হ্যাকার হামজা বেনদেলাজ আধুনিক সময়ের গরীবের রবিনহুড!   হ্যাকার হামজা বেনদেলাজ আধুনিক সময়ের গরীবের রবিনহুড!

হ্যাকার হামজা বেনদেলাজ আধুনিক সময়ের গরীবের রবিনহুড!

চলচ্চিত্র, টিভি সিরিয়া্‌ল ও গল্পের বইয়ের মাধ্যমে আমরা সবাই রবিনহুড সম্পর্কে জানি। যিনি ধনীদের সম্পদ লুট করে গরিবদের মাঝে বিলিয়ে দিতেন। আলজেরিয়ায় জন্মগ্রহণ করা হ্যাকার হামজা বেনদেলাজকে অভিহিত করা হচ্ছে আধুনিক সময়ের রবিনহুড হিসেবে।

তার বিরুদ্ধে পশ্চিমা দেশগুলোর অভিযোগ রয়েছে, তিনি আমেরিকার দুই শতাধিক ব্যাংক এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে মিলিয়ন মিলিয়ন ডলার চুরি করে আফ্রিকান ও ফিলিস্তিনের গরীব মানুষদের মাঝে বিলিয়ে দিয়েছেন।

বিভিন্ন হ্যাকার গ্রুপ ও সংগঠন

বিভিন্ন হ্যাকার গ্রুপ ও সংগঠন

বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হলেও, হামজা বেনদেলাজকে হ্যাকিংয়ের জন্য কখনোই অনুতপ্ত না দুঃখিত হতে দেখা যায়নি। হ্যাকিং জগতে বিএক্স১ (Bx1) নামে পরিচিত হামজাকে সদা হাসিখুশিই দেখা গেছে। তিনি কম্পিউটার সিস্টেমে প্রবেশ করে, ট্রোজান হর্স নামের স্পাইআই তৈরির মাধ্যমে দুই শতাধিক আমেরিকান প্রতিষ্ঠান ও ব্যাংকের টাকা স্বয়ংক্রিয়ভাবে উত্তোলন করে নেন।

বিভিন্ন হ্যাকার গ্রুপ ও সংগঠন

বিভিন্ন হ্যাকার গ্রুপ ও সংগঠন

আলজেরিয়ার তিজি ওজুতে বেড়ে ওঠা বেনদেলাজকে হ্যাকিং শুরুর পরও প্রথমে তাকে কেউ চিহ্নিত করতে পারেনি। হ্যাকিংয়ে প্রাপ্ত অর্থ তিনি ফিলিস্তিন এবং আফ্রিকার খাদ্যাভাব মেটাতে খরচ করতেন। আমেরিকান ছদ্মবেশী অফিসারের নিকট স্পাইআই ভাইরাসের একটি কপি বিক্রি করতে গিয়ে চিহ্নিত হওয়ার পর, ২০১৩ সালে থাইল্যান্ডে একটি এয়ারপোর্ট থেকে বেনদেলাজকে গ্রেপ্তার করে মার্কিন প্রশাসনের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

বিচারের মুখোমুখি হওয়ার পর, বিভিন্ন অপরাধে তাকে ১৫ বছরের কারাদণ্ডে দন্ডিত করে অমেরিকান আদালত। হামজা বেনদেলাজের মৃত্যুদন্ড দেওয়া হয়েছে এমন গুজবে সুর মিলিয়ে তার মৃত্যুদণ্ডের প্রতিবাদ করেন অনেকেই। কিন্তু, সত্যি হলো এটাই, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কারাগারে জেল খাটছেন গরীবের বন্ধু হামজা বেনদেলাজ। 

তাকে মুক্ত করতে #FreeHamzaBendellaj এবং #FreePalestine হ্যাশট্যাগের মাধ্যমে অনলাইনে প্রচার অব্যাহত রেখেছে বিভিন্ন হ্যাকার গ্রুপ ও সংগঠন।

আপনার মূল্যবান মতামত কমেন্টে জানাতে ভুলবেন না। সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ...            



জনপ্রিয়