স্টিভ জবস নিজের বন্ধুর সাথে বেঈমানি করেছিল সামান্য টাকার জন্য!!! স্টিভ জবস নিজের বন্ধুর সাথে বেঈমানি করেছিল সামান্য টাকার জন্য!!!

বিখ্যাত ০৮ জন ব্যক্তির চরিত্রের অন্ধকার দিক অবশেষে উন্মোচিত হল!

যত বিখ্যাত লোকের কথাই আমরা বলি না কেন প্রত্যকের  ই ত্রুটি বা অন্ধকার দিক রয়েছে। কোন মানুষ ই পরিপূর্ণ নয়। প্রত্যেকের ই কোন না কোন খারাপ দিক থাকে হয়ত বেশি বা কম। আজ আমরা ৮ জন বিখ্যাত ব্যক্তির চরিত্রের খারাপ দিক সম্পর্কে একটি অনুসন্ধানমূলক প্রতিবেদন আপনাদের কাছে তুলে ধরলাম। 

০৮. আব্রাহাম লিঙ্কন মৃত ছেলের আত্নার সাথে কথা বলতে তন্ত্রের ব্যবস্থা করেছিলেন

Internet

Internet

আব্রাম লিংকনকে পৃথিবী জনপ্রিয় নেতাদের মধ্যে অন্যতম হিসেবে বিবেচনা করা হয়। কারণ তিনি যুক্তরাষ্ট্রের গৃহযুদ্ধের সময় দেশ পরিচালনা করেছিলেন। পাশাপাশি দাসত্বের প্রথা দূর করতে তার অবদান অনস্বীকার্য। একজন এত বড় যুক্তি সম্পন্ন ব্যক্তি ও সত্বেও তিনি যথেষ্ট হতাশাগ্রস্ত ছিলেন এবং ভয়ংকর মৃত্যু এবং আত্মহত্যার দুঃস্বপ্নে জর্জরিত ছিলেন। তিনি এবং তার স্ত্রী তাদের সন্তান বিয়োগে ধরতে গেলে পাগল হয়ে গিয়েছিলেন। এবং এজন্য তিনি হোয়াইট হাউসের ভেতরেই তার মৃত সন্তানের আত্মার সাথে কথা বলার জন্য তন্ত্র-মন্ত্রের ব্যবস্থা করেছিলেন।

০৭. জন এফ কেনেডি নিত্য নতুন মেয়েদের সাথে পরকীয়ায় আসক্ত ছিলেন 

Internet

Internet

জন এফ কেনেডিকে যুক্তরাষ্ট্রের একজন রকস্টার রাষ্ট্রপতি বললে ভুল হবে না। তা সুদর্শন চেহারা এবং মাধুর্যতা দিয়ে তিনি সহজেই যে কোন মেয়েকে পটাতে পারতেন। এ বিষয়ে অনেক লোকজনই জানতেন যে তিনি একজন পাক্কা নারী শিকারি। এরকম অনেক গল্প প্রচলিত রয়েছে যে তিনি প্রতিদিনই একটা করে নারী ভোগ করতেন।

অনেকে সেটাও ধরে নিয়েছিল তার স্ত্রী এসব বিষয়ে অভ্যস্ত হয়ে গেছেন এবং এটা তার কাছে কোন ব্যাপারই না। আবার অনেক লোকজন বিশ্বাস করতেন তার স্ত্রী তার এসব কুকর্মে যথেষ্ট মর্মাহত ছিলেন। এবং পরকীয়া সম্পর্কের জের ধরে তিনি তার স্ত্রীকে তালাক দিতে চেয়েছিলেন। তালাক দেয়ার জন্য তিনি তার বাবাকে দিয়ে এক মিলিয়ন ডলারের ক্ষতিপূরণ ব্যবস্থা করেছিলেন।

০৬. বেঞ্জামিন ফ্রাঙ্কলিন সামান্য বিষয়ে মানুষের সর্বনাশ করতেন 

Internet

Internet

বেঞ্জামিন ফ্রাঙ্কলিন কে আমেরিকার বিপ্লবের জনকদের মধ্যে অন্যতম বলা হয়ে থাকে। তিনি মূলত একজন কূটনৈতিক হিসেবে কাজ করতেন। তিনি অনেক গুরুত্বপূর্ণ কিছু জিনিসের আবিষ্কারক পাশাপাশি কিছু ধারণার জনক ও বটে। যাইহোক একদিকে যেমন তাঁর সুবুদ্ধির জন্য যথেষ্ট খ্যাত ছিলেন অন্যদিকে মানুষ হিসেবে তিনি ততটা ভালো ছিলেন না। তিনি খুব কটুক্তি এবং অপমানজনক ভাষায় বিভিন্ন প্রতিদ্বন্দ্বী ব্যক্তিবর্গের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রচার করতেন। অনেকটা সর্বনাশ এর জন্যই তিনি এই কাজগুলো করতেন।

০৫. মার্গারেট সেঙ্গার ছিলেন একজন সুপ্রজনন ধারণার নেতৃত্বদানকারী 

Internet

Internet

যদিও মার্গারেট সেঙ্গারকে আমেরিকার বর্তমান পরিকল্পিত পিতৃত্বের জন্য বাহবা দেয়া হয়। কিন্তু তার জন্ম নিয়ন্ত্রণের সাথে সংশ্লিষ্ট কার্যক্রমের পেছনে ভয়ানক সত্য লুকিয়ে আছে। সিঙ্গার নিজে একজন সুপ্রজননবিদ্যা অনেক বড় সমর্থক ছিলেন। সুপ্রজননবিদ্যা বলতে বোঝায় শুধুমাত্র স্বাস্থ্যবান এবং যোগ্যরাই পৃথিবীতে আসবে অন্যদের আসার কোনো অধিকার নেই তাদেরকে অঙ্কুরে বিনষ্ট করতে হবে। তার স্থাপিত প্রথম জন্মনিয়ন্ত্রণের চিকিৎসালয় পর্দার আড়ালে এমনটাই করা হতো।

০৪. স্টিভ জবস নিজের বন্ধুর সাথে বেঈমানি করেছিল সামান্য টাকার জন্য

Photo credit: Steve Jurvetson

Photo credit: Steve Jurvetson

অ্যাপলের প্রতিষ্ঠাতা স্টিভ জবসকে আমরা সবাই চিনি। তার প্রদত্ত অনুপ্রেরণামূলক বক্তব্য অনেকে শুনেছে। কিন্তু তার চরিত্রের অন্ধকার দিক আমরা অনেকেই জানিনা। আপনারা জেনে অবাক হবেন অ্যাপলের বিদ্যমান নীতি অনুযায়ী কোন ধরনের দাতব্য প্রতিষ্ঠানে অনুদান কখনোই দেয়া হবে না ও শুধুমাত্র যত বেশি সম্ভব অর্থ উপার্জনই হবে মূল লক্ষ্য।

তিনি তার প্রকৌশলী দের দ্বারা সকল ধরনের কাজ করে নিতেন এবং তার বাহবা নিজেই নিতেন। তেরে দার সবচাইতে ঘনিষ্ঠ বন্ধু স্টিভ ওজনিয়াক এর সাথে চরম প্রতারণা করেছেন। যখন তারা প্রথম একসাথে কাজ করছিলেন সেখান থেকে অর্থ চুরি করেছিলেন। যদিও সেই অর্থ অনেক বেশি না কিন্তু তিনি তার বন্ধুর সাথে তো ঠিকই প্রতারণা করেছিলেন।

০২. উইলিয়াম ফোর্ড একজন নাৎসি সমর্থক ছিলেন

Photo credit: Hartsook

Photo credit: Hartsook

ফোর্ড কোম্পানি প্রতিষ্ঠাতা হেনরি ফোর্ডকে আমরা সবাই চিনি। আপনি জেনে অবাক হবেন তিনি একজন নাৎসী সমর্থক ছিলেন। অর্থাৎ নাৎসী বাহিনীর বর্বরতাকে পরোক্ষভাবে তিনি সমর্থন দিয়েছিলেন।

০১. কার্নেগী ছিলেন মানবপ্রেমীর আড়ালে এক ভয়ানক শোষণকারী 

Internet

Internet

যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে কার্নেগী হল, কার্নেগী মেলন, কার্নেগী ইনস্টিটিউট এসব ছাড়াও বিভিন্ন লাইব্রেরীতে এবং কনসার্ট হলে তার নাম আপনি খুঁজে পাবেন। আমি বলছিলাম এন্ড্রু কার্নেগির কথা। অধিকাংশ লোকই অ্যান্ড্রু কার্নেগিকে একজন বিশ্ব প্রেমিক হিসেবে মনে করেন। কিন্তু অনেকেই জানেন না যে, অ্যান্ড্রু কার্নেগি ব্যাপকভাবে শ্রমিক শোষণের মাধ্যমে তার ভাগ্য বদলিয়েছেন। সোজা কোথায় অর্থের পাহাড় গড়েছিলেন। আপনার আরও অবাক লাগতে পারে এটা জেনে যে, তিনি তার আর্মি বাহিনী দিয়ে লোকজনকে বাধ্য করতো অল্প বেতনে কাজ করতে।

কার্নেগী বিভিন্ন ওয়ার্ক ক্যাম্প চালাতেন যেখানে শ্রমিকদের পুরো পরিবার এবং প্রজন্ম তার আর্মিদের কাছে জিম্মি ছিল। শুধুমাত্র তার কথা অনুযায়ী কাজ করতে হতো। এবং এজন্যই তার ভাগ্য ধীরে ধীরে সুপ্রসন্ন হতে থাকে। জীবনের শেষ বয়সে গিয়ে সে তার পাপ মোচনের জন্য বিভিন্ন দাতব্য সংস্থায় অসংখ্য দান করতে লাগলেন যেখানে যাদের দিয়ে তিনি এ সকল কাজ করেছিলেন তারা তখন ও দাস হিসেবেই রয়ে গিয়েছিল।

আমাদের আয়োজন ভালো লাগলে বেশি বেশি লাইক, কমেন্ট ও শেয়ার দিয়ে সাথেই থাকুন। 



জনপ্রিয়