যেসব দরকারী কথা নিজের চেয়ে ছোট কাউকে অবশ্যই বলবেন!  যেসব দরকারী কথা নিজের চেয়ে ছোট কাউকে অবশ্যই বলবেন!

যেসব দরকারী কথা নিজের চেয়ে ছোট কাউকে অবশ্যই বলবেন!

সম্ভবত, জীবনে অন্তত একবার হলেও বেশিরভাগ লোকেরাই সঠিক পথে নিজেকে সংশোধন করার জন্য কিশোর বয়স ফিরে পেতে চায়। মনে হয় যেন, সবকিছু আবার নতুনভাবে শুরু করি বা কেন সেই সময় এটা করলাম না ঐটা করলাম না! তাই আজকে আমরা যেসব দরকারী কথা নিজের চেয়ে ছোট কাউকে অবশ্যই বলা উচিৎ তা আপনাদের সামনে উপস্থাপন করছি।

১. আপনার প্রিয় ছোট আপনজনকে বলুন, সে সবকিছু ঠিক করছে! সাবাশ! দ্বিধা অনুভব করবে না, নিজের উপর চাপ নিবে না এবং ভাববে না যে পৃথিবী নিষ্ঠুর এবং কেউ ভালবাসে না। আসলে সবকিছুই ঠিক আছে!  ভালো না বাসলেও কিছুই আসে যায় না, এক সময় ভালোবাসবে ! 

২. ধূমপান থেকে বিরত রাখতে পরামর্শ দিবেন, ধূমপানে বিনা কারনে টাকা ব্যয় হয় এবং ইহা বিভিন্ন রোগের কারন ! একবার ধূমপানে অভ্যস্ত হয়ে গেলে তা ছেড়ে দেওয়া অনেক কঠিন।   

৩. রাতে ৭ ঘন্টা ঘুমানোর সময় খুঁজে বের করার পরামর্শ দিন। এজন্য পরীক্ষা করতে হবে না এবং নায়ক হতে চেষ্টা করার প্রয়োজন হবে না।

© imgur.com

© imgur.com

৪. ইচ্ছা, লক্ষ্য এবং স্বপ্ন পূরণের জন্য আরো মনযোগী হতে উৎসাহিত করুন, সবসময় নিজেকে প্রাধান্য দিতে হবে। আমি আমার কিশোর বয়সে নিজের ইচ্ছাকে এড়িয়ে চলেছি এবং এখন আমি কি চায় তা স্পষ্টভাবে ব্যক্ত করাটা কঠিন হয়ে পড়েছে। এমনকি মাঝেমধ্যে নিজের ইচ্ছার কথা প্রকাশ করতে লজ্জাবোধ করি। তাই তাকে যাতে এর মাঝ দিয়ে না যেতে হয় পরামর্শ দিন। 

 

৫. আরো কঠোরভাবে পড়াশুনা করার পরামর্শ দিন, কারণ পরিণত বয়সে অনেক জিনিস তৈরি করতে হয়। সবকিছু সময়মতো করা উচিৎ। ৩০ বছর বয়সের চেয়ে অল্প বয়সে বিদেশী ভাষা বা অন্য ভাষা শিখা সহজ এবং কার্যকর। জীবনে শিক্ষার অর্থ ব্যাপক।

 

৬. আপনি কি পারেন সেখানে নয়, কিন্তু আপনি কোথায় যেতে যান বা কি চান সেখানে প্রবেশিক পরীক্ষার জন্য ভালো প্রস্তুতি নিন।

 

৭. বাজে বিষয়ে অযথা অর্থ ব্যয় করবেন না।

© brightside

© brightside

 

৮. তারুণ্যের প্রশংসা করুন- এটি সবচেয়ে সুন্দর সময় যা কখনো ফিরে আসবে না। স্বাধীনতা উপভোগ করুন, খেলুন, হাঁটুন, আপনার জীবন উপভোগ করুন। এই সময়টা মনে রাখবেন। পরে, আপনি এই বয়স বা সময়ের কথা প্রায়শই মনে করবেন এবং এটা আপনার সন্তানদেরকে লালন পালনের জন্য এবং বোঝার জন্য আপনাকে সহায়তা করবে।

 

৯. পড়াশুনা, সেমিস্টার পেপার এবং পরীক্ষা নিয়ে এতো চিন্তা করবেন না। যদিও আপনার নিজের বিশেষত্বের প্রয়োজন হবে, আপনি যখন যেভাবে বিষয়গুলো সবচেয়ে যৌক্তিক এবং প্রাকৃতিক হিসেবে দেখছেন, সেভাবে যাবে না। বিভিন্ন সম্মেলন, বৃত্তি, প্রশিক্ষণ প্রোগ্রামের জন্য আবেদন করতে ভয় পাবেন না। এই সবগুলোই বাস্তব! যারা তাদের দৃষ্টান্ত দেখিয়ে আপনাকে অনুপ্রাণিত করে, তাদের দেখে শিখুন এবং সেভাবেই কাজ করুন।

 

১০. শীতকালে একটি টুপি, উষ্ণ আন্ডারওয়্যার এবং মুজা পরুন। অন্যথায়, আপনার ঠান্ডা লেগে সর্দি কাশি হতে পারে।

 

১১. আপনার পিতামাতার কথা শুনুন এবং তাদের অপমান করবেন না।

© brightside

© brightside

 

১২. পরিবারের সদস্যরা একে অপরের সম্পর্কে যা বলে তা একেবারে সবকিছু মনেপ্রাণে গ্রহণ করবেন না। প্রত্যেকেরই তাদের নিজস্ব অভিযোগ এবং জীবনের মতামত আছে। প্রাপ্তবয়স্করা প্রায়শই টিনেজারদের মতো করে পক্ষপাতিত্ব করে।  

 

১৩. ব্যক্তিগত তথ্যে প্রত্যেকেই সচেতন হতে হবে। কিছু ফাইল মুছে ফেলা বা সেগুলো তৈরি না করাই ভালো। এছাড়াও আপনার কম্পিউটার এবং সেল ফোনে পাসওয়ার্ড সেট করুন।

 

১৪. অতিরিক্ত হয়ে গেলে এখনি তার সাথে ব্রেকআপ করুন এবং তাকে সারা জীবনের জন্য ভুলে যান।

 

১৫. নিজেকে এই পরামর্শ দিনঃ ‘নিজের মতো হবো, যাইহোক না কেন নিজের স্বপ্নটা পূরণ করবো। এটা শুধুমাত্র আমার একার জীবন, না আমার পিতা-মাতার না বন্ধুদের’।  

 

এই বিষয়গুলো সম্পর্কে আপনার থেকে ছোট ভাইবোনদের জানান, যেন তারা পরিণত বয়সে অনুশোচনা অনুভব না করে। আমাদের আজকের আয়োজন আপনাদের কেমন লেগেছে? কমেন্টে আমাদের শেয়ার করে জানান।  



জনপ্রিয়