অভাবে মৃত্যুবরণ করেছিলেন যে বলিউড সেলিব্রেটিরা!       অভাবে মৃত্যুবরণ করেছিলেন যে বলিউড সেলিব্রেটিরা!

অভাবে মৃত্যুবরণ করেছিলেন যে বলিউড সেলিব্রেটিরা!

পৃথিবীর অন্যতম বড় চলচ্চিত্র ইন্ডাস্ট্রি বলিউডে প্রতিনিয়তই ঘটে চমকপ্রদ সব ঘটনা। গ্ল্যামার ও টাকার ছড়াছড়ি হলেও, এই ইন্ডাস্ট্রির অনেক তারকা অভাবে মারা গিয়েছেন! তাদের সম্পর্কে জানবো আজকের আয়োজনে-

কাক্কু মোরে

কাক্কু মোরে

কাক্কু মোরে

খুব ভাল নাচতেন অ্যাংলো-ইন্ডিয়ান অভিনেত্রী কাক্কু মোরে। বেশ কিছু সিনেমায় তার নাচের দৃশ্য জনপ্রিয়তা পেয়েছিল। কিন্তু, বলিউড ইন্ডাস্ট্রিতে হেলেনের আগমনের পর দারিদ্রের শিকার হন তিনি।

ভগবান দাদা

ভগবান দাদা

ভগবান দাদা

বেশ কয়েকটি গুণের অধিকারী ছিলেন একাধারে অভিনেতা, পরিচালক ও লেখক ভগবান দাদা। টানা ফ্লপ সিনেমার কারণে একসময় ২৫ বেডরুমের বাড়ি বিক্রি করে বস্তিতে উঠতে হয়েছিল তাকে। ২০০২ সালে পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করেন তিনি।

ভিমি

ভিমি

ভিমি

বেশ অল্প বয়সে মৃত্যুবরণ করা ভিমি ১৯৬৭ সালে মুক্তি পাওয়া বিআর চোপড়ার ‘হামরাজ’ সিনেমার মাধ্যমে বলিউডে পথচলা শুরু করেছিলেন। মৃত্যুর আগে এতোটাই অভাবে পড়ে গিয়েছিলেন যে, রিকশায় করে তার দেহ শ্মশানে নিয়ে যাওয়া হয়।

পারভিন ববি

পারভিন ববি

পারভিন ববি

শেষ বয়সে মানসিক ভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েন বলিউডের এক সময়ের লাস্যময়ী অভিনেত্রী পারভিন ববি। তার মানসিক অবস্থা এতোটাই বাজে ছিল যে, পাগলের মতো নগ্ন হয়ে ছুটছিলেন তিনি।

জীবনের শেষ দিকে সম্পত্তি তো দূরের কথা, তার মৃতদেহের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া সম্পন্ন করার কেউ ছিলেন না। পরে, পরিচালক মহেশ ভাটের সহায়তায় পারভিন ববির অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছিল।

রুবি মায়েরস

রুবি মায়েরস

রুবি মায়েরস

শেষ জীবনে দারিদ্রের কবলে পড়েছিলেন দাদা সাহেব ফালকে পুরস্কার জয়ী এই ইহুদী অভিনেত্রী। ১৯৮৩ সালে রুবি মায়েরসের মৃতদেহ তার বাড়ি থেকে উদ্ধার করা হয়।

এ কে হাঙ্গাল

এ কে হাঙ্গাল

এ কে হাঙ্গাল

বলিউডে গ্র্যান্ড ওল্ডম্যান নামেই বেশি পরিচিত ছিলেন এ কে হাঙ্গাল। শেষ বয়সে ওষুধ কেনারও টাকা ছিল না তার। ২০১২ সালে বার্ধক্যজনিত অসুস্থতায় ৯৮ বছর বয়সে মুম্বাইয়ের একটি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

নলিনী জয়ন্ত

নলিনী জয়ন্ত

নলিনী জয়ন্ত

সিনেমা ও থিয়েটারের সাথে যুক্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেছিলেন নলিনী জয়ন্ত। ২০১০ সালের ডিসেম্বরে নিজ বাসভবনে মৃত্যুর তিন দিন পর তার মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। যেখানে তিনি একাই বাস করতেন, মৃত্যুর সময় পরিবারও তার পাশে ছিল না।

ভরত ভূষণ

ভরত ভূষণ

ভরত ভূষণ

জুয়া খেলে অনেক টাকা হারিয়েছিলেন এক সময়ে জনপ্রিয় অভিনেতা ভরত ভূষণ। শেষ বয়সে সবকিছু হারিয়ে নিঃস্ব অবস্থায় বস্তিতে থাকতে হয়েছে তাকে।

মীনা কুমারী

মীনা কুমারী

মীনা কুমারী

বলিউডের ‘ট্র্যাজেডি কুইন’ বলা হয় মাত্র ৪ বয়সে অভিনয় শুরু করা মীনা কুমারীকে। তিনি ১৯৪৯ সালে মুক্তি পাওয়া 'বীর ঘাতক' সিনেমায় প্রথম নায়িকা চরিত্রে অভিনয় করেন।

১৯৫২ সালে বেজু বাওরা চলচ্চিত্রে অভিনয় করে তিনি নায়িকা হিসেবে পরিচিতি ও জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। ১৯৩৯ থেকে ১৯৭২ সাল পর্যন্ত তার অভিনয় জীবনে তিনি ৯০ টির বেশি চলচ্চিত্রে অভিনয করেন। তিনি ১৯৭২ সালের ৩১ মার্চ লিভার সিরোসিসে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুর সময় চিকিৎসা করানোরও টাকা ছিল না মীনা কুমারীর।

আপনার মূল্যবান মতামত কমেন্টে জানাতে ভুলবেন না। সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ...



জনপ্রিয়