মৃত ঘোষিত স্প্যানিশ কয়েদী ময়নাতদন্তের ঠিক আগে উঠে বসেন!  মৃত ঘোষিত স্প্যানিশ কয়েদী ময়নাতদন্তের ঠিক আগে উঠে বসেন!

মৃত ঘোষিত স্প্যানিশ কয়েদী ময়নাতদন্তের ঠিক আগে উঠে বসেন!

উত্তর স্পেনে একজন কয়েদী তার ‘মৃত’ ঘোষণা দেয়ার পরও জীবিত ছিলেন এবং আনুষ্ঠানিকভাবে তাকে মৃত ঘোষণা দেয়ার পর মর্গে তিনি কিভাবে মৃত্যুর মধ্য থেকে জেগে উঠেন সেই ঘটনা উল্লেখ করছি। বিবিসির মতে, ময়নাতদন্তের জন্য তাকে তালিকাভুক্ত করা হয়েছিল এবং তাকে স্পেনের ওভিডোতে হাসপাতালের অধীনে পর্যবেক্ষণের রাখা হয়েছিল।

গঞ্জালো মনটোয়া জিমেনেজ, ২৯ বছর বয়সী তরুণ, ২০১৮ সালের জানুরায়ী মাসের ৭ তারিখ রবিবার, স্প্যানিশ খবর আউটলেট রিপোর্টে বলা হয় যে, কারাগারের মধ্যে অজ্ঞান অবস্থায় তাকে পাওয়া যায়। এখন মনে করা হচ্ছে যে, তিনি ক্যাটালেপসি  রোগে আক্রান্ত, আর ক্যাটালেপসি হলে কেউ শরীর একদম নড়াচড়া করতে পারে না। এটি এমন একটি অবস্থা যেখানে মানুষ নিশ্চল হয়ে যায় এবং বাইরের উদ্দীপক সাড়া দেওয়া থামিয়ে দেয়। অর্থাৎ, শরীর শক্ত এবং অবশ হয়ে পড়ে থাকে।

মোমবাতি, নমনীয় অঙ্গ এবং ধীর গতির লক্ষণগুলোর সাথে ক্যাটালেপসি রোগীদের মৃতের মতো মনে হয়- সেক্ষেত্রে কেবল একজন নয় বরং তিনজন চিকিৎসক নির্ণীত করেছিলেন যে, জিমেনেজ মারা গেছে।

জিমেনেজকে ওভিডোর ইনস্টিটিউট অফ লিগ্যাল মেডিসিনে স্থানান্তর করা হয়, পরে ডাক্তারেরা কয়েদীর শরীরে একটি ময়নাতদন্ত করার আদেশ দেন, আইএফএল বিজ্ঞান রিপোর্ট করেছে। পরিবারের সদস্যদেরকে জিমেনেজের মৃত্যুর খবর জানানো হয়- কয়েদীর মৃত দেহটিকে ইতোমধ্যে ময়নাদন্তের জন্য চিহ্নিত করা হয়েছে যখন তিনি বেঁচে থাকার লক্ষণ দেখাতে শুরু করেন। একটি ফরেনসিক দল সেটা লক্ষ্য করেন এবং জিমেনেজকে একটি নিবিড় পরিচর্যা ইউনিটের দিকে নিয়ে যাওয়া হয়, যেখানে রোগী তার স্মৃতিশক্তি এবং ভাষা ফিরে পেতে পারে।

ন্যাশনাল সেন্টার ফর বায়োটেকনোলজি ইনফরমেশন অনুযায়ী- মৃগী রোগ, সিজোফ্রেনিয়া, স্নায়ুতন্ত্রে মাদকদ্রব্যের বিষাক্ততা এবং অন্যান্য অবস্থার সাথে ক্যাটালেপসি রোগ যুক্ত। প্রতিবেদন অনুযায়ী জিমেনেজ মৃগী রোগী ছিলেন এবং তাকে যখন প্রথমে মৃত ঘোষণা করেছিল তখন কারাগারের চিকিৎসকের কাছে তা স্পষ্ট ছিল না।



জনপ্রিয়