সেক্স ট্যুরিজমের জন্য বিখ্যাত কম্বোডিয়া, থাইল্যান্ড, ফিলিপাইন ইত্যাদি অন্যদিকে মাদকের স্বর্গ হলো কলাম্বিয়া যেখানে পানির দরে কোকেন পাওয়া যায়।          সেক্স ট্যুরিজমের জন্য বিখ্যাত কম্বোডিয়া, থাইল্যান্ড, ফিলিপাইন ইত্যাদি অন্যদিকে মাদকের স্বর্গ হলো কলাম্বিয়া যেখানে পানির দরে কোকেন পাওয়া যায়।

৯ টি অস্বাভাবিক ভ্রমণ যা আপনার ভ্রমণ সম্পর্কে ধারণা পাল্টে দেবে!

যখন আমরা পর্যটকদের কথা ভাবি তখন আমাদের ভেতর যা আসে তা হলো- মাথায় হ্যাট পরা কিছু মানুষ গলায় ক্যামেরা ঝুলছে এবং দোতালা বাসে করে ঘুরে বেরাচ্ছেন যে বাসের ছাদ খোলা। অথবা সৈকতে বিকিনি বা ছোট কাপড় পরে উদাম গায়ে শুয়ে সুর্যস্নান করছেন। কিন্তু এর চেয়েও বেশি উদ্দেশ্য রয়েছে ভ্রমণের পেছনে যা আপাতদৃষ্টিতে সাধারণ মানুষের বোধগম্য হওয়ার কথা না। 

আমরা অনুসন্ধান করে সেটা বের করার চেষ্টা করেছি এবং আমরা জানতে পেরেছি যে, অনেক ধরণের ভ্রমন বা পর্যটন রয়েছে। এ সকল পর্যটনের উদ্দেশ্য সাধারণ পর্যটকদের মত শুধু ভ্রমণ করা না বরং অন্য কিছু। এই ধরণের পর্যটন বিতর্কিত এবং ভয়ঙ্কর। এমন ও ভ্রমণ রয়েছে যেখানে প্রতি পরতে মৃত্যু ঝুঁকি থাকে কিংবা ভয়ঙ্কর কোন অজানা অবস্থা বিরাজ করে। আজ আমরা তেমন ই কিছু ভ্রমণের বিষয়ে জানব। 

০৯. সেক্স টুরিজম বা যৌন পর্যটন- শুধুমাত্র যৌন চাহিদা মিটানোর জন্য অন্য দেশে ভ্রমণ

Tourism News Live

Tourism News Live

সেক্স টুরিজম বা যৌন পর্যটন নাম দেখে অবশ্যই আপনারা বুঝতে পারছেন। তবুও বলছি সেক্স টুরিস্ট বা যৌন পর্যটক বলতে সেসকল ভ্রমণকারী কে বোঝায় যারা অন্য কোন দেশে যৌন চাহিদা মেটাতে ভ্রমণ করেন। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই উন্নত দেশগুলোর মানুষ উন্নয়নশীল বা অনুন্নত দেশগুলোতে যৌন চাহিদা মিটানোর স্বার্থে ভ্রমণ করেন। যদিও এই ভ্রমণ বেশিরভাগ পশ্চিমা মানুষজন করে থাকেন, কিন্তু এখন চীন, জাপান, কোরিয়া, এবং তাইওয়ান থেকে প্রচুর পরিমাণে যৌন পর্যটক অনুন্নত দেশগুলোতে তাঁদের যৌন চাহিদা মেটানোর জন্য ভ্রমণ করছেন। সবচাইতে জনপ্রিয় যৌন পর্যটনের স্থান গুলো হচ্ছে কম্বোডিয়া, থাইল্যান্ড, ফিলিপাইন, জামাইকা এবং ডোমিনিকান রিপাবলিক।

অনেক দেশেই যেমন থাইল্যান্ডে অর্থনীতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ খাত হচ্ছে সেক্স টুরিজম। থাইল্যান্ডের জিডিপির ১২% সেক্স টুরিজম থেকে আসে। সেক্স টুরিজম অবশ্যই বিতর্কিত একটি ভ্রমণ পদ্ধতি। কারণ সেক্স ট্যুরিজম এর কারণ এই মানব পাচার নামক ভয়ানক অপরাধ বিভিন্ন দেশে সংঘটিত হচ্ছে। এবং এক কথায় এটা কে বেশ্যাবৃত্তি বলা যেতে পারে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই যৌনকর্মীরা ইচ্ছার বিরুদ্ধে এই পেশায় নিয়োজিত হন। এবং কারণ অনুসন্ধান করলে দেখা যায় তাদেরকে কোন কোন দেশ থেকে পাচার করা হয়েছে।

০৮. জিহাদী পর্যটন ভ্রমণ- যারা জঙ্গি কর্মকান্ডে অংশগ্রহণ করতে নিজ দেশ থেকে অন্য দেশে যান

listverse.com

listverse.com

যখন সিরিয়ায় পুরোদমে যুদ্ধ শুরু হয় এবং ইসলামিক স্টেট (আই এস আই এস) ইরাক এবং সিরিয়ার উল্লেখযোগ্য অংশের ওপর নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয়। অনেক পশ্চিমা দেশ তাঁদের নাগরিকদের একটা বিশাল অংশ জঙ্গি সংগঠন আই এস আই এর পক্ষ হয়ে যুদ্ধ করতে যাওয়ায় সংকট ময় পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়। এই ধরনের লোকদের বলা হয় জিহাদ টুরিস্ট বা জিহাদী পর্যটক। মুসলিম নাগরিকগণ যারা এ ধরনের জঙ্গি কর্মকান্ডে অংশগ্রহণের জন্য দেশত্যাগ করেছেন তাদের কাছে দেশের উদ্বেগ কিংবা দুশ্চিন্তা কোন ব্যাপারই না। মজার বিষয় হচ্ছে সকল জিহাদী পর্যটক যুদ্ধে অংশগ্রহণ করে না। তাঁদের বেশিরভাগই অন্যান্য স্বাভাবিক পর্যটকদের মতো দর্শনীয় স্থান ঘুরে দেখার জন্যই সেখানে যান। শুধুমাত্র জঙ্গিদের খেতাব কিংবা নিজেকে জঙ্গি প্রমাণ করতেই তারা সেখানে যান।

RT.com

RT.com

ওসামা বিন লাদেন ও একজন জিহাদী পর্যটক ছিলেন। আফগানিস্তানে সোভিয়েত আক্রমণের সময় তিনি মুজাহিদীনদের পক্ষে যুদ্ধ করার জন্য সৌদি আরব থেকে আফগানিস্তানে গিয়েছিলেন। মূলত মুজাহিদীনদের পদবী জিহাদী পর্যটকদের দিয়ে পূরণ করা হয়। বেশিরভাগ দেশ ই তাদের নাগরিকদের এ ধরনের কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের উদ্দেশ্যে অন্যান্য দেশে ভ্রমণ নিয়ে দীর্ঘকালীন ফলাফলের বিষয়ে অত্যন্ত সংশয়ে থাকে। এবং সেই সমস্যাটা হচ্ছে এই সকল নাগরিকদের যারা যুদ্ধ শেষে দেশে ফিরে আসবেন তাঁরা দেশীয় নীতি মেনে চলতে পারবেন কিনা? নাকি নিজ দেশে পুনরায় জঙ্গি হামলায় অংশগ্রহণ করবে।

০৭. বস্তি পর্যটন বা ভ্রমণ- মূলত দারিদ্রতার বিরুদ্ধে সচেতনতা বৃদ্ধির উদ্দ্যেশ্য কোন দেশের ঘণবসতিপূর্ণ বস্তি পরিদর্শন

Photo credit: Hannah Reyes Morales/National Geographic

Photo credit: Hannah Reyes Morales/National Geographic

বস্তি, রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতা, চরম বাস্তবতা কিংবা দারিদ্রতা সংক্রান্ত পর্যটন শুধুমাত্র সেই সকল মানুষের জন্য যারা তাঁদের কৌতুহল মেটাতে চান। বস্তি পর্যটকরা সাধারণত কোন দেশের ঘনবসতিপূর্ণ এবং দারিদ্র্যে জর্জরিত বস্তি গুলো ভ্রমণে যান শুধুমাত্র সেখানকার মানুষ গুলো কিরকম দেখতে কিংবা তাদের জীবন ধারণ কেমন সেটা অনুসন্ধান করতে। বস্তি পর্যটকদের কাছে ফিলিপাইনের ম্যানিলা, ব্রাজিলের রিও ডি জেনেরিও এবং ভারতের মুম্বাই অন্যতম আকর্ষণ।

এধরণের সমস্যায় আক্রান্ত দেশগুলোর ভ্রমণ পরিচালনাকারীরা বস্তি পর্যটকদের যথেষ্ট আনাগোনা উপলব্ধি করে বিশেষ টুর প্যাকেজ এর ব্যবস্থা করেছেন এসকল ভ্রমণ পিয়াসুদের চাহিদা মেটানোর জন্য। তবুও বস্তি পর্যটন একটি বিতর্কিত বিষয়। যেখানে এর সমর্থনকারীরা বলেছেন যে দারিদ্রতার বিরুদ্ধে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে এই পর্যটন গুরুত্বপূর্ণ। অন্যদিকে কিছু মানুষ বলেছেন যেটা শুধুমাত্র দরিদ্রদের সাথে মজা করার একটা কৌশল। অনেক বেশি মনে করে বস্তি ভ্রমণ এর সাহায্যে একটা দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন গুলো ঢাকার চেষ্টা করা হয়। এবং এতে দেশের ভাবমূর্তি অন্য দেশের কাছে ক্ষুন্ন হয়।

০৬. আত্নহত্যা পর্যটন বা ভ্রমণ- আত্নহত্যার উদ্দেশ্য কোন দেশে ভ্রমণ যেখানে আত্নহত্যা বেআইনি নয় এবং আত্নহত্যায় সাহায্য করা হয়

listverse.com

listverse.com

সহায়তায় আত্মহত্যা, মূলত কোন ব্যক্তিকে আত্মহত্যায় সাহায্য করা, যা বেশিরভাগ দেশেই বেআইনি। কিন্তু সুইজারল্যান্ডে নয়। সুইজারল্যান্ড বর্তমানে নতুন ধরনের পর্যটক পাচ্ছে যারা শুধুমাত্র সেখানে আত্মহত্যার উদ্দেশ্যে যাচ্ছেন। সুইজারল্যান্ডে আত্মহত্যায় সহায়তার জন্য আলাদা এবং বিশেষ ব্যবস্থা রয়েছে। আত্মহত্যা পর্যটন অনেকটা কারো সাহায্যে আত্মহত্যা করার মতোই বিতর্কিত। এই পর্যটনের সমর্থনকারীরা একটা নির্দিষ্ট বিন্দু থেকে এর পক্ষে কথা বলেন। তাঁরা বলেছেন যে সকল মানুষ এই কার্য সাধনে সুইজারল্যান্ডে আসেন তাঁরা আত্মহত্যার জন্যই আসেন। এবং সেচ্ছ্বায় আত্মহত্যা করতে চান। সেক্ষেত্রে তাদের সাহায্য করা কোন অপরাধ নয়? মূলত যে সকল দেশে আত্মহত্যা আইনত দণ্ডনীয় কিংবা নিষেধ সে সকল দেশের কিছু পর্যটক আত্মহত্যার উদ্দেশ্যে সুইজারল্যান্ডে ভ্রমণে যান।

০৫. গবেষণামূলক পর্যটন বা ভ্রমণ- নতুন কিছু চেষ্টা করার জন্য এ ধরণের ভ্রমণ করা হয়

listverse.com

listverse.com

গবেষণামূলক পর্যটন মূলত নতুন কিছু চেষ্টা করার উদ্দেশ্যে করা হয়ে থাকে। অন্যান্য ভ্রমণ এর ধরন গুলোর মত এমন কোন বাঁধাধরা নিয়ম নেই যা দিয়ে গবেষণামূলক পর্যটনকে সংজ্ঞায়িত করা যেতে পারে। আরে গবেষণামূলক ভ্রমণ মূলত শুধুমাত্র একটা দেশ থেকে অন্য দেশে যাওয়াকে বুঝায় না বরং নিজ দেশের যেকোন স্থানে এই ভ্রমণ করা যেতে পারে।

০৪. দুর্যোগ পর্যটন বা ভ্রমণ- কোন মানুষের তৈরি কিংবা প্রাকৃতিক দুর্যোগে আক্রান্ত এবং বিপর্যস্ত স্থান পরিদর্শন 

listverse.com

listverse.com

দুর্যোগ ভ্রমণকারী বলতে সেই সকল মানুষদের বোঝায় যারা প্রাকৃতিক কিংবা কৃত্রিম দুর্যোগে ধ্বংসপ্রাপ্ত কোন জায়গা ভ্রমণে যান। এসকল ভ্রমণকারীরা শুধুমাত্র দুর্যোগে আক্রান্ত স্থান এবং সেখানকার মানুষের দুর্ভোগ কেমন সেই কৌতূহল মেটানোর জন্য ভ্রমণ করেন। জনপ্রিয় দুর্যোগ ভ্রমণের আকর্ষণগুলো ছিল আমেরিকার পার্ল হারবার, যেটা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জাপানের সেনাবাহিনীর বোমার আঘাতে ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল, এবং পেনসিলভানিয়ার গেটিসবার্গ যা আমেরিকার গৃহযুদ্ধে মারাত্মক রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছিল।

Pearl Harbor Tours

Pearl Harbor Tours

মাত্র ৩ দিনে ৫০,০০০ এর মতো মানুষ সেখানে হতাহত হয়েছিলেন। অন্যান্য কিছু দুর্যোগ পর্যটনের আকর্ষণ ছিল আমেরিকার সে সকল জায়গায় যেখানে আব্রাহাম লিংকন এবং মার্টিন লুথার কিং কে হত্যা করা হয়েছিল। আমেরিকার বাহিরে হিরোশিমা, পম্পেই, এবং নাৎসিদের পরিচালিত বন্দী শিবির এসকল স্থান ছিল দুর্যোগ পর্যটকদের কাছে অন্যতম আকর্ষণীয় স্থান।ভারতের ভোপালের গ্যাস বিস্ফোরণ, মায়ানমারের রোহিঙ্গা নিধন, বাংলাদেরশের রোহিঙ্গা সঙ্কট এসকল বিষয় ও দুর্যোগ ভ্রমণের অন্যতম আকর্ষণ।

০৩. বন্দুক পর্যটন- বন্ধুক ব্যবহারের স্বাদ নিতে বিশেষকরে আমেরিকায় ভ্রমণ

listverse.com

listverse.com

আমেরিকার মতো সব দেশ তাদের নাগরিকদের নিজস্ব বন্দুক কিংবা স্নাইপার রাইফেল ব্যবহার করার অনুমতি দেয় না। কিছু দেশে একটা পিস্তলের মালিকানা অর্জন ধরতে গেলে অসম্ভব। অস্ট্রেলিয়া, এশিয়া এবং ইউরোপের বিভিন্ন দেশের অনেক নাগরিকদের কাছে বন্দুকের প্রতি রোমাঞ্চকর কৌতুহল থাকে। অর্থাৎ তারা বন্দুকের মালিকানা না পেলেও বন্দুক একবার ধরে দেখার জন্য এবং সেটা দিয়ে ফায়ার করার অভিজ্ঞতা অর্জনের জন্য আমেরিকাতে ভ্রমণ করেন। আমেরিকাতে অসংখ্য শুটিং রেঞ্জ রয়েছে যেখানে পর্যটকরা গিয়ে উন্নত পিস্তল কিংবা বন্দুক দিয়ে বাস্তবে গুলি করার অভিজ্ঞতা লাভ করতে পারেন। এক্ষেত্রে আমেরিকার হাওয়াই এবং লাস ভেগাস অন্যতম জনপ্রিয় বন্দুক ভ্রমণের স্থান হিসেবে এ ধরনের পর্যটকদের কাছে সুপরিচিত।

০২. পারমাণবিক পর্যটন- পারমাণবিক বোমা ও এর ভয়াবহতা স্বচক্ষে দেখআর উদ্দেশ্যে ভ্রমণ

Photo credit: Danapit

Photo credit: Danapit

পারমাণবিক ভ্রমণ মূলত যে সকল স্থানে পারমানবিক বোমা তৈরি করা হয় কিংবা রাখা হয় সেখানে ভ্রমণ করাকে বোঝায়। পৃথিবীর অনেক দেশেরই পারমাণবিক বোমা নেই। যার জন্য সে সকল দেশের মানুষ পারমাণবিক বোমার ব্যাপারে বেশ কৌতুহলী থাকে। এছাড়া যে সকল দেশের ইতিমধ্যে পারমাণবিক বোমা রয়েছে তাদের জনগণ ও এ বিষয়ে যথেষ্ট কৌতুহলী। যাই হোক এই কৌতূহল মেটানোর জন্য অন্যতম জনপ্রিয় হল আমেরিকার টাইটান মিসাইল মিউজিয়াম যা আরিজোনার টাক্সোন নামের স্থানে অবস্থিত। এই মিউজিয়ামে মূলত পারমাণবিক বোমা সংরক্ষণ করা হয়। আমেরিকা আরো কিছু এমন জায়গা রয়েছে যেখানে পারমাণবিক পর্যটক গণ বেড়াতে যান। তবে আমেরিকার বাহিরে জাপানের নাগাসাকি পারমানবিক বোমা জাদুঘর এবং হিরোশিমা পিস সাইট যথেষ্ট জনপ্রিয়। সেখানে যান দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ভয়াবহতা সম্পর্কে সামান্য জ্ঞান অর্জনের জন্য।

০১. ড্রাগ ট্যুরিজম বা মাদক পর্যটন- মাদকের সহজলভ্য দেশে মাদক সেবনের উদ্দেশ্য ভ্রমণ

Euronews

Euronews

ড্রাগ ট্যুরিজম বা মাদক পর্যটন বলতে মূলত এক দেশ থেকে অন্য এমন কোন দেশে যাওয়া যেখানে মাদকের সহজলভ্যতা রয়েছে এবং ব্যবহারের উপর আইনি বাধা নিষেধ নাই বললেই চলে। কলাম্বিয়ায় মাদক শিল্প সবচাইতে বেশি জনপ্রিয়। এজন্য পশ্চিমা এবং অস্ট্রেলিয়ার পর্যটকগণ প্রায়ই কলম্বিয়াতে ভ্রমণ করেন যে ভ্রমণের উদ্দেশ্যে শুধুমাত্র কোকেন ক্রয় এবং তা সেবন করা। পশ্চিমা দেশগুলোর তুলনায় কলম্বিয়ায় কোকেন পানির মত সস্তা এজন্য এই শিল্প সেখানে হুর হুর করে বেড়েই চলেছে।

অস্ট্রেলিয়াতে ১ গ্রাম কোকেন বিক্রি হয় ৩০০ ডলারে। এবং কলম্বিয়াতে এই ১ গ্রাম কোকেনের দাম সর্বনিম্ন ৭ ডলার থেকে সর্বোচ্চ ১৫ ডলার পর্যন্ত হতে পারে। রং কলম্বিয়াতে কোকেন ক্রয় একদমই সহজ কারণ সেখানে হকারদের মত রাস্তায় ঘুরে ঘুরে কোকেন বিক্রি করা হয়। সে দেশে যে আইন নেতা নয় দৈনিক ফাঁক ফোকর এত বেশি যে কোকেন ব্যবসায়ীরা খুব সহজেই সামান্য ঘুষ দিয়ে নিশ্চিন্তে তাদের ব্যবসা পরিচালনা করে। আমাদের আয়োজন ভালো লাগলে লাইক, কমেন্ট ও বেশি বেশি শেয়ার দিয়ে সাথেই থাকুন। 



জনপ্রিয়