৩০ বছর বয়সের মধ্যে যে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো শিখতে হবে  ৩০ বছর বয়সের মধ্যে যে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো শিখতে হবে

৩০ বছর বয়সের মধ্যে যে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো শিখতে হবে

৩০ বছর বয়সের পর থেকে জীবনের আরেকটি ধাপ শুরু হয়। তখন আমরা অবশেষে সচেতন হয়ে উঠি এবং স্বাধীনতা অনুভব করি, এছাড়াও আমাদের আকাঙ্ক্ষা এবং সত্যিকারের শুভাকাঙ্ক্ষীদের বুঝতে পারি। যাইহোক, আপনার স্বপ্নগুলো বাস্তবে রূপায়িত করতে এবং জীবনের সমস্ত ক্ষেত্রে সর্বাধিক সাফল্য পেতে, কিছু জিনিস শিখে নেয়াটা খুবই জরুরী।

আজকে আমরা এমন কিছু প্রয়োজনীয় বিষয়ের তালিকা সংগ্রহ করেছি, যে বিষয়গুলো প্রত্যেক ব্যক্তিকে ৩০ বছর বয়সের মধ্যে করা উচিৎ।  

 

আপনার পছন্দের একটা চাকুরি খুঁজে বের করুন।

© depositphotos.com/vectorlab

© depositphotos.com/vectorlab

বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক ডিগ্রি লাভের পর আমরা চাকরি, অফিসের কাজ, বেতন ও পেশার পরিবর্তন নিয়ে গবেষণা করে থাকি। কিন্তু ৩০ বছর বয়সে, আপনার এমন কাজটি খুঁজে বের করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ যা আপনাকে সন্তুষ্টি দেবে।  যেখানে আপনি আরও উন্নতির জন্য সংগ্রাম করতে পারবেন এবং ক্যারিয়ারের সিঁড়ি বেয়ে উপরে উঠবেন।

 

আপনার পছন্দের খাবার রান্না করতে শিখুন।

© depositphotos.com/vectorlab

© depositphotos.com/vectorlab

আপনি হয়তো আগে রান্না করতে পছন্দ করতেন না, কিন্তু অনেক সুস্বাদু রান্না খেতে পছন্দ করতেন। ৩০ বছর বয়সের মধ্যে আপনাকে আপনার পছন্দের রান্না করতে পারতে হবে। রান্নাগুলো এমনভাবে করুন, যাতে আপনার রান্না অন্য সবার থেকে ভিন্ন এবং সুস্বাদু হয়। আর আপনার বিভিন্ন পদের রান্নায় নতুন বৈশিষ্ট্য যোগ করতে ভয় পাবেন না।

 

আপনার সত্যিকারের বন্ধুত্বকে চিনতে পারা।

© depositphotos.com/studiostoks

© depositphotos.com/studiostoks

আমরা যখন ছোট থাকি, তখন আমাদের চারপাশে অনেক মানুষ থাকে এবং সহজেই নতুন মানুষের সাথে পরিচিত লাভ করতে পারি। প্রায়শই আমরা ভুলক্রমে মনে করি যে, তারা সবাই আমাদের ভালো বন্ধু। যাইহোক, কিছু সময়ের পর তারা উধাও হয়ে যায় এবং শুধুমাত্র সত্যিকারের বন্ধুরা আমাদের পাশে থাকে। তারা নিরাশ হওয়ার সময় আপনার পাশে থাকে এবং আপনার সাফল্যের জন্য আনন্দিত হয়।

 

আপনার ব্যক্তিগত জীবনের বিবরণ সবাইকে বলবেন না।

© depositphotos.com/studiostoks

© depositphotos.com/studiostoks

মনে রাখবেন যে, আপনি যদি আপনার সম্পর্ককে দৃঢ় রাখতে চান, তবে আপনার এবং আপনার সঙ্গীর সম্মুখীন হওয়া সমস্যার বিষয়ে সবাইকে জানানো আপনার উচিৎ হবে না। আপনি যদি আপনার ব্যক্তিগত কথাগুলো একান্তই শেয়ার করতে আগ্রহী থাকেন তাহলে একজন মনবিজ্ঞানীর স্মরণাপন্ন হোন। একজন পেশাদার আপনার কথা মনোযগ সহকারে শুনবে এবং আপনার এবং আপনার সঙ্গীর কাজগুলো বিশ্লেষ করে তিনি আপনাকে সাহায্য করবে।

 

সঠিকভাবে অগ্রাধিকার দিন

© depositphotos.com/studiostoks

© depositphotos.com/studiostoks

আমরা সবসময় যত তাড়াতাড়ি সম্ভব কাজ করার চেষ্টা করি। কিন্তু কিছুক্ষণ পর বুঝতে পারি যে, আমরা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুল উপেক্ষা করে শুধু শুধু ছট বিষয়গুলোর দিকে মনোযোগ দিচ্ছি। তাই আপনার জীবনে সবচেয়ে বেশী কার অগ্রাধিকার বেশি এবং আপনি কি করতে চান সেই বিষয়ে বুঝতে পারাটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

 

ছুটির জন্য টাকা এবং সময় খুঁজুন।

© depositphotos.com/vectorlab

© depositphotos.com/vectorlab

বিশ্রামের অভাবে নৈতিক এবং শারীরিক ক্লান্তি বৃদ্ধি পায় এবং কার্যক্ষমতার সামগ্রিক স্তর কমে যায়। তাই লেটেস্ট স্মার্টফোনের পিছনে অর্থ ব্যয় না করে বরং ছুটিতে কোথাও বেড়িয়ে আসার জন্য সেই অর্থ ব্যয় করা উত্তম।

 

একটি ড্রাইভিং লাইসেন্স নিন।

© depositphotos

© depositphotos

ড্রাইভিং লাইসেন্স আপনাকে পরবর্তী কাজের জন্য অনুপ্রাণিত করবে। আপনি যখন এটা একবার পেয়ে যাবেন, তখন আপনার একটি গাড়ি কেনার ইচ্ছা জাগবে এবং এতে আপনার আয় করার লক্ষ্য আরো বৃদ্ধি পাবে। তাছাড়া ড্রাইভিং লাইসেন্স থাকলে ভ্রমণ করাটা সহজতর হয়- বিদেশে ভ্রমণে গেলে আপনি সবসময় একটি গাড়ি ভাড়া করতে পারবেন এবং অনেকগুলো দর্শনীয় স্থানগুলো দেখে আসতে পারবেন।

 

অতিরিক্ত আয় করার চেষ্টা করুন।

© depositphotos.com/vectorlab

© depositphotos.com/vectorlab

৩০ বছর বয়সে আপনার আয় বাড়ার অতিরিক্ত উৎস নিশ্চিত করুন। এতা হতে পারে চাকরি করার পাশাপাশি ফ্রিল্যান্সিং, কিছু প্যাসিভ আয় বা আপনার নিজস্ব ব্যবসার মাধ্যমে হতে পারে। এমনকি আপনার শহরের সবচেয়ে স্থিতিশীল সংস্থার মধ্যে একটিতে কাজ করলেও আপনি একটি স্থিতিশীল ভবিষ্যত নিশ্চিত করতে পারবেন না। এই কারণে নিজের আয় বাড়ানো দরকার যাতে আপনি কোন জটিল পরিস্থিতি পড়লেও সেটা মোকাবেলা করতে পারেন।

 

জনসন্মুখে বক্তৃতা দিতে শিখুন।

© depositphotos.com/vectorlab

© depositphotos.com/vectorlab

আমাদের যখন জনসন্মুখে বক্তৃতা দেওয়ার প্রয়োজন হয়, তখন আমাদের মধ্যে অনেকেই অপ্রস্তুত হয়ে যায় এবং অপরিচিত ব্যক্তিদের সামনে দাঁড়িয়ে সাধারণ কথা বলাটাও অস্বস্তিকর হয়ে যায়। তাই আপনার ভয়কে জয় করার চেষ্টা করতে হবে।

 

নিজের স্টাইল খুঁজুন।

© depositphotos.com/studiostoks

© depositphotos.com/studiostoks

একজন প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তির তাদের নিজস্ব ব্যক্তিগত স্টাইল থাকা উচিৎ, যাতে তারা আরামবোধ মনে করবে। আপনার নিজস্ব স্টাইল থাকলে আপনার কাপড় পরা নিয়ে চিরস্থায়ী সমস্যা সম্পর্কে আপনি ভুলে যাবেন।

 

 ক্লাসিক্যাল সাহিত্য পড়ুন।

© depositphotos.com/vectorlab

© depositphotos.com/vectorlab

আমরা স্কুলে থাকতে ক্লাসিক্যাল সাহিত্যগুলো ঠিকই পড়ি, কিন্তু আমাদের অল্প বয়সের কারণে সেই গল্পগুলোর প্রকৃত গভীরতা সম্পর্কে সেই সময় বুঝতে পারি না। সেজন্যই অলসতা না করে সেই ক্লাসিক্যাল সাহিত্যগুলো পুনর্বার পড়তে হবে। আমরা নিশ্চিত যে, আপনি সেগুলোর অন্তর্নিহিত বিষয়গুলো আরো বিশদভাবে বুঝতে পারবেন।

 

সুখী হওয়ার ৪ টি সহজ পদক্ষেপ

© brightside

© brightside

এটা একটি অদ্ভুত তথ্যঃ পরিসংখ্যান অনুযায়ী ‘সুখী বয়স’ নামে কোন ধারণা নেই। আমরা যেকোন সময় যেকোন বয়সে সমানভাবে খুশি হতে পারে। সর্বাধিক সুখ বজায় রাখার জন্য কয়েকটি ধাপ অনুসরণ করা যেতে পারে।

- প্রতিদিন ১০-১৫ মিনিট নীরবে থাকার চেষ্টা করুন- ফোন, ল্যাপটপ, কাজ ইত্যাদি থেকে নিজেকে দূরে রাখুন।

- আপনার খারাপ অভ্যাস এবং ইচ্ছাগুলো প্রত্যাখ্যান করুন – এগুলো আপনার শক্তি অপচয় করে।

- ইতিবাচক মানুষের সঙ্গে নিজেকে যুক্ত রাখুন।

- নিজের ঘর পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখুন- নোংরা ঘর একটি নোংরা মন তৈরি করে।

 



জনপ্রিয়