মামুদু গাসামা- বাস্তব জীবনের স্পাইডারম্যান মামুদু গাসামা- বাস্তব জীবনের স্পাইডারম্যান

মামুদু গাসামা- বাস্তব জীবনের স্পাইডারম্যান

৬ মাস আগেও মামুদু গাসামা তার দেশ মালিতে ছিল,  কিন্তু অন্যান্য যুবকের মতই ভাগ্য অন্বেষণে প্যারিস আসে। বর্তমানে তিনি ফ্রান্দের একজন হিরোতে পরিণত হয়েছে। কিভাবে তিনি সাধারণ একজন থেকে সকলের কাছে হিরো হয়ে উঠলেন? চলুন জেনে আসি, এই নির্ভীক যুবকের গল্প।

 

ঘটনার সুত্রপাত রবিরার দুপুরবেলা, মামুদু গার ডু নর্ড রেলওয়ে স্টেশন থেকে হেঁটে বাসায় যাচ্ছিলেন। হঠাৎ তিনি অনেক মানুষের চিৎকার আর ভীড় দেখতে পান। কাছে গিয়ে তিনি দেখেন এক শিশু ৪ বিল্ডিঙের ৪ তলার বারান্দা থেকে কোনভাবে ঝুলে আছে।নিজের জীবনের কথা চিন্তা না করেই তিনি কাজে নেমে পড়েন এবং বিল্ডিং বেয়ে উঠে শিশুটিকে উদ্ধার করেন। সকলের কাছে তিনি 'স্পাইডারম্যান' নামে খ্যাত হন।

 

এই মালিয়ান মানুষটি সম্প্রতি সকলের কাছে নায়ক হয়ে ওঠেছে। ইনিই মামুদু গাসামা।

source: internet

source: internet

 

রবিরার দুপুরবেলা, মামুদু গার ডু নর্ড রেলওয়ে স্টেশন থেকে হেঁটে বাসায় যাচ্ছিলেন। আচমকা তিনি অনেক মানুষের চিৎকার আর ভীড় দেখতে পান।

source: internet

source: internet

 

কাছে গিয়ে তিনি দেখেন এক শিশু ৪ বিল্ডিঙের ৪ তলার বারান্দা থেকে কোনভাবে ঝুলে আছে।

source: internet

source: internet

 

মামুদু কাজে নেমে পড়েন এবং খুব দ্রুততার সাথে একের পর এক তলা টপকে ৪ তলায় উঠে যান।  তিনি একবারও নিজের জীবন নিয়ে চিন্তা করেন নি। সকলে তাকে 'স্পাইডারম্যান' নামে ডাকতে থাকে, বাস্তব জীবনের স্পাইডারম্যান।

source: internet

source: internet

 

তিনি বলেন, "আমি ফ্লোর নিয়ে ভাবিনি, আমি ঝুঁকি সম্পর্কে ভাবিনি"।

source: internet

source: internet

 

"আমি এটি করেছি কারণ এটি একটি বাচ্চা ছিল"

source: internet

source: internet

 

"আমি বাচ্চাদের খুব পছন্দ করি"

source: internet

source: internet

 

তার এই বীরত্ব ফ্রেঞ্চ জাতির কাছে তাকে 'হিরো' বানিয়েছে।

source: internet

source: internet

 

ভিডিওটি দেখুন এখানে - https://www.facebook.com/BiboLOfficiel/videos/10214337551744958/?t=0

 

ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর ফ্রান্সের প্রেসিডেন্টও তার সাথে দেখা করার ইচ্ছা পোষণ করে।

source: internet

source: internet

 

সম্প্রতি ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট মার্কন মামুদুর সাথে দেখা করেন। মামুদু প্রেসিডেন্টকে কিভাবে সে এই শিশুটিকে উদ্ধার করে তার কাহিনী শোনায়।

source: internet

source: internet

 

কথা শেষে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এই সাহসিকতাপূর্ণ কাজের জন্য  মামুদুকে ফ্রান্সের নাগরিকত্ব দেওয়ার প্রস্তাব করে। 

source: internet

source: internet

 

সারাবিশ্বের মানুষ নানাভাবে মামুদুকে প্রশংসার সাগরে ভাসিয়েছে।

source: internet

source: internet

source: internet

source: internet

source: internet

source: internet

মামুদু তার কাজের মাধ্যমে প্রমাণ করেছেন মনুষ্যত্বের মত বড় আর কিছুই নেই। নিজের জীবনকে তুচ্ছ করে ৪ বছরের এই শিশুকে বাঁচানোর মাধ্যমে তিনি তা প্রমাণ করেছেন। 

আমাদের আয়োজন ভালো লাগলে লাইক, কমেন্ট, শেয়ারের মাধ্যমে আমাদের সাথেই থাকুন। আমাদের পাশে থাকার জন্য ধন্যবাদ।



জনপ্রিয়