এই দশটি লক্ষণ বলে দিবে আপনি আদর্শ জীবনসঙ্গী খুঁজে পেয়েছেন  এই দশটি লক্ষণ বলে দিবে আপনি আদর্শ জীবনসঙ্গী খুঁজে পেয়েছেন

এই দশটি লক্ষণ বলে দিবে আপনি আদর্শ জীবনসঙ্গী খুঁজে পেয়েছেন

আদর্শ জীবনসঙ্গীর খোঁজ পাওয়া কি খুব সহজ? অবশ্যই না। কিন্তু অনেকে খোঁজ পেয়েও বুঝতে পারেন দেরিতে। আদর্শ জীবনসঙ্গী খুঁজে পেয়েছেন কিনা মিলিয়ে দেখুন এই লেখা পড়ে! চলুন জেনে আসা যাক-

১০. একে অন্যের দুর্বলতাকে সম্মান করে

© isabellehattink

© isabellehattink

কেউই পারফেক্ট না। কোন না কোন দুর্বলতা আমাদের সবারই থাকে। আদর্শ জীবনসঙ্গী সে-ই হবে যে আপনার দুর্বলতাকে সম্মান জানাবে এবং দুর্বলতা নিয়ে মজা করবে না।

০৯. দুজনেই নীরবতার মধ্যেও স্বস্তি অনুভব করে

© Revolutionary Road / © DreamWorks Pictures

© Revolutionary Road / © DreamWorks Pictures

দুজন সঙ্গী তখনই আদর্শ জীবনসঙ্গী হয় যখন তারা একে অন্যের সঙ্গ উপভোগ করে। দুজনেই একসাথে নীরবতাকে উপভোগ করে।

০৮. একই বিষয়ে আগ্রহ, একই রকম বিশ্বাস

© mappingourtracks

© mappingourtracks

দুজন আদর্শ জীবনসঙ্গীর বিশ্বাস, আগ্রহ একই রকমই হয়। তাদের আগ্রহের বিষয়বস্তু একই থাকে। তাদের বিশ্বাসও এক রকম হয়।

০৭. জোর খাটায় না

© badwaycreative / Instagram   © ligaexalumnosipa / Instagram

© badwaycreative / Instagram © ligaexalumnosipa / Instagram

দুজন কেউ কারো ওপর জোর খাটায় না। যার যার আগ্রহের বিষয়ে কাজ করতে একজন অন্যজনকে অনুপ্রেরণা দেয়।

০৬. দুজন এক জায়গায় আগেও একই সময়ে গিয়েছে, কিন্তু দুজনের অজ্ঞাতে

© Depositphotos.com

© Depositphotos.com

সম্পর্কে জড়ানোর পর দেখা যায় পরিচয়ের আগেই দুজনেই কখনো না কখনো একই সময়ে একই জায়গায় ছিলো, তবে তারা কেউ তখন একে-অপরকে চিনতো বা জানতো না! বিশ্বাস করুন আর না-ই করুন, বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এ ঘটনা সত্য বলে প্রমাণিত হয়েছে!

০৫. একে অপরকে সন্দেহ করে না

© Vicky Cristina Barcelona / © MGM

© Vicky Cristina Barcelona / © MGM

আদর্শ জীবনসঙ্গীরা কখনো একে অপরকে সন্দেহ করে না। পাবলিক পার্টিতে কখনো তারা একে অপরের ওপর রগন্বিত হয় না বা সন্দেহ পোষণ করে না।

০৪. স্বার্থপরতা থাকে না

© wayfarewanderers

© wayfarewanderers

আদর্শ জীবনসঙ্গীদের একে অপরের প্রতি স্বার্থপরতা থাকে না। ইগোকে বড় করে দেখে না তারা।

০৩. কঠিন সময় বড় শিক্ষা দিয়ে যায়, পরিণত করে দুজনকেই

© lovelybeesly

© lovelybeesly

একসাথে থাকতে গেলে ঝগড়া হবেই। এটাই স্বাভাবিক। এমন পরিস্থিতিতে একে অপরকে ছেড়ে যেতে চায়। কিন্তু আদর্শ জীবনসঙ্গীরা এমনটা না করে দুজনেই এসব থেকে শিক্ষা নেই, নিজেদের পরিণত করে নেয় পরবর্তীতে যেন এমন ঘটনা এড়িয়ে যাওয়া যায়।

০২. কোন বিষয়ে আলোচনায় ভীত নয়

© The Notebook / © New Line Cinema

© The Notebook / © New Line Cinema

আদর্শ জীবনসঙ্গীরা একে অপরের সাথে কোন কথাই লুকোয় না। তারা খোলামেলা আলোচনা করে।

০১. একজনের ব্যথা অন্যজন নিজের ভেবে থাকে

আদর্শ জীবনসঙ্গীর বড় গুণ হলো নিজের পার্টনারের ব্যথাটা নিজের বলে ধরে নেয় এবং সে অনুযায়ী সঙ্গীর যত্ন নেয়।

আপনার মূল্যবান মতামত কমেন্টে জানাতে ভুলবেন না। সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ... 



জনপ্রিয়