তোপকাপি প্রাসাদ, সুলতানের হারেম ও পিরী রইসের ম্যাপ  তোপকাপি প্রাসাদ, সুলতানের হারেম ও পিরী রইসের ম্যাপ

তুরস্কের ইস্তানবুল শহরে অবস্থিত একটি রাজকীয় প্রাসাদ

সতর্কতা- সকল সেমেটিক ধর্মের ( ইহুদী, খৃস্টান, ইসলাম) অতিমাত্রায় বিশ্বাসীদের পোস্টটি এড়িয়ে চলাই ভাল, নতুবা ঐতিহাসিক সত্য উল্লেখের জন্য কারো ধর্মানুভুতি আহত হলে লেখককে দায়ী করা যাবে না। পর্যটক তারেক অণুর মূল লিখাকে কিছুটা পরিবর্তন করে লিখা ফিচারটি

 

ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষী তোপকাপি জাদুঘর। এখানে রয়েছে দর্শনীয় নানা উপকরণ। যা উসমানীয় শাসনামলের নানা নান্দনিক নিদর্শন বহন করছে। এক সময় উসমানীয় সুলতানদের বাসস্থান হিসেবে ব্যবহৃত হলেও এটা ইস্তাম্বুলের প্রশাসনিক ও শিক্ষা বিস্তারের কেন্দ্রবিন্দু। এ ছাড়াও এখানে রয়েছে মুসলমানদের জন্য পবিত্র স্মরণচিহ্ন। যেমন- হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর আলখাল্লা এবং তরবারি। তোপকাপি প্রাসাদ সত্যিকার অর্থে উসমানীয় শাসনামলের দোর্দণ্ড প্রতাপের প্রতিচ্ছবি। উসমানীয় সুলতানদের ব্যবহৃত নানা স্মৃতিচিহ্ন এখানে এখনো রয়েছে নিদর্শন হিসেবে। গোটা ইস্তাম্বুলের প্রশাসনিক ও শিক্ষা কেন্দ্র হিসেবেও ব্যবহার করা হয় এই জাদুঘরটি।

 

কোন এক ডিসেম্বরে আমরা দাঁড়ালাম সেই প্রাসাদ চত্বরে, সুরম্য অট্টালিকাটি এখনো আছে বসফরাসের আর মর্মর সাগরের পাড়ে, যেখান থেকে গোল্ডেন হর্ন দেখা যায়, বাতাসে থমকে যায় তোপকাপির বাগানে

IMG_8548

IMG_8548

 

হিমে বিষণ্ণ পাতা ঝরে পড়ার আগে মনে করে হয়ত হারেমে আগত ভিনদেশী নর্তকীর আকুতি ভরা চাহনি, গোলাপঝাড় ছুয়ে যায় সাঁঝের বাতাস, যেমনটা করে চলেছে গত ছয়শ বছর। চাঁদনী রাতে নিশ্চয়ই ফিনকি দেয়া জ্যোৎস্না প্লাবিত করে সফেদ গম্বুজগুলোকে, যা একসময় অলিন্দ দিয়ে ঢুঁকে রহস্যময় আঁকিবুঁকি সৃষ্টি করত বারান্দায়। বিশাল সব প্রাচীন মহীরুহেরা আছে কালের সাক্ষী হয়ে দাড়িয়ে।

 

IMG_8586

IMG_8586

 

বিশাল মূল ফটক পার হয়ে চমৎকার বিস্তৃত উদ্যান, সবুজ গালিচায় ইতস্তত উড়ে বেড়াচ্ছে ঝরা পাতা, অদূরেই ২য় প্রবেশদ্বার, সেখানেই টিকেট কেটে ঢুকতে হবে ভিতরে, দাম বেশ চড়া ১০/১২ ইউরো, অদ্ভুত ভাবে এক টিকেটে সম্পূর্ণ প্রাসাদ দেখা যাবে না, হারেম দেখতে চাইলে আবার টিকেট কাটতে হবে ভিতরে, সেটারও দামও ১০/১২ ইউরো! কি আজব নিয়ম রে বাবা, এরাও জানে এতদূর এসে সুলতানের হ্যারেম না দেখে ফেরত যাবে খুব কম লোকই, তাই ইচ্ছে মত দাম করিয়ে রেখেছে। এমনিতেই বিশাল লাইন দর্শনার্থীদের সকাল বেলাতেই। 

 

দেখা গেল বিশাল প্রাসাদের একটি ক্ষুদে মডেল, 

IMG_8547

IMG_8547

 

দারুণ সব কাজ করা ছাদ, মেঝে, খিলান, গম্বুজ সবদিকেই।

IMG_8543

IMG_8543

 

IMG_8707

IMG_8707

 

হজ করে আসা একাধিক আত্মীয়ের মুখে শুনেছিলাম আহ মক্কা- মদিনায় গেলাম কিন্তু শুনি রাসুলের ব্যবহার করা সিলমোহর, দাঁত, কেশগুচ্ছ, অস্ত্র ইত্যাদি ইত্যাদি সবই আছে ইস্তাবুলের সুলতানের প্রাসাদে!

তোপকাপি মিউজিয়াম

তোপকাপি মিউজিয়াম

 

তারা দখল করে নিয়ে গেছে সব, দেখতে চাইলে সেখানেই যেতে হবে। সেই প্রাসাদের বিশেষ কক্ষের আলোআধারিতে শুরু হল আমাদের যাত্রা, প্রথমেই বিশেষ বিজ্ঞপ্তি- ইহা একটি পবিত্র কক্ষ, এখানে পবিত্র জিনিসপত্র সংরক্ষিত আছে, কেউ জোরে কথা বলে নিঃশব্দতা ভাঙবেন না! ঠিক টিমটিমে আলো নয়, কিন্তু ঝলমলেও নয়, কোন মতে আঁধার দূর করা হয়েছে হলদেটে আলো দিয়ে।

 

প্রথমেই এক ঘর যা কিনা সেমেটিক ধর্মের অনুসারীদের কাছে তীর্থ স্থানের মর্যাদা পেয়ে থেকে কারণ ধর্মগুলোর বেশ কয়েকজন নবীর ব্যবহৃত জিনিসপত্র আছে

IMG_8558

IMG_8558

 

প্রথমেই আমাদের থ করে দিল প্রদর্শনী কক্ষের প্রথম বস্তুটিই।  লম্বা একটা লাঠি, খুব সাধারণ দেখতে, হাতলের জায়গাটি একটু মোটা, হঠাৎ দেখলে মনে হতে পারে বাঁশের কঞ্চির তৈরি, এবং হাতলের জায়গাটিতে বাঁশের গাঁট!  আমাদের থ করে দিল এর নিচের লেখাটি- ইহা মোজেসের (মুসা আঃ) লাঠি!

মুসা আঃ এর লাঠি!

মুসা আঃ এর লাঠি!

 

মুসা আঃ এর লাঠি!

মুসা আঃ এর লাঠি!

ইহুদী ধর্মের প্রধান নবী, ওল্ড টেস্টামেন্টের উপর সিনাই পর্বতে, সেমেটিক ৩ ধর্মের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি মোজেস, যার উপর আসমানি কিতাব তাওরাত নাজিল হয়েছিল, তার সবচেয়ে বিখ্যাত মুজিযা বা অলৌকিক ক্ষমতা দেখাবার নিদর্শন সেই লাঠির দিকে শেষ চাহনি দিয়ে এগোলাম পরের দ্রষ্টব্যে।

মুসা আঃ এর লাঠি!

মুসা আঃ এর লাঠি!

 

বেশ কিছু দ্রব্য আছে ঘরটিতে, একাধিক চেম্বারে, মূল কিছু জিনিসের বর্ণনা দিয়েই বেরিয়ে যাব সুলতানের সবুজ বাগিচায়। একটা তলোয়ার চোখে পড়ল, তার মালিক ছিল ইহুদীদের বিখ্যাত নবী, ইসরাইলীদের ত্রানকর্তা ডেভিড (দাউদ আঃ)

 

পরের কাঁচের শোকেসে দেখি একটা সাদা পাগড়ি, তার মালিক ছিল জ্যাকবের ছেলে জোসেফ( ইয়াকুবের আঃ ছেলে ইউসুফ আঃ)!

relics

relics

শিশুকালে কত শুনেছি জুলেখা বিবির সাথে তার প্রেম কাহিনী, ক্রীতদাস হয়ে মিশরে তার আগমন ঘটলেও স্বপ্নের অর্থ বলে দেওয়ায় ক্ষমতার কারণে ফারাওয়ের আস্থাভাজন হয়ে ক্ষমতাশালী পদে অধিষ্ঠিত হয়েছিল সে । (মনের ভিতরে গান বেজে উঠল- প্রেম কইরাছে ইউসুফ নবী, তার প্রেমে জুলেখা বিবি গো! )

 

সেই পাগড়ির পাশেই রাখা একটা লোহার হাত, তার ভিতরে নাকি আছে খৃস্টানদের কাছে অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি সেন্ট জনের হাত! যীশুর শিষ্যের দুই হাজার বছরের পুরনো শুকনো হাত , পাশে জনের কাছে থাকা কিছু প্রাচীন হাতে লেখা কাগজের( স্ক্রোল) দর্শনও মিলল, কি লেখা আছে তা অবশ্য জানা গেল না।

খৃস্টানদের কাছে অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি সেন্ট জনের হাত
 

খৃস্টানদের কাছে অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি সেন্ট জনের হাত

একটা পাত্রের দেখা মিলল যার মালিক ছিল খোদ আব্রাহাম ( ইব্রাহীম আঃ), সেই আব্রাহাম যাকে সেমেটিক তিন ধর্মেরই অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ হিসেবে ধরা হয়, যার স্ত্রী সারার গর্ভের পুত্র ইসহাক আঃ এবং দাসী হাজেরার গর্ভের পুত্র ইসমাইল আঃ থেকে শুরু হয়েছে অনেক অনেক ইতিহাসের জন্ম এমনকি কোরবানির ঘটনাও

 

পরের চেম্বারগুলোতে ইসলামের জয়জয়কার, অটোমান সুলতানের কয়েক শতাব্দী ধরে মধ্যপ্রাচ্য দখল করে রাখায় এই জিনিসগুলো তারা নিয়ে এসেছে ইচ্ছা মত, মূলত ১৫১৭ সালে সুলতান সেলিম মিশর দখলের পর এইসব তার হস্তগত হয়। যদিও বলা হল খোদ সুলতান তার পরিবারের সদস্যদের নিয়ে বছরে মাত্র একটি দিন, ১৫ রমযান, সেগুলো দেখতে পেত।

 

এখানে আছে ইসলামের নবী হযরত মুহম্মদ (সঃ) এর ব্যবহৃত পোশাক, দুটি তরবারি, একটি ধনুক, একটি দাঁত, দাড়িগুচ্ছ, সিলমোহর, পায়ের ছাপ, রওজার মাটি এমন নানা জিনিসপত্রের সাথে একটি চিঠি, যা ইসলামের দাওয়াত দিয়ে লেখা হয়েছিল মিসরীয় শাসন কর্তা আল- মুকাউয়িসকে, সেখানে লেখা আছে-

হযরত মুহাম্মদ (সঃ) এর কিছু জিনিস

হযরত মুহাম্মদ (সঃ) এর কিছু জিনিস

 

একটি দাঁত, দাড়িগুচ্ছ, সিলমোহর, পায়ের ছাপ, রওজার মাটি

একটি দাঁত, দাড়িগুচ্ছ, সিলমোহর, পায়ের ছাপ, রওজার মাটি

 

উপরের ছবির বাম পাশের ছোট বক্সটিতে উহুদ যুদ্ধে হযরত মুহাম্মদ (সঃ) দন্ত মুবারাক সংরক্ষিত আছে !  

উপরের ছবির বাম পাশের ছোট বক্সটিতে উহুদ যুদ্ধে হযরত মুহাম্মদ (সঃ) ভাঙ্গা দাঁতটি সংরক্ষিত আছে

উপরের ছবির বাম পাশের ছোট বক্সটিতে উহুদ যুদ্ধে হযরত মুহাম্মদ (সঃ) ভাঙ্গা দাঁতটি সংরক্ষিত আছে

 

হযরত মুহাম্মদ (সঃ) দাড়িগুচ্ছ

হযরত মুহাম্মদ (সঃ) দাড়িগুচ্ছ

 

হযরত মুহাম্মদ (সঃ) ব্যাবহার করা তরবারি

হযরত মুহাম্মদ (সঃ) ব্যাবহার করা তরবারি

 

মুকাউয়িস, মিশরের শাসনকর্তা,

সঠিক পথধারীর উপরে শান্তি বর্ষিত হোক। আমি আপনাকে ইসলাম গ্রহণের দাওয়াত দিচ্ছি। যদি আপনি নিরাপত্তা চান, ইসলাম গ্রহণ করুন। ইসলাম গ্রহণ করলে নিশ্চয়ই আল্লাহ আপনাকে দ্বিগুণ পুরস্কার দিবেন। কিন্তু তা প্রত্যাখ্যান করলে আপনার সমগ্র জাতি যে ফলাফলের শিকার হবে, তার জন্য আপনি দায়ী হবেন।

হযরত মুহম্মদ (সঃ) এর পায়ের ছাপ ও ইসলামের দাওয়াত

হযরত মুহম্মদ (সঃ) এর পায়ের ছাপ ও ইসলামের দাওয়াত

জগতের সকল পার্থক্য রেখে একটি ব্যাপারে আমাদের একমত হতে হবে তা হচ্ছে এক আল্লাহ্‌ ছাড়া কারো উপাসনা করা যাবে না, এবং তার সাথে কাউকে তুলনা করাও যাবে না, অন্য কাউকে আমাদের ঈশ্বর হিসেবেও দাবী করা যাবে না। আপনি যদি একে প্রত্যাখ্যানও করেন, জেনে রাখবেন, আমরা সবসময়ই এক আল্লাহ্‌কে বিশ্বাস করি

এর নিচে ইসলামের শেষ নবী হযরত মুহাম্মদ (সঃ) এর সীলমোহর

হাতে লিখা কোরআন শরীফ

হাতে লিখা কোরআন শরীফ

পার্চমেন্টে লেখা চিঠিটি নানা হাত ঘুরে মিশরের আখমিমের খৃস্টান মনেস্ট্রিতে পৌছায়, সেখানের ব্রত পালনকারী এক ধার্মিক খৃস্টান বাইবেলে মধ্যে চিঠিটি রেখে দেয়। অনেক পরে একজন ফরাসী এটিকে পেয়ে সুলতান ১ম আবদুলমেসিদের কাছে চড়া দামে বিক্রি করে। সুলতান চিঠিটিকে সোনার ফ্রেমে বাঁধিয়ে ইসলামের অন্যান্য পবিত্র জিনিসের সাথে স্থান দেয়। ইসলামিক গবেষকরা ব্যপক গবেষণার পরে মতৈক্যে পৌঁছেছেন যে চিঠিটির মূল লেখক ইসলামের প্রথম খলিফা আবু-বকর। কিন্তু সিলমোহরটি ইসলামের শেষ নবী হযরত মুহাম্মদ (সঃ) বহন করে।

 

হযরত মুহাম্মদ সঃ এর আলখাল্লা যা শুধু রমজান মাসে দেখানো হয়

হযরত মুহাম্মদ সঃ এর আলখাল্লা যা শুধু রমজান মাসে দেখানো হয়

 

এর উত্তরে আল মুকাওয়িস উত্তর পাঠাল-

আমি আপনার পত্র পড়েছি এবং সেই সম্পর্কে অবগত হয়েছি। আমি জানি পৃথিবীতে একজন নবীর আগমন এখনো বাকী ছিল, কিন্তু আমি ভেবেছিলাম তার জন্ম সিরিয়াতে হবে। আমি আপনার দূতকে সন্মানের সাথে গ্রহণ করেছি। আপনার জন্য উপহার হিসেবে দুইজন দাসী পাঠাচ্ছি। এই দুই দাসী আমাদের সমাজের অতি উঁচু পরিবারের মেয়ে। সেই সাথে আমি আপনাকে কাপড় এবং চড়ার জন্য একটি দুলদুল ( ঘোড়া) পাঠাচ্ছি। ঈশ্বর আপনার সহায় হোন।

 

পরের চেম্বারে ইসলামের চার খলিফার অস্ত্রশস্ত্র, বিশেষ করে তরবারির সংগ্রহ। খোলাফায়ে রাশেদীনের শেষ খলিফার আলীর তরবারিখানা অন্যদের অস্ত্রের তুলনায় বেশ চওড়া মনে হল

 ইসলামের চার খলিফার অস্ত্রশস্ত্র, বিশেষ করে তরবারির সংগ্রহ

ইসলামের চার খলিফার অস্ত্রশস্ত্র, বিশেষ করে তরবারির সংগ্রহ

 

সেখানে আরও ছিল বিবি ফাতিমার জায়নামাজ এবং একটি পোশাক। অস্ত্র ছাড়া সাম্রাজ্য বিস্তার তো আজ পর্যন্ত সম্ভব হয় নি, কাজেই ইতিহাস, সাম্রাজ্য আর অস্ত্রের শখ্য চোখে পড়ার মত বিশ্বের সবখানেই।

বিবি ফাতেম (রা) এর জামা

বিবি ফাতেম (রা) এর জামা

চেম্বারে একজন মুফতি সারাদিন কোরান তিলাওয়াত করছে। শুনলাম প্রাচীন নিদর্শনগুলো রক্ষার জন্যই এমন টিমটিমে আলোর ব্যবস্থা, আর ছবি তোলা অবশ্যই নিষিদ্ধ।

অটোমানদের ৬২৪ বছরের শাসনকালের মাঝে ৪০০ বছরই ( ১৪৬৫-১৮৫৬) এই প্রাসাদই ছিল একটি সাম্রাজ্যের কেন্দ্রবিন্দু। পরে ১৮৫৬ সালে সুলতান তার দরবার সরিয়ে নিয়ে যায় ইউরোপীয় স্থাপত্যরীতি অনুযায়ী নির্মিত দোলমাবাঁচে প্রাসাদে, কিন্তু তারপরও রাজকীয় রত্নাগার, গ্রন্থাগারসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ কিছু বিভাগ এই প্রাসাদেই অবস্থিত ছিল। অবশেষে ১৯২১ সালে তরুণ তুর্কিরা মোস্তফা কামালের নেতৃত্বে সুলতানদের অধ্যায় শেষ করে দিলে ১৯২৪ সাল থেকে তোপকাপিকে জাদুঘর ঘোষণা করে জনগণের দর্শনের জন্য উম্মুক্ত করে দেওয়া হয়।

 

ফেরার আগে সুলতানের বাগিচা থেকে চোখে পড়ল বসফরাসের জলধারা, গোল্ডেন হর্ন, অপর পাড়ের মহাদেশ। মর্মর সাগরের বাতাস মন থেকে ধুয়ে নিয়ে গেল প্রাসাদের ক্লেদময় ইতিহাসের অনেকটাই, সেই সাথে আহ্বান জানাল অপর মহাদেশে যাবার জন্য। এবারের যাত্রা সেদিক পানেই

লেখক তারেক অণু

লেখক তারেক অণু

কোন ছবিটি আপনার কাছে সবচেয়ে ভালো লেগেছে আমাদের কমেন্টে জানাতে ভুলবেন না। আপনার আশে পাশের যে কোন ভালো কিংবা মজার ছবি যদি আমাদের মাধ্যমে পেইজে অথবা আর্টিকেলে শেয়ার করতে চান তাহলে আমাদের ফাঁপরবাজ পেইজের ইনবক্সে ছবিটি কোথায় উঠানো এবং কে উঠিয়েছেন এই তথ্য সহ মূল ছবিটি পাঠাতে পারেন, পরবর্তিতে আমরা আপনার তোলা ছবি সবার সাথে শেয়ার করব। সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ



জনপ্রিয়