বিশ্বের সবচেয়ে সুন্দরী ও সুদর্শন ১৫ রাজকীয় ব্যক্তিত্ব     বিশ্বের সবচেয়ে সুন্দরী ও সুদর্শন ১৫ রাজকীয় ব্যক্তিত্ব

বিশ্বের সবচেয়ে সুন্দরী ও সুদর্শন ১৫ রাজকীয় ব্যক্তিত্ব

রাজকীয় ব্যাক্তিত্বরা এমনিতেই দৃষ্টি কাড়ে, বিশেষ করে যারা খুব সুন্দরী এবং সুদর্শন। ফাঁপরবাজের চোখও তাদের এড়িয়ে যায় না। তাই তো আপনাদের জন্য রইলো বিশ্বের সেরা ১৫ রাজকীয় ব্যাক্তিত্বের বর্ণনা। চলুন দেখে আসা যাক-

জর্দানের রাণী রানিয়া

© eastnews

© eastnews

কিং আবদুল্লাহ্ ২-কে ১৯৯৩ সালের জুনের ১০ তারিখ বিয়ে করেছিলেন। বর্তমানে তার ৪ সন্তান রয়েছে। তার সাংস্কৃতিক কার্যক্রম, দান-খয়রাতের জন্য তিনি বিখ্যাত হয়ে আছেন। এছাড়াও তিনি ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, টুইটার ও ইউটিউবের নিয়মিত ব্যবহারকারী।

ডায়না, প্রিন্সেস অব ওয়েলস

© eastnews

© eastnews

১৯৮১ সালের জুলাইতে প্রিন্স চার্লসকে বিয়ে করেছিলেন ডায়না। তার দুই সন্তান প্রিন্স উইলিয়াম ও প্রিন্স হ্যারি। তার সমাজ সেবমূলক কার্যক্রমের জন্য খ্যাতি ছিলো। ১৯৯৭ সালের ৩১ আগষ্ট কার ক্রাশে তিনি মারা যান (বা হত্যা করা হয়েছে বলে প্রচার আছে)। তবুও তাকে জনগণের হৃদয়ের রাণী বলে মনে করা হয় তার ব্যাপক জনপ্রিয়তার জন্য।

ডেনমার্কের ক্রাউন প্রিন্সেস মেরি

© eastnews

© eastnews

ডেনমার্কের ক্রাউন প্রিন্স ফ্রেডেরিকের স্ত্রী তিনি। তাদের এনগেজমেন্ট ও বিয়ের অনুষ্ঠান মিডিয়ায় ব্যাপকভাবে প্রচারিত হয়। তিনি একটি ড্যানিশ ম্যাগাজিনের ভোটাভুটিতে 'সেরা নারী ২০০৮' নির্বাচিত হয়েছিলেন।

জাপানের ক্রাউন প্রিন্সেস মাসাকো

© eastnews

© eastnews

টোকিও বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় জাপানের ক্রাউন প্রিন্স নুরাহিতোর সাথে পরিচয় হয় মাসাকো ওয়াডার। নুরাহিতো প্রথম দেখায় প্রেমে পড়ে গেলেও মাসাকো প্রথমবার বিয়ের প্রস্তাব ফিরিয়ে দেয়। কারণ, তিনি প্রিন্সকে বিয়ে করলে তার ডিপ্লোমেট হওয়ার স্বপ্ন বিসর্জন দিতে হবে এবং জীবনের স্বাধীনতা ত্যাগ করতে হবে। তৃতীয়বারের মতো প্রস্তাব এলে ১৯৯২ সালের ৯ ডিসেম্বর মাসাকো বিয়ের প্রস্তাব গ্রহণ করেন।

জয়পুরের মহারাণী গায়েত্রী দেবী

© eastnews

© eastnews

ইউরোপে পড়ালেখার সুবাদে ফ্যাশন সচেতন ছিলেন মহারাণী। সাথে তো রূপ ছিলো-ই। ঘোড়া চালানোয় দক্ষতা ছিলন, পাশাপাশি পোলো ভালো খেলতেন। শিকারে বেশ দক্ষ ছিলেন তিনি।

গ্রীস ও ডেনমার্কের প্রিন্স ফিলিপস

© eastnews

© eastnews

গ্রীসের রাজা কনস্টানটাইন ২ ও রাণী আন্নে-মারির পঞ্চম ও শেষ সন্তান প্রিন্স ফিলিপস। যুক্তরাষ্ট্রের জর্জটাউন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ালেখা শেষে তিনি এখন নিউ ইয়র্ক সিটিতে কাজ করছেন।

সুইডেনের প্রিন্সেস মেডেলিন

© eastnews

© eastnews

বিট্রেনে জন্ম নেওয়া আমেরিকান ফিনান্সার ক্রিস্টোফার ও'নীল এর সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন প্রিন্সেস মেডেলিন। তাদের দুই সন্তান, প্রিন্সেস লিওনর ও প্রিন্স নিকোলাস।

অ্যান্ড্রিয়া ক্যাসিরাঘি

© eastnews

© eastnews

মোনাকোর প্রিন্স রানিয়ের ৩-এর বড় নাতি। ফোর্বাসের মতে ২০০৮ সালে তিনি বিশ্বের সেরা দশ আবেদনময়ী প্রিন্সের মধ্যে একজন।

গ্রেস কেলি

© eastnews

© eastnews

প্রিন্স রানিয়ের-৩ কে বিয়ে করে এই আমেরিকান ফিল্ম অভিনেত্রী প্রিন্সেসের মর্যাদা লাভ করেন। সড়ক দুর্ঘটনায় ১৯৮২ সালে তার মর্মান্তিক মৃত্যু ঘটে। সৌন্দর্যের জন্য তিনি জগদ্বিখ্যাত ছিলেন।

রাণী লেটিজিয়া

© eastnews

© eastnews

স্পেনের রাণী লেটিজিয়া একসময় ছিলেন সাংবাদিক ও টিভি উপস্থাপিকা। বিয়ের পর তিনি তার চাকরী ছেড়ে দিয়ে রাজকীয় জীবনে থিতু হয়েছেন।

সৌদি আরবের প্রিন্সেস আমীরা

© eastnews

© eastnews

প্রিন্সেস আমীরা তার ডির্ভোসী মা ও নানা-নানীর কাছে বড় হয়েছেন। এরপর সৌদি প্রিন্স আল-ওয়ালিদের সাথে তার বিয়ে হয় কিন্তু ২০১৩ সালে তাদের ডিভোর্স হয়ে যায়। আমীরা ইউনিভার্সিটি অব নিউ হেভেন থেকে বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশনে গ্রাজুয়েশন করেছেন।

সুইডেনের প্রিন্স কার্ল ফিলিপ

© eastnews

© eastnews

এই প্রিন্স খুব খেলাপাগল। তিনি সাঁতার, ফুটবল ও স্কিইং নিয়ে পড়ে থাকেন।

দুবাইয়ের ক্রাউন প্রিন্স হামদান

© faz3

© faz3

প্রিন্স হামদান ইনস্টাগ্রামে খুব বিখ্যাত। তার ভক্ত সংখ্যা ৫.৭ মিলিয়ন।

ডাচেস অব ক্যামব্রিজ, ক্যাথেরিন

© eastnews

© eastnews

প্রিন্স উইলিয়ামের সাথে বিয়ের আগে থেকেই ক্যাথেরিন মিডিয়ার নজর কেড়েছিলেন তার সৌন্দর্যের জন্য। তার পোষাক সচেতনতা বেশ প্রশংসনীয়।

শার্লট ক্যাসিরঘি

© eastnews

© eastnews

মোনাকোর রানিয়ের-৩ এর নাতনী এই প্রিন্সেস। তার পোষাক মিডিয়ার আলোচনার বিষয়বস্তু। গুচির ব্র্যান্ড এম্বাসেডর তিনি।

কোন রাজকীয় ব্যক্তিত্বকে আপনার সবচেয়ে বেশি ভালো লাগে ও লেগেছে? কমেন্টে জানাতে ভুলবেন না। সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ...  



জনপ্রিয়