানিয়ে  লে জায়েঙ্গে মুভির জন্য বিখ্যাত। আমরা তার সময়ের প্রজন্ম।

 

৭। জয়া আহসান

internet

internet

আমার চাচার ক্রাশ, আমার ও তাই। এখন যুবতি। অভিনয় দিয়ে এপার বাংলা ওপার বাংলা বাজিমাৎ করছেন। রাজ কাহানি থেকে দেবি সব জায়গায় তার উপস্থিতি দেখার মত।

 

৮। জেমস

internet

internet

জেমস কে কে না চেনে। যার কনসার্ট দেখার জন্য আমরা সবাই পাগল। আমরা সত্যি ভাগ্যবান অনার সময়ে বেঁচে আসি।

 

৯। হুমায়ুন আহমে

internet

internet

এক জাদুকর, যার বই শুরু করলে জাদুর মোহে আটকে পড়তে হয়। এক নিমিশে শেষ শেষ হয় ঘণ্টার পর ঘন্টা। শঙ্খনীল কারাগার, নন্দিত নরকে, মধ্যাহ্ন, লীলাবতি, কোথাও কেউ নেই  মুগ্ধ করে রেখেছে পুরা সমাজকে । নাটক সিনেমায় যার অবদান একই সাথে অনন্য। আমি ভাগ্যবান স্যার এর সময়ে জন্ম নিয়ে।

 

১০। মুহম্মদ জাফর ইকবাল

internet

internet

শিশু কিশোর উপন্যাস সাইন্স ফিকশন লিখার জন্য জাফর ইকবাল আমাদের মাজে বেঁচে থাকবেন আজীবন। তার উপন্যাস পড়ে বাচ্চারা বই পড়ার প্রতি আগ্রহী হয়। তার উল্যেখ যোগ্য উপন্যাস হল সেরিনা, জলজ, হাত কাটা রবিন, আমার বন্ধু রাশেদ, দীপু নাম্বার ২

 

১১। সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

internet

internet

যারা সুনীল পড়ছেন তারা জানেন সুনীল কি। যারা পড়েন নি তারা অন্তত এই ৫ টা বই পরবেন। ১। প্রথম আলো। ২। সেই সময়। ৩। অর্ধেক জীবন ৪। পূর্ব পশ্চিম ৫। কাকা বাবু সিরিজ।

 

১২ ।ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো

internet

internet

কে না চেনে এই খেলোয়াড়কে। ফুটবল প্রেমীদের  নয়নের মনি। তার অসাধারণ কৌশল সকলকে মুগ্ধ করছে।

 

১৩। লিওনেল মেসি

internet

internet

একজন আর্জেন্টাইন পেশাদার ফুটবল খেলোয়াড় যিনি স্পেনের সর্বোচ্চ স্তরের পেশাদার ফুটবল লীগ প্রতিযোগিতা লা লিগাতে ফুটবল ক্লাব বার্সেলোনা এবং আর্জেন্টিনার জাতীয় ফুটবল দলের হয়ে একজন ফরোয়ার্ড (আক্রমণভাগের খেলোয়াড়) হিসেবে খেলেন। তিনি বর্তমানে আর্জেন্টিনা জাতীয় দল এবং বার্সেলোনা দলের অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন লিওনেল মেসি রেকর্ড পাঁচটি ব্যালন ডি অর জয় করেছেন যার মধ্যে চারটি তিনি জিতেছেন টানা চার বছরে।

আপনাদের চোখে যারা লিজেন্ড তাদের নাম কমেন্ট করে জানাবেন প্লিজ।



জনপ্রিয়