আপনি হয়তো জানেনই না এই প্রাণীগুলোর অস্তিত্ব আছে! আপনি হয়তো জানেনই না এই প্রাণীগুলোর অস্তিত্ব আছে!

আপনি হয়তো জানেনই না এই প্রাণীগুলোর অস্তিত্ব আছে!

বিচিত্র এই পৃথিবীর আমরা কতটুকুই বা জানি! আমাদের চারপাশে অনেক প্রাণী আছে যাদের না দেখলে আপনি বিশ্বাসই করতে পারবেন না এগুলোর অস্তিত্ব আছে! খুব কম মানুষই আছে যারা এদের সম্পর্কে জানে।

আজ আমাদের আয়োজনে থাকছে সেইসব প্রাণীদের কথা যাদের অস্তিত্ব নিয়ে অনেকের সন্দেহ আছে!

 

স্যান্ড ক্যাট বা বালু বিড়াল

 ©Vladislav T. Jirousek/Shutterstock

©Vladislav T. Jirousek/Shutterstock

কার্টুনের বিড়ালের মতো দেখতে, চওড়া মুখের Felis margarita নামের বিড়ালগুলো স্যান্ড ক্যাট নামে পরিচিত। বালি বিড়াল উত্তর আফ্রিকা এবং দক্ষিণ পশ্চিম এশিয়ার মরুভূমিতে বাস করে। পানি পান করার চাইতে তারা তাদের শিকার থেকে তাদের আর্দ্রতার অধিকাংশ সংগ্রহ করে!

 

সাইবেরিয়ান উড়ন্ত কাঠবেড়ালি

 ©Masatsugu Ohashi/Shutterstock

©Masatsugu Ohashi/Shutterstock

আপনার হয়তো মনে হতে পারে এই তুলতুলে তুলার মতো প্রাণীটি বাতাসে বেশিদূর যেতে পারবে না, কিন্তু পায়ের মধ্যে থাকা ত্বকের ফ্ল্যাপ তাদের গাছ থেকে পিছলে পড়া থেকে রক্ষা করে। রাশিয়া, চীন, এবং এশিয়া ও ইউরোপের অন্যান্য উত্তর অঞ্চলে আপনি সাইবেরিয়ান উড়ন্ত কাঠবেড়ালি দেখতে পাবেন। জাপানের একমাত্র দ্বীপ হক্কাইডোতে তাদের দেখার জন্য পর্যটকরা বিশেষ করে উত্তেজিত থাকেন।

 

পিকা

 ©Tom Reichner/Shutterstock

©Tom Reichner/Shutterstock

আমেরিকা পিকা খরগোশ এবং শশকের(এক ধরনের খরগোশ) সাথে সম্পৃক্ত। তারা ছোট হতে পারে কিন্তু তারা বেশ শক্তিশালী! এই ছোট্ট প্রাণীগুলো বৈরি আবহাওয়ায় গর্ত করা ছাড়াই বাঁচতে পারে। 

 

ফেনেক শিয়াল

 ©nattanan726/Shutterstock

©nattanan726/Shutterstock

ফেনেক শিয়াল দেখে আপনার আনন্দিত হওয়ার একটা কারণ আছে, উত্তর আফ্রিকান এই প্রাণী বিশ্বের ক্ষুদ্রতম কুকুর প্রজাতি। আবার তাদের শরীরের তুলনায় তাদের কান অনেক বড়, এটি তাদের শরীরে তাপ প্রদান করে এবং শিকার ধরতে সুবিধা প্রদান করে!

 

গুন্ডি!

 ©Mr. Meijer/Shutterstock

©Mr. Meijer/Shutterstock

আপনি যদি মনে করেন গিনিপিগ দেখতে খুব মিষ্টি হয় তবে কোন নালিশ করা ছাড়া একটা গুন্ডি দেখুন! উত্তরাঞ্চলীয় আফ্রিকান তীক্ষ্ণদন্ত প্রাণীর 'ক্ষুদ্র পায়ের আঙ্গুলের লোমগুলো তাদের পশম পরিষ্কার করতে সাহায্য করে।

 

জাপানিজ র‍্যাকুন কুকুর

 ©Korbut Ivetta/Shutterstock

©Korbut Ivetta/Shutterstock

এই ছোট্ট প্রানীগুলো 'টানুকি' নামেও পরিচিত। এরা র‍্যাকুনের চাইতে কুকুরের সাথে বেশি সংযুক্ত। তারা সাধারণত একগামী হয়, মা ও বাবা জাপানিজ র‍্যাকুন কুকুর বাচ্চা একসাথে মিলে বড় করে। 

 

শেভ্রোটেইন

 ©kajornyot wildlife photography/Shutterstock

©kajornyot wildlife photography/Shutterstock

এই ছোট্ট প্রাণী দেখলে মনে হয় রুপকথার কোন বন থেকে উঠে এসেছে! এটা দেখতে হয়তো হরিণের মতো, কিন্তু খুরওয়ালা এই কাঁধ পর্যন্ত এক ফুট লম্বা হয়। শিং-এর পরিবর্তে পুরুষ 'ইঁদুর হরিণের' সাপের বিষদাঁতের মতো দাঁত থাকে।

 

হ্যারিস এর সারং কাঠবিড়াল

 ©Julie A. Curtis/Shutterstock

©Julie A. Curtis/Shutterstock

এই আদুরে প্রাণী বেঁচে থাকতে কে বলবে কাঠবেড়ালি আপদ! দক্ষিণ পশ্চিম আমেরিকা এবং উত্তর পশ্চিম মেক্সিকোতে গরম মরুভূমি জলবায়ুতে পাওয়া যায়, সূর্যের তাপ থেকে নিজেদের রক্ষার জন্য তারা তাদের লেজ ছাতি হিসেবে ব্যবহার করে। 

 

বঙ্গ

 ©Nazzu/Shutterstock

©Nazzu/Shutterstock

বঙ্গ নাম শুনে কোন ড্রাম মনে করবেন না! বনে বাস করা এই আফ্রিকান প্রাণী কৃষ্ণসারমৃগদের(এক ধরনের হরিণ) মধ্যে সবচেয়ে বড় প্রজাতি। প্রাপ্তবয়স্ক হলে তাদের শিং ৪০ ইঞ্চি পর্যন্ত বৃদ্ধি পেতে পারে!

 

সের্ভাল!

 ©The Len/Shutterstock

©The Len/Shutterstock

শুধু তাদের মুখ দেখুন! আফ্রিকার সাভানাহ অঞ্চলে এই জিরাফ বিড়ালগুলো পাওয়া যায়। তাদের গলাই শুধু অন্য বিড়াল থেকে তাদের আলাদা করেনি, এমনকি অন্যান্য বিড়ালের চেয়ে তাদের কান অনেক বেশি বড় হয়!

 

অ্যাক্সোলোট !

 ©Sergio Gutierrez Getino/Shutterstock

©Sergio Gutierrez Getino/Shutterstock

"মেক্সিকোর হেঁটে মাছ" আসলে কোন মাছ নয় বরং আসলে একটি স্যালামাণ্ডার( সরীসৃপতুল্য উভচর প্রাণিবিশেষ)। অন্যান্য উভচর থেকে তারা বিপরীত।বাঙ্গাচি অবস্থায় যেখানে অন্যান্য উভচররা পৃষ্ঠীয় পাখনা এবং বাহ্যিক ফুলকা হারিয়ে ফেলে সেখানে এদের বড় হওয়া পর্যন্ত এই বৈশিষ্ট্যগুলো থাকে। 

 

কুয়োল

 ©Craig Dingle/Shutterstock

©Craig Dingle/Shutterstock

শাবকবাহী জীব হিসাবে, এই অস্ট্রেলিয়ান স্তন্যপায়ী তাদের মায়ের থলিতে জীবনের প্রথম নয়টি সপ্তাহ ব্যয় করে। তারা দেখতে আদুরে হলেও এরা ক্ষমাহীন শিকারী। বড় প্রজাতি পাখি, পামাম, এবং খরগোশ খায়, ছোটরা পোকামাকড়, পাখির ডিম এবং ছোট প্রাণীকে ধরে খায়। 

 

টামান্ডুয়া

 ©Adriana Margarita Larios Arellano/Shutterstock

©Adriana Margarita Larios Arellano/Shutterstock

এই ছোট্ট পিঁপড়েভূকগুলো তাদের বড় প্রজাতির চেয়ে বেশি আদুরে! তার দীর্ঘ মুখ এবং জিহ্বা এটি প্রতিদিন তাকে ৯,০০০ টি পিঁপড়া খেতে সাহায্য করে। টামান্ডুয়া টমেটো, মধু এবং ফলও খায়।

 

মেন্ড নেকড়ে!

 ©Esmeralda Edenberg/Shutterstock

©Esmeralda Edenberg/Shutterstock

তাদের লম্বা পা গিসেল বুন্দেনকেও লজ্জায় ফেলে দিবে! শিয়ালের মতো দেখতে এই নেকড়ে শিয়াল কিংবা নেকড়ের সাথে তেমন বেশি সম্পর্কিত নয়, Chrysocyon প্রজাতির একমাত্র প্রাণী। 

 

এই নতুন প্রাণীদের কথা জেনে আপনাদের কেমন লাগলো? আমাদের সাথে শেয়ার করতে ভুলবেন না।

আমাদের আয়োজন ভালো লাগলে লাইক, কমেন্ট, শেয়ারের মাধ্যমে আমাদের সাথেই থাকুন। আমাদের পাশে থাকার জন্য ধন্যবাদ।

 



জনপ্রিয়