গর্ভাবস্থা সম্পর্কে অদ্ভুত কিন্তু সত্য কিছু ব্যাপার  গর্ভাবস্থা সম্পর্কে অদ্ভুত কিন্তু সত্য কিছু ব্যাপার

গর্ভাবস্থা সম্পর্কে অদ্ভুত কিন্তু সত্য কিছু ব্যাপার

গর্ভাবস্থা সম্পর্কে আমরা কি জানি? বমি বমি ভাব, পিঠের ব্যথা, অস্বাভাবিক খাদ্য পছন্দ, এই সমস্ত ঘটনা পুরুষ ও শিশুরাও জানে। কিন্তু আপনি কি জানেন, যে শিশুর জন্ম হয়নি এখনো সে কাঁদতে পারে? অথবা সদ্য জন্মানো শিশুর মালাইচাকি থাকে না এটা শুধুই একটা রুপকথা? 

আজ আমরা আপনাদের সামনে প্রকাশ করব গর্ভাবস্থা সম্পর্কে এরকম অদ্ভুত কিন্তু সত্য কিছু ঘটনা যা আপনার ডাক্তারও আপনাকে বলবে না!

 

© Pixabay.com

© Pixabay.com

# সারা বছর ধরে গর্ভে বাচ্চা বয়ে নিয়ে চলা মোটেও রুপকথা নয়। সাধারণত গর্ভে ভ্রুণ আসা থেকে জন্ম পর্যন্ত ২৬৬ দিন বা ৩৮ সপ্তাহ সময় লাগে। বাস্তবে এরচেয়ে বেশি বা কম সময়ও লাগতে পারে। বিউলুয়াহ হান্টার ৩৭৫ দিন গর্ভবতী ছিলেন। তার ভ্রুণ অন্যদের তুলনায় ধীরে বেড়ে উঠছিল তাই তার বাচ্চা হতে ১ বছরের বেশি সময় লেগেছিল, কিন্তু শেষপর্যন্ত একজন স্বাস্থ্যকর মেয়ের জন্ম হয়। 

 

# গর্ভাবস্থার দ্বিতীয়ভাগে একটি ভ্রূণ ০.২৫ গ্যালন তরল এক দিনে বের করে দেয় এবং আবার তা ধীরে ধীরে গ্রহণও করে।

 

© Depositphotos   © Depositphotos

© Depositphotos © Depositphotos

# গর্ভাবস্থায় একটি গর্ভাশয় স্বাভাবিকের চেয়ে ৫০০ গুণ বড় হয়, কিন্তু বাচ্চা জন্মের ২ মাস পর তা আবার স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসে। গর্ভাবস্থার পূর্বে গর্ভাশয়ের আঁকার থাকে পীচ ফলের মত এবং গর্ভাবস্থার শেষে তার আঁকার তরমুজের মত হয়ে যায়। 

 

# ৩ বছর গর্ভবতী না থাকার চেয়ে গর্ভাবস্থার তৃতীয় ত্রৈমাসিকের সময় একজন মহিলার আরও অধিক ইস্ট্রোজেন উৎপাদন করে। একবার গর্ভবতী হলে যে পরিমাণ ইস্ট্রোজেন উৎপন্ন হয় সারাজীবন মিলেও তা হয় না। 

 

© Pixabay

© Pixabay

# গর্ভাবস্থায় একজন মহিলার শুধু স্তন এবং কোমরই বাড়ে না এর সাথে সাথে তার পায়ের আকারও বৃদ্ধি পায়। এর পেছনে কিছু কারণ আছে। যেমনঃ শরীরে পানি আসে,  হরমোনের পরিবর্তন হয়, অতিরিক্ত ওজন বৃদ্ধির ফলে পায়ের পাতায় অত্যধিক চাপ পড়ে। 

 

# জন্মানোর পূর্বে গর্ভে থাকা অবস্থায় বাচ্চা কাঁদতে পারে। তৃতীয় ত্রৈমাসিকে তাদের এই ক্ষমতা বিকাশ লাভ করে এবং মায়ের তলপেটের কাছাকাছি কম ডেসিবেলের শব্দ শুনলে তারা প্রতিক্রিয়া করে। ভিডিও রেকর্ডকৃত আল্ট্রাসাউন্ড ইমেজের মাধ্যমে বোঝা যায় তাদের প্রতিক্রিয়া। যেমনঃ মুখ খোলা, তাদের জিহ্বার কাজের মাধ্যমে, শ্বাসত্যাগ করার আগে অনেক অনিয়মিত শ্বাস গ্রহণ।

© natasupernova / Instagram   © natasupernova / Instagram

© natasupernova / Instagram © natasupernova / Instagram

 

# গর্ভবতী মহিলাদের একটি নিত্য সাথী হল শরীরের রঙ পরিবর্তন হয়ে যাওয়া। ৯০% মা এই সমস্যা মোকাবেলা করে। মুখে বিভিন্ন দাগ হতে পারে, বিশেষ করে কপালে, নাকে, চিবুকে এবং চোখে। ্মায়ের চামড়ার রঙের উপর এটি নির্ভর করে। পরিষ্কার ত্বক কালো হয়ে যায় এবং গাঢ় ত্বক হালকা হয়ে যায়।

 

# গড়ে ১০ থেকে ১৯ সপ্তাহের মধ্যে বাচ্চার আঙ্গুলের ছাপ গড়ে ওঠে। যখন গড়ে ওঠে মৃত্যুর আগপর্যন্ত তা একই থাকে।

© Depositphotos

© Depositphotos

# একটি অজাত শিশু তার মা খায় এমন খাদ্যের অনুভূতি, স্বাদ এবং গন্ধ অনুভব করতে পারে। তারা অ্যামনিয়োটিক তরল দ্বারা শোষিত হয় এবং ভবিষ্যতের ব্যক্তির খাদ্য পছন্দ গঠন করতে পারে।

 

গর্ভাবস্থা একটি আশ্চর্যজনক সময় যখন একজন মহিলার শরীর যে পরিবর্তনগুলির মধ্যে দিয়ে যায় তা কল্পনা করা কঠিন। আপনাদের কাছে কোন সত্য ঘটনাটা সবচেয়ে বেশি আশ্চর্যজনক লেগেছে? আমাদের সাথে শেয়ার করতে ভুলবেন না।

আমাদের আয়োজন ভালো লাগলে লাইক, কমেন্ট, শেয়ারের মাধ্যমে আমাদের সাথেই থাকুন। আমাদের পাশে থাকার জন্য ধন্যবাদ।



জনপ্রিয়