বামে নরপিশাচ এলিজাবেথ ব্যাথরি ও ডানে শয়তানবাদের আশীর্বাদপুষ্ট গিলস ডি রাইস... বামে নরপিশাচ এলিজাবেথ ব্যাথরি ও ডানে শয়তানবাদের আশীর্বাদপুষ্ট গিলস ডি রাইস...

অতীতে ইতিহাসের ভয়ংকর সিরিয়াল কিলারদের রোমাঞ্চকর লোমহর্ষক হত্যাযজ্ঞ

নৃশংস হত্যাকাণ্ডের কাহিনী সাধারণ মানুষকে দীর্ঘকাল ধরে হতবাক করেছে। অসংখ্য লোককথা, রূপকথা এবং পৌরাণিক কাহিনী মানুষের মনে মৃত্যু আতঙ্ক তৈরি করেছে। বর্তমান সময়ে জনপ্রিয় টিভি অনুষ্ঠানগুলোতে খুন সংক্রান্ত গল্পে তৈরি অনেক অনুষ্ঠান পুরো জাতিকে দেখানো হয়। সত্যিকারের অপরাধমূলক কর্মকান্ডের অপ নিয়মিত গল্পগুলো আমাদের অবাক করে দেয়।

সিরিয়াল কিলারদের বৈচিত্রময় জীবন নিয়ে অসংখ্য সিনেমা কিংবা নাটক নির্মিত হয়েছে। আমাদের অনেকেই এ ধরনের বিষয়গুলো জানতে খুব পছন্দ করি। এর মানে এই নয় যে আমরা এ ধরনের কর্মকাণ্ডকে সমর্থন দিচ্ছি বরং সিরিয়াল কিলারদের রোমাঞ্চকর জীবন আমাদের বিমোহিত করে।প্রত্যেকটি ঘটনা একটির চাইতে অন্যটি রোমাঞ্চকর। আশা করি আপনাদের ভালো লাগবে।

৯. প্রাচীন রোমে বিষ দিয়ে হত্যাযজ্ঞ  

listverse.com

listverse.com

৩৩১ খ্রিষ্টপূর্বে প্রাচীন রোমে অসংখ্য মানুষ মৃত্যুবরণ করতে লাগলো। এই অগণিত মৃত্যুর কারণে মহামারীকে সন্দেহ করা হচ্ছিল। কিন্তু তদন্তে ভিন্ন কিছু খুঁজে পাওয়া যায়। এই মৃত্যু আসলে বিষক্রিয়ায় হয়েছিল। কিন্তু কি করে এমন হলো? মূলত সে সময় লোকজন ওষুধ মনে করে বিষ পান করেছিল। এই হত্যাযজ্ঞের জন্য সে সময় ১০০ জন সেবিকা কে দায়ী করা হয় যারা বিষাক্ত ঔষধ মানুষদের সরবরাহ করেছিল।

যখন তাদের বিচার প্রক্রিয়ার আওতায় আনা হলো তারা অস্বীকার করলেন যে তারা ঔষধ সরবরাহ করেছেন কোন বিষ সরবরাহ করেন নি। এটা প্রমাণ করতে সেখানকার সকল সেবিকা সে ওষুধ সেবন করেন করেন এবং নির্মম ভাবে তাদের মৃত্যু ঘটে। এখনো এ বিষয়টা রহস্য রয়ে গেল যদি সেই ১০০ জন সেবিকা দোষী না হন তারা এই চক্রান্ত করেছিল?

৮. শ্রীলংকার অনুরাধাপুরার অনুলা এক ডাইনির নাম যে বারবার আগের স্বামীকে হত্যা করে নতুন স্বামী গ্রহণ করত 

Photo credit: unknownmisandry.blogspot.com

Photo credit: unknownmisandry.blogspot.com

শ্রীলংকার অনুরাধাপুরার রাজকুমারী অনুলা তার নিজের স্বামী করানাগাকে হত্যা করেছিল কারণ সে রাজপ্রাসাদের এক রক্ষীর প্রেমে পড়েছিল। সে রাজার পুত্র টিশাকে খুন করেছিল। অনুলা এবং তার প্রেমিক শিবা মিলে রাজ্য ক্ষমতা প্রায় ১ বছর ২ মাস নিজেদের কুক্ষিগত করে রেখেছিল। এরপরে অনুলা রাজ্যের ডামিলা ভাটুকা নামে একজন কাঠ মিস্ত্রির প্রেমে পড়েন। এরপর শিবাকে তিনি বিষ খাইয়ে হত্যা করেন। পুনরায় ডামিলা ভাটুকাকে বিয়ে করেন। তারা দুজনে মিলে আবার ১ বছর ২ মাস রাজ্য চালান।

এরপর অনুলা নতুন করে একজন কাঠুরের প্রেমে পড়ে ভাটুকাকে বিষ পান করিয়ে হত্যা করেন।অনুলা কাঠুরিয়াকে বিয়ে করে দুজনে মিলে আরো ১ বছর ১ মাস রাজ্য পরিচালনা করেন। যাই হোক, এরপর অনুলার দেখা হয় ডামিলা নিলিয়া নামের রাজ্যের একজন পুরোহিতের সাথে। রীতিমত অনুলা পুরোহিতের প্রেমে পড়েন। বরাবরের মতই আগের স্বামীকে বিষ পান করিয়ে হত্যা করেন পাশাপাশি পুরোহিতকে বিয়ে করেন। তাদের এই সম্পর্ক ৬ মাস স্থায়ী হয়েছিল যার পরে অনু লা পুরোহিতকে বিষ পান করে হত্যা করেন এবং নিজেই ৪ মাস রাজ্য পরিচালনা করেন।

এরপর কুটাকান্না টিশা ,যে কিনা সাবেক রাজার ছেলেদের একজন ছিলেন, রাজ্য ছেড়ে পালিয়ে যান কারণ তিনি অন্নুলার ভয়ংকর কর্মকাণ্ডে মারাত্মক ভীতসন্ত্রস্ত ছিলেন। কিন্তু তিনি একদল প্রশিক্ষিত সৈন্যবাহিনী নিয়ে ফিরে আসেন এবং অনুলাকে ক্ষমতাচ্যুত করেন। টিশা অনুলাকে জীবন্ত জ্বালিয়ে দেন‌ এবং তার মৃত্যু হয়। টিশা পরবর্তী ২২ বছর রাজ্য পরিচালনা করেন।

৭. রাজার ছেলে লিউ পেঙলি প্রতি রাতে প্রজাদের হত্যা করে মালামাল লুট করতেন 

Photo credit: mindsofkillers.com

Photo credit: mindsofkillers.com

লিউ পেঙলি চিনের লিয়াংয়ের রাজা শাও এর পুত্র। লিউ পুরো রাজ্য জুড়ে একজন নিষ্ঠুর ও দাম্ভিক লোক হিসেবে পরিচিত ছিল। রাতের অন্ধকারে তিনি এবং তার ২০-৩০ জন দাস অথবা অপরাধী সঙ্গী নিয়ে রাজ্যের লোকদের হত্যা এবং তাদের জিনিসপত্র লুট করে সেগুলো উপভোগ করতেন। এটা ধারণা করা হয়ে থাকে, লিউ ১০০ এর ও অধিক প্রজাকে হত্যা করেছে। তার ভয় মানুষ রাতে বাড়ি ছেড়ে পালাতো। 

৬. যু শেনাটির এক পশুর নাম যে তরুণ পুরুষ প্রজাদের প্রাসাদে নিয়ে পায়ুপথে ধর্ষণ করে হত্যা করতেন 

listverse.com

listverse.com

অতীত ইতিহাসে, নরহত্যা এবং সমকামীতা মূলত সমাজের উচ্চপদস্থ কিংবা গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ অনুশীলন করতো। তাদের ক্ষমতা দিয়ে যেকোনো ধরনের অপরাধ কর্মকাণ্ড সম্পন্ন করা কিংবা সেগুলোর প্রমাণ লুকিয়ে ফেলা খুবই সহজ ব্যাপার ছিল। যু শেনাটির ও ব্যতিক্রম নন। তিনি অতীতের সিরিয়াল কিলারদের মধ্যে অন্যতম। তিনি ভুক্তভোগীদের দিয়ে সমকামী যৌন কার্যক্রম পরিচালনা করতেন।

তিনি পঞ্চম শতকের এল-ইয়েমেনের স্বৈরাচারী নিষ্ঠুর শাসক ছিলেন। সে লবণ দেখিয়ে কম বয়সী পুরুষদের রাজ প্রাসাদে নিয়ে আসতেন। তাদের ধর্ষণ ও পায়ুপথে রতিক্রিয়া সম্পন্ন করতেন। এবং তাদের প্রাসাদের ওপর থেকে নিচে ফেলে নির্মমভাবে হত্যা করতেন। যু শেনাটিরের জীবনাবসান হয়েছিল একটি তরুণ যুবকের হাতে যার নাম ছিল যেরাশ। যু যেরাশকে প্রাসাদ এর মধ্যে নিয়ে ধর্ষণ করার চেষ্টা কালে ছুরিকাঘাতে মৃত্যুবরণ করেন।

৫. এলিস কাইটেলার একজন ভয়ঙ্কর ডাইনি যাদুকরীর নাম

Photo credit: kytelersinn.com

Photo credit: kytelersinn.com

এলিস কাইটেলার (প্রকাশ কিলকানির জাদুকরী) ছিলেন চতুর্দশ শতাব্দীতে আয়ারল্যান্ডের একজন জাদুকরী। তিনি তার প্রথম তিনজন স্বামীকে বিষ পান করিয়ে হত্যা করেন এবং সর্বশেষ স্বামী স্যার জন লি পোয়ারকে ধীরে ধীরে হত্যা করেন। এছাড়াও তিনি একটি ব্যক্তিগত প্রেতাত্মা লালন করতেন যার নাম ছিল সন অব আর্ট।

৪. গিলস ডি রাইস শয়তানবাদে আগ্রহী হয়ে ১৪০ জন শিশুকে অপহরণ ও হত্যা করেন  

Photo credit: Eloi Firmin Feron

Photo credit: Eloi Firmin Feron

গিলস ডি রাইস ছিলেন একজন ফরাসি সম্ভ্রান্ত ব্যক্তি যিনি একজন প্রশিক্ষিত সৈন্য হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন এবং নিজস্ব সফলতা ও উত্তরাধিকার সূত্রে একজন ধনাঢ্য ব্যক্তি হিসেবে পরিচিতি পেয়েছিলেন। তিনি একজন ধনীর দুলালীকে বিয়ে করেন যার নাম ছিল ক্যাথারিন ডি থোয়ার্স। তিনি গ্রেফতার হওয়ার আগ পর্যন্ত অনুগতভাবে জন অফ আর্ক এর সাথে অসংখ্য যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছেন।

এরপরে তিনি ক্ষমতা, জ্ঞান ও অধিক ধনসম্পত্তি লাভের আশায় শয়তানবাদ ও অপরাসায়নবিদ্যায় প্রচন্ড রকম আগ্রহী হয়ে পড়েন। তার শয়তানবাদে আগ্রহের কারণে, তার বিরুদ্ধে ১৪০ জন শিশুকে অপহরণ ও নৃশংস হত্যার অভিযোগ আনা হয়। ১৪৪০ সালে তাকে এর ধারাবাহিকতায় গ্রেফতার করা হয়। এরপর তাকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়। মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের আগে সে তার অপরাধ স্বীকার করে এবং সে অনুতপ্ত বোধ করে। এজন্য তাকে খ্রিস্টান ধর্ম অনুযায়ী ক্ষমা করে দেয়া হয়েছিল।

৩. পিটার স্টাবে

Photo credit: Lucas Mayer

Photo credit: Lucas Mayer

সপ্তদশ শতকে পিটার স্টাবে নামের একজন ধনী কৃষক জার্মানির বেড বার্গে বসবাস করতেন। তার সম্পত্তি এবং অবস্থান তাকে সেই শহরে অন্য নাগরিকদের কাছে প্রভাবশালী করে তুলেছিল। বেডবার্গে হঠাৎ করে বেশ কিছু মানুষ এবং গবাদিপশুকে নৃশংসভাবে কে হত্যা করা হয়। বেশিরভাগ অধিবাসী মনে করেছিল এই ঘটনাগুলো বন্য নেকড়েরা করেছে। কিন্তু যখন কিছু শিকারি এই খুনি নেকড়েকে ধরতে অভিযান শুরু করলেন তারা আবিষ্কার করলেন- এই ভয়ানক কর্মকান্ড গুলো কোন হিংস্র নেকড়ের কাজ না বরং তাদের কাছে গণ্যমান্য ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত পিটারের কাজ।

তারা এরপরেও বিশ্বাস করেছিল যে এটা কোন শয়তানের প্রতারণা হয়তো পিটার কে ফাঁসাতে এ কাজ করা হয়েছে। তারা পিটারকে নিরাপদে বাড়িতে পৌঁছে দেন।পরবর্তীতে পিটারকে গ্রেফতার করা হয়। পিটার দাবি করেন তাকে কোন শয়তান একটা বেল্ট দিয়েছে যেটা পরার পরে পিটার মানুষ থেকে ভয়ানক নেকড়ে তে রুপান্তরিত হয়।

কিন্তু বাস্তবে তার এই কথার কোন ভিত্তি নেই। তদন্ত কারীরা অধিকতর তদন্তের পর জানতে পারেন যে পিতার এ পর্যন্ত ১৬ জন মানুষকে হত্যা করেছে যাদের ১৩ জন ই শিশু। সে তাদের মাংস ভক্ষণ করেছে। পরে পিটার, তার স্ত্রী এবং কন্যাকে এই অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগে খড়ের গাদায় রেখে পুড়ে ফেলা হয়।

২. পিটার নায়ার্স শয়তানের কাছ থেকে অতিমানবীয় শক্তি লাভের জন্য ৫৪৪ জন মানুষকে নৃশংসভাবে হত্যা করেছিল

Photo credit: ranker.com

Photo credit: ranker.com

পিটার নায়ার্স ষষ্ঠদশ শতকের গোড়ার দিকে জার্মানিতে পিটার নায়ার্স নামে একজন ব্যক্তি একদল অপরাধীদের নিয়ন্ত্রণ করত এবং পরিশেষে তিনি ৫৪৪ টি হত্যা করেন। ১৫৭৭ সালে তাকে গ্রেফতার করা হয় এবং ভালো করে প্রহার করার পরে সে সেসময় ৭৫ টি হত্যার দায় স্বীকার করেন। পিটার আরো বলেন যে, সে অদৃশ্য হওয়ার কৌশল রপ্ত করেছে যার কারণে সে দীর্ঘদিন ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকতে পেরেছিল।১৫৭৭ সালে সে কারাগার থেকে জাদু শক্তির কারণে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছিল।

পরে তাকে পুনরায় ১৫৮১ সালে গ্রেফতার করা হয়। পিটারের ভাষ্যমতে, নিরাপত্তারক্ষীরা তার কাছ থেকে জাদু কার্য সম্পন্ন করার সামগ্রী সরিয়ে রাখার ফলেই তাকে ধরতে পেরেছিল। সে বিশ্বাস করত শয়তান তাকে অতি মানবীয় শক্তি প্রদান করবে আর এজন্যই একে একে সে সর্বমোট ৫৪৪ জন মানুষকে হত্যা করেন যাদের মধ্যে ২৪ জন ছিল গর্ভবতী নারী। পরে তাকে শাস্তি স্বরূপ মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়েছিল।

১. এলিজাবেথ ব্যাথরি একজন নরপিশাচ যে তরুণীদের বন্দিশালায় আটকে অমানসিক অত্যাচার,  যৌনকর্ম সম্পাদন ও রক্ত পান করত  

Photo credit: allday.com

Photo credit: allday.com

১৫৬০ সালে এলিজাবেথ ব্যাথরি নামের ছবিতে প্রদর্শিত এই নরপিশাচ জন্মগ্রহণ করেছিল ট্রানসিলভানিয়ার এক প্রভাবশালী ও সম্ভ্রান্ত পরিবারে। তার পরিবারের বেশির ভাগ সদস্য ছিল রাজা, বীর যোদ্ধা, এবং অন্যান্য উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা। তার সামাজিক শক্তিশালী অবস্থানের কারণে খুব সহজেই ইচ্ছা অনুযায়ী বন্দিশালায় কম বয়সী মেয়ে দাসী ও নিরীহ প্রজার মেয়েদেরকে আটকে রেখে নির্মম এবং নৃশংস অত্যাচার করতো যার জন্য তাকে কারো কাছে কৈফিয়ত দিতে হতো না।

তার পরিবারের বেশকিছু সদস্য বিকৃত মস্তিষ্কের ছিল যাদের কাছ থেকে এ ধরনের নোংরামী এবং হিংস্র কর্মকাণ্ডের দীক্ষা নিয়েছিল। তার একজন চাচা যে তাকে শয়তানবাদ শিখিয়েছে এবং একজন খালা যে তাকে বিকৃত মস্তিষ্কের যৌন কর্ম সাধন শিখিয়েছেন। এলিজাবেথ বন্দিশালা তে তরুণীদের সাথে অত্যাচার এবং বিধি বহির্ভূত যৌন কর্ম সাধন করতে। ১৫৭৫ সালে সে কাউন্ট নাডাডি নামের ব্যক্তির সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন।তারা যেই রাজপ্রাসাদে থাকতো সেখানে তার স্বামী তার জন্য একটা আলাদা নির্যাতনের কামরা প্রস্তুত করেছিলেন।

যে কামরাতে এলিজাবেথ নারী দাসীদের উপর বিকৃত মস্তিষ্কসম্পন্ন অপকর্মগুলো সাধন করত। এই কাজগুলো ১৬০০ সালে তার স্বামীর মৃত্যুর আগ পর্যন্ত সে চালিয়ে যেত। স্বামীর মৃত্যুর পর এলিজাবেথ তার নিজস্ব সেবিকা ও একজন স্থানীয় ডাইনি বুড়ির সাহায্যে প্রজার মেয়েদের অপহরণ করতে লাগল এবং নির্যাতনের মাত্রা বাড়িয়ে দিল। সে বিশ্বাস করত মানুষের রক্ত পান করলে সে চির যৌবনা হতে পারবে।যেহেতু তার পরিবার স্থানীয় সরকার চালাতে তারে সকল অপকর্ম আমলে নেয়া হতো না।

সে কতজনকে ঠিক হত্যা করেছে এটা সঠিকভাবে বলা সম্ভব নয়। পরবর্তীতে স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তিদের মেয়েদেরকে টার্গেট করতে গিয়ে জটিলতার সৃষ্টি হয়। তখনকার একজন রাজা ম্যাথিয়াস এলিজাবেথ কে গ্রেফতারের জন্য তার বাবা কে চাপ দেন। ফলশ্রুতিতে ১৬১১ সালে তাকে এবং তার সহযোগীকে গ্রেফতার করা হয়। সহযোগীদের ফাঁসি দেয়া হলেও তাকে দেয়া হয়নি। পড়ে থাকে অন্ধকার কারাগারে সামান্য আলো বাতাস আসে এমন গোপন কামরায় বাকি জীবন অতিবাহিত করতে হয়। ১৬১৪ সালে সে মৃত্যুবরণ করে। 

এখানে কার ভূমিকা সবচেয়ে বেশি নৃশংস অ ভয়ঙ্কর! কমেন্টে জানানোর অনুরোধ রইল। আমাদের সাথে থাকার জন্য আপনাদের অসংখ্য ধন্যবাদ...



জনপ্রিয়