দূষিত পরিবেশে কাজ করা কারখানা শ্রমিকদের গল্পগুলো দূষিত পরিবেশে কাজ করা কারখানা শ্রমিকদের গল্পগুলো

দূষিত পরিবেশে কাজ করা কারখানা শ্রমিকদের গল্পগুলো

বাংলাদেশের দক্ষিণাংশের জনগণ জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এর ফলে তারা তাদের বসতি ছেড়ে শহরে এসে বিভিন্ন কলকারখানায় কাজ নিচ্ছে। এসব কলকারখানা গুলোর বিষাক্ত পদার্থ বাতাসে মিশে বায়ুকে দূষিত করছে। যার ফলে কারখানার শ্রমিকরা বিভিন্ন ধরনের এ্যাজমা ও শ্বাসকষ্ট সংক্রান্ত রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। শ্রমিকরা কলকারখানা গুলোর আশেপাশেই বাসা ভাড়া নিয়ে থাকে, ফলে তাদের বাচ্চারাও শ্বাসকষ্টসহ নানান রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। দূষিত পরিবেশে কাজ করা কারখানা শ্রমিকদের কাজের কিছু ছবি নিয়েই আমাদের আজকের এই আয়োজন।

 

কারখানার বিষাক্ত পরিবেশে ঘুম

source: Internet

source: Internet

ছবিটিতে একজন শ্রমিক বিশ্রাম নিচ্ছেন আর অন্য দিকে কাজ চলছে।

 

সাধারণত এই শ্রমিকেরা দিনে ২৪ ঘণ্টা এবং মাসে ১৫ দিন কাজ করে থাকেন।

source: Internet

source: Internet

অনেক ক্ষেত্রেই তারা তাদের আত্মীয়স্বজনদের সাথে দেখা করার সময় পান না।

 

মুখে কোন মাস্ক না পরেই এভাবে কাজ করে থাকেন তারা।

source: Internet

source: Internet

আর এসব কারনেই বিভিন্ন ধরনের শ্বাসকষ্টজনিত রোগে তারা আক্রান্ত হন।

 

ছবিটিতে লোকটি ব্যবহৃত ক্যানগুলো আগুনে দিচ্ছেন গলানোর জন্য।

source: Internet

source: Internet

অত্যন্ত গরমে এবং ধোঁয়ার মধ্যে তারা এভাবেই কাজ করে থাকেন।

 

কারখানার কাজে তাদের কোন ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেই।

source: Internet

source: Internet

কোন ধরনের নিরাপত্তার ব্যবস্থা শ্রমিকদের জন্য নেই।

 

নারীরাও জীবিকার তাগিতে এসব কারখানাগুলোতে কাজ করে থাকেন।

source: Internet

source: Internet

তাদেরকেও কঠোর পরিশ্রম করতে হয় জীবিকার তাগিদে। 

 

এসব কারখানায় নারীদের জন্য আলাদা কোন নিরাপত্তা থাকেনা।

source: Internet

source: Internet

বিষাক্ত পদার্থের মধ্যে কাজ করার ফলে, এর প্রভাব তাদের বাচ্চাদের উপরেও পরে।

 

কারখানার পাশে বসবাস করে অনেক শিশু

source: Internet

source: Internet

আশেপাশে বসবাস করা শিশুরাও বিভিন্ন ধরনের রোগে আক্রান্ত হচ্ছে।

 

কারখানার রাসায়নিক পদার্থ আশেপাশের নদী বা নালায় ফেলা হয়ে থাকে

source: Internet

source: Internet

রাসায়নিক পদার্থ আশেপাশের নদী-নালায় ফেলার ফলে পানি দূষিত হচ্ছে। আর এর ফলে ধ্বংস হচ্ছে জলজ জীবন।

 

একজন মহিলা পাশের নদী থেকে কলসিতে জল ভরে নিয়ে যাচ্ছেন।

source: Internet

source: Internet

মহিলাটি যে নদী থেকে জল নিয়ে যাচ্ছেন, সেই নদীতেই পাশের কারখানা গুলোর রাসায়নিক পদার্থ ফেলা হয়।

 

মেয়েটি ক্যামেরা দেখে তার মুখ লুকোচ্ছে।

source: Internet

source: Internet

জানা যায়, এই মেয়েটির শ্বাসকষ্ট রয়েছে।

 

এটি কারখানার শ্রমিকদের পায়ের ছাপ

source: Internet

source: Internet

শ্রমিকেরা খালি পায়েই এসব বিষাক্ত পদার্থের উপর দিয়ে হাঁটে।

 

ইনি কারখানার একজন শ্রমিক 

source: Internet

source: Internet

এই লোকটির নাম মোহাম্মাদ জামাল, বয়স ৩৩ বছর। তার পরিবারের জন্য খাবার জোগাড় করতে তিনি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ কাজ করে থাকেন।

 

রিসাইকেল করা অ্যালুমিনিয়াম খণ্ডগুলো তারা এভাবেই ট্রাকে বোঝাই করে দেয়।

source: Internet

source: Internet

বড় বড় কোম্পানি গুলো এসব অ্যালুমিনিয়াম খণ্ড গুলো কিনে নেয়।

 

এসব শ্রমিকেরা অত্যন্ত মানবেতর জীবনযাপন করেন

source: Internet

source: Internet

ছোট্ট একটি ঘরে অনেকজন লোক একসাথে গাদাগাদি করে থাকেন।

 

কারখানা শ্রমিকদের জীবন অনেক কষ্টের। বেঁচে থাকার জন্য তাদের ঝুঁকিপূর্ণ কাজ করতে হয়। এভাবেই তাদের জীবন চলে।

আমাদের আয়োজন ভালো লাগলে লাইক, কমেন্ট, শেয়ারের মাধ্যমে আমাদের সাথেই থাকুন। আমাদের পাশে থাকার জন্য ধন্যবাদ। 



জনপ্রিয়