জাহাজ ডাকাতি যাদের বা হাতের খেল....        জাহাজ ডাকাতি যাদের বা হাতের খেল....

সোমালি জলদস্যুদের সম্পর্কে অবাক করা ১০টি অজানা ও আশ্চর্যজনক ঘটনা

Listverse

Listverse

সোমালিয়ার উপকূলে এবং এডেন উপসাগরে জাহাজ ডাকাতি প্রবেশ এর জন্যই একটা অন্যতম বড় সমস্যা। এই সমস্যার মূলে রয়েছে সোমালি জলদস্যুরা। বর্তমানে অনেক নেভি জাহাজ নিয়মিত ঝুঁকিপূর্ণ এই অঞ্চলগুলোতে তাদের পাহারা জারি রেখেছেন। কিন্তু তাতে কি? সোমালিয়ান জলদস্যুদের ডাকাতি করতে অভিযানের ফাঁকে সামান্য সুযোগ পেলেই যথেষ্ট। এবার একবার তারা কোন জাহাজ ডাকাতি করে ফেললে জাহাজ তখনই ছাড়েন যখন তারা মোটা অংকের লক্ষ লক্ষ কোটি ডলার মুক্তিপণ হিসেবে পাবেন। আমরা এই জলদস্যুদের সম্পর্কে অত বেশি কিছু জানি না। সবাই শুধু এটাই জানি যে সোমালি জলদস্যুরা সমুদ্রে জাহাজ ডাকাতি করে। চলুন আজ জানা যাক তাদের সম্পর্কে ১০ টি অতি অজানা ও আশ্চর্যজনক সত্য।

১০. তারা তাদের গাড়ি মেরামত করতে পছন্দ করে না

Photo credit: bestsellingcars.wordpress.com

Photo credit: bestsellingcars.wordpress.com

সোমালিয়াতে জলদস্যুরাই সবচাইতে বৃহৎ খরচকারি। তারা এত বেশি পরিমাণ অর্থ অনর্থক খরচ করে যেটা তারা যে জন্য জাহাজ ডাকাতি করে ভাগ্য বদলাতে চাই তার সাথে সাংঘর্ষিক। অর্থাৎ তারা জাহাজ ডাকাতি করে বড়লোক হয় আবার সেগুলো উড়িয়ে দিয়ে আগের দরিদ্র অবস্থায় ফিরে যায়। সম্প্রতি জলদস্যুদের প্রধান অভিযোগ করেন যে তারা এক মিলিয়ন ডলার চোখের পলকে খরচ করে ফেলেন। মুক্তিপণের টাকা ভাগ হয়ে যাওয়ার পর জলদস্যুদের নেতারা সেগুলো গাড়ি নারী পার্টি মদ ইত্যাদির পেছনে উড়িয়ে দেন।

এদের মধ্যে যারা একটু চালাক তারা বড় বড় ঘর নির্মাণে এই অর্থ খরচ করেন তবুও তারা ও অন্যদের মতোই অর্থ এ সকল কাজে অপচয় করেন। তারা সবচাইতে ভালোবাসে টয়োটা ল্যান্ডক্রুজার গাড়িটি। এবং সেখানে একটা ল্যান্ড চার্জারের দাম ৩০ হাজার ডলার। অন্যদিকে সোমালিয়াতে জ্বালানি অনেক বেশি ব্যয়বহুল হওয়ায় তারা আরও ৩০ হাজার ডলার গাড়ির জ্বালানি হিসেবে খরচ করেন। যাইহোক সোমালিয়াতে জলদস্যুরা অত্যন্ত শ্রদ্ধাভাজন ধরতে গেলে তারা জাতীয় বীর। এবং সবচেয়ে দ্রুততম উপায় তারা তাদের সম্মান হারাতে পারে যদি তারা কোন ভাঙ্গাচুরা গাড়ি ব্যবহার করেন। মজার বিষয় হচ্ছে সামান্য আচড় লাগলে ও তার একটা নতুন গাড়ি কিনে ফেলে।

০৯. জলদস্যুদের নিজস্ব স্টক এক্সচেঞ্জ রয়েছে যেখানে বিনিয়োগকারীরা জাহাজ হাইজ্যাকের জন্য শেয়ার ক্রয় করে বিনিয়োগ করে

Photo credit: popsci.com

Photo credit: popsci.com

জলদস্যুরা সব সময় নিশ্চিত নয় যে তারা কোনো জাহাজ খুঁজবে এবং সেটা তারা হাইজ্যাক করবে। যখন তারা কোন একটা পেয়ে যায় তারা ইতিবাচক থাকে না যে তারা সে জাহাজটাকে ঠিকঠাক হাইজাক করতে পারবে কিনা সে বিষয়ে? যেহেতু তারা এটা জানে সে জন্যই এই প্রস্তুতির জন্য তাদের অনেক বড় অংকের অর্থ খরচ হতে পারে তাই আগে থেকেই তারা এই খরচের অর্থায়নের উৎস নিশ্চিত করে রাখে। সোমালী এরকম অসংখ্য মানুষ রয়েছে যারা জলদস্যুদের পেছনে অর্থ বিনিয়োগ করে জাহাজ ডাকাতির জন্য। স্টক এক্সচেঞ্জ সুপরিচালিত হয় ৭২ টি জলদস্যুদের গ্রুপের সাহায্যে। এখানে  শেয়ার বলতে শুধুমাত্র অর্থকেই বোঝায় না শেয়ারের বিপরীতে অর্থের বিকল্প হিসেবে এ কে-৪৭ রাইফেল এবং রকেটচালিত গ্রেনেড ও বিনিয়োগ করা যায়।

০৮. জলদস্যুরা মুক্তিপণের অনেক বেশি পায় না!

Photo credit: reuters.com

Photo credit: reuters.com

মূলত যারা একেবারেই নিম্ন স্থলের জলদস্যু রয়েছে অর্থাৎ যাদের মাধ্যমে জাহাজ হাইজ্যাক করানো হয় তারা এত বড় ঝুঁকি নেয়া সত্বেও বিশাল মুক্তিপণের মাত্র ৩০ থেকে ৭৫ হাজার ডলার পেয়ে থাকে। জলদস্যু যারা নিজস্ব বন্দুক এবং বৈঠা নিয়ে আসে তারা অতিরিক্ত ১০ হাজার ডলার পায়। এক্ষেত্রে সব চাইতে বেশি লাভ হয় যারা স্টক এক্সচেঞ্জ থেকে সোমালিয়ান জলদস্যুদের শেয়ার ক্রয় করে। উনারা গ্রহণ করার পরেই বাকি টাকা থেকেই অন্যদের টাকা দেয়া হয়।

০৭. তারা যুদ্ধজাহাজ ও হাইজ্যাক করতে চেষ্টা করেছিলেন!

Photo credit: businessinsider.de

Photo credit: businessinsider.de

মজার বিষয় হচ্ছে জলদস্যুদের কাছে শুধুমাত্র একে-৪৭ রাইফেল ছিল যেটা দিয়ে সুসজ্জিত সামরিক যুদ্ধ জাহাজের সাথে কোনভাবেই পেরে ওঠার কথা না। এবং আরো জেনে অবাক হবেন যে জাহাজটা তাঁরা ডাকাতির প্রচেষ্টা গ্রহণ করেছিল সেই জাহাজটা তাদেরকে ধরার জন্য সেখানে নিয়োজিত ছিল। আসলে এটা ভুলবশত তাঁরা না বুঝেই করতে গিয়েছিল। তারা রাতের অন্ধকারে দূর থেকে যুদ্ধ জাহাজকে বাণিজ্যিক পণ্য পরিবাহী জাহাজ হিসেবে চিহ্নিত করেছিল। ২০১০ সালে রাতের অন্ধকারে তারা এ রকমই একটি জাহাজের কাছাকাছি পৌঁছে গুলি চালাতে শুরু করে। কিন্তু একটু পরে তারা বুঝতে পারল যে আসলে যে জাহাজটা তারা হাইজ্যাক করার প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে সেটা কোন পণ্য পরিবাহী জাহাজ নয়। বরং সেটা ছিল আমেরিকার একটি যুদ্ধজাহাজ।

ইউ এস এস অ্যাসল্যান্ড নামের সেই জাহাজটি থেকে সাথে সাথেই ভারী অস্ত্র দিয়ে গুলি করা শুরু হলে তারা সেখান থেকে পালিয়ে যায় এবং সেই ঘটনায় এক জলদস্যু নিহত হয়েছিল অন্যদেরকে আটক করা হয়েছিল। আবারো ২০১০ সালে তারা যুক্তরাষ্ট্রের আরেকটি যুদ্ধজাহাজ ইউএসএস নিকোলাসকে পণ্যবাহী জাহাজ ভেবে হাইজ্যাক করতে চাই। তারা সেখানে ফায়ার করার সাথে সাথে যুদ্ধ বাহী জাহাজ থেকে পাল্টা ফায়ার শুরু হয়। এম আই ঘটনার পর পরই তারা সেখান থেকে ঘটনা বুঝে পালিয়ে যেতে চেয়েছিল। কিন্তু বেশি দূর যাওয়ার আগেই তাদের পাঁচজনকে আটক করা হয়।

০৬. তারা কিভাবে জাহাজ ডাকাতি করে?

Photo credit: The Telegraph

Photo credit: The Telegraph

তারা স্টক এক্সচেঞ্জের মাধ্যমে অর্থের যোগান নিশ্চিত করার পর ১২ জন জলদস্যু বিশিষ্ট দুটি আলাদা টিমে বিভক্ত হয়ে পড়ে। সেখানে টিম- এ দুইটা ডিঙি নৌকা নিয়ে হাইজ্যাক করার উপযোগী জাহাজ খুঁজতে থাকে। যখন তার একটা খুঁজে পায় তারা কাছাকাছি অবস্থায় অন্ধকারে ঘাপটি মেরে অবস্থান করতে থাকে ততক্ষণ পর্যন্ত যতক্ষণ না তারা তাদের অস্ত্র প্রস্তুত করে গুলি ছোড়ার কাজ শুরু করতে পারছে। এরপর তারা জাহাজ হাইজ্যাক করে সোমালি উপকূলের দিকে নিয়ে যায়। টিম-এ'র কাজ সেখানে শেষ হয়ে যায় এবং তারা জাহাজকে তাদের যথারীতি স্থানে নো মোর করানোর পর টিম-বি'র কাছে দায়িত্ব অর্পণ করে। এরপর টিমে শুরু করে রফাদফা জাহাজের প্রতিষ্ঠানের সাথে। অন্যদিকে টিম-বি জাহাজ গার্ড দিতে থাকে।

The Guardian

The Guardian

০৫. কিভাবে রফাদফা হয়?

Photo credit: time.com

Photo credit: time.com

জাহাজ তাদের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে আসার পরে তারা মালিক পক্ষের সাথে যোগাযোগ স্থাপনের কাজ শুরু করে। এবং এই তথ্যটা মূলত জাহাজে থাকা কোন ব্যক্তির মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানের কাছে পাঠানো হয় তেমন কোন ব্যক্তি যাকে প্রতিষ্ঠান বিশ্বাসযোগ্য মনে করে। এই রফাদফা করতে গিয়ে জলদস্যুদের যথেষ্ট চাপের ভেতর দিয়ে যেতে হয়। এর কারণ হচ্ছে তাদের নিশ্চিত করতে হয় একটা ভালো মুক্তিপণ যেখানে জাহাজ মালিকরা সেটা কমানোর চেষ্টা করে। জলদস্যুরা কোন জাহাজ দীর্ঘকালের জন্য আটকে রাখতে মোটেও পছন্দ করে না অন্যদিকে কোম্পানিগুলোর ও তাদের ব্যবসা পরিচালনার জন্য জাহাজ যথাসময়ে ফিরে পেতে চায়। এবং এ জন্য একটা মধ্যপন্থা অবলম্বন করা হয়।

newswirengr.com

newswirengr.com

জলদস্যুদের আরো কিছু শর্তের মধ্যে থাকে যেই ডলারে তারা তাদের মুক্তিপণ গ্রহণ করবে তা অবশ্যই ২০০০ সালের পরে ছাপানো হতে হবে। এবং নোটগুলো ৫০ কিংবা ১০০ ডলারের হতে হবে। বেশিরভাগ শিপিং কোম্পানি গুলো ই এ ধরনের সমস্যা এড়ানোর জন্য বীমা করে থাকে। এবং এরপর জাহাজ কোম্পানিগুলো তাদের বীমাকারী কে বিষয়টা সম্পর্কে অবহিত করে। এবং বীমা কোম্পানি একটা রেসপন্স কোম্পানিকে কাজটা দিয়ে দেয়। এ রেসপন্স কোম্পানির কাজ থাকে মূলত জলদস্যুদের সাথে যোগাযোগ স্থাপন করা এবং মুক্তিপণের বিষয়ে রফাদফা করা। এরপরই একটা চুক্তিতে পৌঁছানো হয় যার মাধ্যমে একটা প্রাইভেট নিরাপত্তা সরবরাহকারী কোম্পানির মুক্তিপণ পৌঁছে দেয়া হয়। এবং এই পুরো প্রক্রিয়াটা চলাকালীন সময়ে জাহাজ কোম্পানি তাদের উকিলের সাথে যোগাযোগ চালু রাখেন।

PIXIMUS

PIXIMUS

এটা নিশ্চিত করার জন্য যে জলদস্যুরা চুক্তির কোন আইন ভাঙছে না। উকিলদের কে তাদের কাজের জন্য ৩ লাখ ডলার ভাত আর কিছু কম-বেশি দেয়া হয়। রেসপন্স কোম্পানিকে দেয়া হয় ১ লাখ ডলার। ও সবকিছু মিলিয়ে একটা জাহাজ ফিরে পেতে মুক্তিপণের পাশাপাশি ও ১ মিলিয়ন ডলার খরচ করতে হয়। শিপিং কোম্পানি গুলো মূলত এই মুক্তিপণের টাকা টা পরবর্তীতে ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির কাছ থেকে ক্ষতিপূরণ হিসেবে পেয়ে থাকেন। যাইহোক মুক্তিপণের টাকা পাওয়া মাত্রই তারা জাহাজ ছেড়ে দেয় না বরং তারা এটা নিশ্চিত করে যে যতগুলো ডলার তাদের দেয়া হয়েছে সবগুলো ঠিক আছে এবং কোন ধরনের ছলচাতুরি নেই।

০৪. তারা মূলত যাত্রা শুরু করেছিল সোমালিয়ার সমুদ্র রক্ষার জন্য

Photo credit: time.com

Photo credit: time.com

আপনারা জেনে অবাক হতে পারেন যে সোমালি জলদস্যুরা শুরুর দিকে জলদস্যু হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে নি। ১৯৯১ সালে সমালি সরকার পতনের পর বিদেশি মাছ ধরার ট্রলার অবাধে সমালি সমুদ্র অঞ্চলে মাছ ধরতে শুরু করে। এর ফলে সোমালিয়ার গরিব জেলেদের অনেক সমস্যা শুরু হতে লাগলো। তাদের ছোট নৌকা এবং দরিদ্র মাছ ধরার সামগ্রী নিয়ে তাদের মৎস্য আহরণ অনেকাংশেই কমে গিয়েছিল। এবং এমনকি প্রায়ই বিদেশি জাহাজ থেকে সোমালিয়ার জেলেদের গুলি করে মেরে ফেলা হতো। 

একই সময়ে অন্যান্য বিদেশি জাহাজ সোমালি সমুদ্র অঞ্চল গুলোতে ভয়ানক পারমাণবিক বর্জ্য ফেলতে শুরু করলো। এর ফলে উপকূলীয় গ্রামগুলোতে মারাত্মক স্বাস্থ্য সমস্যা তৈরি হচ্ছিল। জেলেরা জেগে উঠলো এবং ন্যাশনাল ভলান্টিয়ার কোস্টগার্ড অফ সোমালিয়া এবং সোমালি মেরিন্স নামে বাহিনী গড়ে তুলেছিল সোমালি জলসীমানা রক্ষা করার জন্য। এবং এর পর থেকে সেখানে বিদেশি মাছ ধরার নৌকা তার আটক করতে লাগল এবং সেগুলো মুক্তিপণের বিনিময়ে ছেড়ে দিতে লাগল। যখন তারা বুঝতে পারল এটা একটা ভাল ব্যবসা তখন তারা বিদেশি নৌকা ধরা বাদ দিয়ে বিশাল বিশাল পণ্যবাহী জাহাজ হাইজ্যাক করতে লাগলো।

০৩. তারা অবৈধ মাছ ধরার ট্রলারের নিরাপত্তা দেয়

Photo credit: The Telegraph

Photo credit: The Telegraph

বর্তমান সময় গুলোতে সোমালি জলদস্যুরা অবৈধ মাছ ধরার ট্রলারকে যত খুশি তত মাছ ধরার সুযোগ দেয়। বিনিময়ে তারা সুরক্ষা অর্থ গ্রহণ করে। ২০১২ সালের দিকে সোমালি জলদস্যুরা এই নতুন ব্যবসা শুরু করে যখন থেকে বড় বড় পণ্যবাহী জাহাজ গুলো নিজস্ব অস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা চালু করেছে। যে তোমার ধরার ট্রলার গুলো চাঁদা দিয়ে মাছ ধরে। এ জন্য তারাও এটা নিশ্চিত করে যত বেশি মাছ ধরা যায়। ঘুম বেশি মাছ ধরতে গিয়ে তারা অবৈধ পন্থা অবলম্বন করে। অর্থাৎ অবৈধ জাল প্রায়ই তারা ব্যবহার করে। যার ফলে মাছেদের ভারসাম্য খুব সহজেই নষ্ট হতে পারে।বিশেষ করে বেশি খারাপ হচ্ছে ইরান, সাউথ কোরিয়া এবং থাইল্যান্ডের মাছ ধরার ট্রলার গুলো যারা মোটেও সামুদ্রিক বৈচিত্রের তোয়াক্কা করে না। 

০২. তারা কখনোই তাদের দেশের প্রভাবশালী মালিকানাধীন জাহাজ হাইজ্যাক করে না

Photo credit: The Guardian

Photo credit: The Guardian

তারা জাহাজ হাইজ্যাক করার সময় এটা খেয়াল রাখে যে সেই জাহাজ যাতে কোনভাবেই তাদেরই কোনো প্রভাবশালী ব্যক্তি বর্গের না হয়। আর যদি তারা এমনটা করে তাহলে তাদের যথেষ্ট ঝামেলায় পড়তে হয়।

০১. বীমা কোম্পানিগুলো জলদস্যুদের চেয়েও বেশি টাকা কামায়

Photo credit: boardofinnovation.com

Photo credit: boardofinnovation.com

জাহাজ ডাকাতির ক্ষেত্রে শুধুমাত্র সোমালি জলদস্যুরাই লাভবান হয় না। সবচাইতে বেশি লাভ হয় বীমা কোম্পানিগুলোর। জলদস্যুরা সারাবছর মিলে যত টাকা উপার্জন করে তাদের চেয়ে দশ গুণ টাকা বীমা কোম্পানিগুলো লাভ করে। সোমালি জলদস্যুদের এই ডাকাতি একটা ৭ থেকে ১২ বিলিয়ন ডলারের বাৎসরিক ব্যবসা। শুধুমাত্র ২০১০ সালে এটা ৯ বিলিয়ন ডলারের ব্যবসা ছিল। আপনার শুনলে অবাক লাগতে পারে এই পুরো টাকার মাত্র ২ শতাংশের ও কম টাকা সোমালি জলদস্যুরা পেয়েছিল। আমাদের আয়োজন ভালো লাগলে বেশি বেশি লাইক, কমেন্ট ও শেয়ার দিয়ে সাথেই থাকুন। 



জনপ্রিয়