এই প্রাণীগুলো হাজারো প্রশ্ন তোলে এই প্রাণীগুলো হাজারো প্রশ্ন তোলে

এই প্রাণীগুলো হাজারো প্রশ্ন তোলে

এমন কিছু জিনিস এবং ঘটনা রয়েছে যার সাক্ষী কেবলমাত্র কয়েকজন। কিন্তু ভাগ্যক্রমে, কিছু অবিশ্বাস্যভাবে অদ্ভুত জিনিস অনেক মানুষ দেখতে পেয়েছেন এবং সারাবিশ্বের সাথে শেয়ার করেছেন। 

আজ আমরা এমন কিছু প্রাণী নিয়েই কথা বলব। এই ধরনের দৈত্যকার প্রাণী দেখতে পেলে শান্ত থাকা কঠিন হয়ে পড়ে।

 

একটি দৈত্যকার জেলিফিশ

© imgur

© imgur

অনেক মানুষ মনে করেন যে এই ছবিটি নকল - সম্ভবত তারা আশা করে এটি নকল হলেই ভালো! যদিও ছবিটি সম্পুর্ণ সত্য। লায়ন মেন জেলিফিশ নামক এই জেলিফিশটির সাথে একজন ডাইভারও ছবিতে ধরা পড়ে, এটি দৈত্য জেলিফিশ নামেও পরিচিত। ঠান্ডা পানিতে বাস করা এই জেলিফিশটি পৃথিবীর সবচেয়ে বড় জেলিফিশ।

 

লুইসিয়ানার জঙ্গলে কিছু একটা

© unknown author

© unknown author

২০১০ সালে লুইসিয়ানাতে ক্যামেরায় ধরা পড়ে এই দৈত্য! চার হাতপায়ে এটি ছুটছিল এবং চোখ জ্বলজ্বল করছিল। কেউ বলতে পারেনি এটা কি ছিল। তবে অনেকেই পড়ে করেন এটা নতুন কোন গেমের বিজ্ঞাপন ছিল।

 

থাইল্যান্ডের একটি এলিয়েন

© forum.xcitefun.net

© forum.xcitefun.net

২০১০ সালে মিডিয়াতে একটা ছবি আসে যা আরও ৩ বছর আগে তোলা হয়েছিল। এটি থাইল্যান্ডে বিস্ময়কর কোন একটা কিছুর অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া ছিল। এর অবশিষ্টাংশ একটি মিনিটরের (গ্রীক উপকথায় অর্ধমানব ও অর্ধ ষণ্ড মানব)  মত ছিল এবং গ্রামের কাছে এটিকে খুঁজে পাওয়া গিয়েছিল। স্থানীয়রা দেখেছিল যে প্রাণীটি মানুষের মত এবং বৌদ্ধ ঐতিহ্য অনুযায়ী এটি কবর করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। 

বিশেষজ্ঞগণ বিশ্বাস করেন যে এই প্রাণীটি মিউটেশনের সাথে কেবল একটি বাছুর ছিল, অতিপ্রাকৃত কিছুই ছিল না!

 

চেলিয়াবিংক্স, অথবা এলিয়েন

© Miya   © Fæ

© Miya © Fæ

এই জিনিস ২০০৭ সালে চেলিয়াবিংক্স-এ একটি নির্মাণ স্থানে পাওয়া যায় এবং "এলিয়েন" নামকরণ করা হয়। মানুষ মনে করেহিল এগুলো নাল কাঁকড়া ছিল কিন্তু আসলে এগুলো ট্রিওপ্স (ছোট ক্রস্টাসিয়ানদের একটি প্রজাতি নোটস্রাচা (তাদপোল চিংড়ি)) ছিল। তারা ২০০ মিলিয়ন বছর বয়সী এবং ২-৩ ইঞ্চি দীর্ঘ।

 

টেক্সাস ছুপাকাব্রা

© wikimedia   © Resetel

© wikimedia © Resetel

এই প্রাণীটি প্রথম ১৯৫০ সালে পুয়ের্তো রিকোতে পাওয়া যায় এবং শেষবার টেক্সাসে দেখা যায়। টেক্সাসে পাওয়া যাওয়া প্রাণীটির কোন লোম ছিল না এবং চামড়া ছিল নীল-ধূসর। এই প্রাণীটি যখন পাওয়া যায় গবেষকরা একটি ডিএনএ টেস্ট করেন এবং খুঁজে পান এটি নেকড়ে ও কয়োটের সঙ্কর ছিল। এটি অসুস্থ ছিল তাই সব লোম ঝরে গিয়েছিল।

 

আতাকামা মরুভূমি হিউমেনইড

© wikipedia   © Herostratus

© wikipedia © Herostratus

২০০৩ সালে আতাকামা মরুভূমির একটি ছোট্ট গ্রামে এই ছোট মানুষের মমি পাওয়া যায়। পরবর্তীতে, কঙ্কাল বিশেষজ্ঞরা এই সিদ্ধান্তে উপনীত হন যে, এটি খুব অসম্ভব যে মমিটি মানুষ। সমস্ত গবেষক নিশ্চিত ছিলেন যে আতাকামা হিউমেনইড জাল ছিল।

 

নীল তিমি

© MarkSpark/imgur

© MarkSpark/imgur

এটা হয়তো মনে হচ্ছে এটি কোনও ধরণের সমুদ্রের দানব, কিন্তু প্রকৃতপক্ষে এটি ছিল একটি নীল তিমি যেটি একটি ছোট নৌকার নিচে ডানদিকে চলছিল। নীল তিমি পৃথিবীর সবচেয়ে বড় প্রাণী এবং এটি ১৭০ টন পর্যন্ত হতে পারে। আপনি শুধু এই নাবিকদের অনূভুতি কল্পনা করুন!

 

আপনি কখনো এরকম প্রাণী এতো কাছ থেকে দেখেছেন? আমাদের সাথে শেয়ার করতে ভুলবেন না।

আমাদের আয়োজন ভালো লাগলে লাইক, কমেন্ট, শেয়ারের মাধ্যমে আমাদের সাথেই থাকুন। আমাদের পাশে থাকার জন্য ধন্যবাদ।



জনপ্রিয়