সারা বিশ্বের অসাধারণ কিছু ভাস্কর্যের ছবি  সারা বিশ্বের অসাধারণ কিছু ভাস্কর্যের ছবি

সারা বিশ্বের অসাধারণ কিছু ভাস্কর্যের ছবি

আধুনিক ভাস্কর্যগুলো প্রথাগত ভাস্কর্যের প্রবর্তিত নিয়ম এবং চর্চা থেকে দূরে সরে যাচ্ছে। এটি আরও বৈচিত্র্যপূর্ণ, জটিল এবং সাহসী হয়ে উঠছে। সারা বিশ্বের অসাধারণ কিছু ভাস্কর্যের ছবি দেখে নেয়া যাক।

 

এই অসাধারণ ভাস্কর্যটি তৈরি করেছেন “কারেন কুসোলিটো”। আধুনিক সমাজে মানুষের আবেগ, উদ্দেশ্য এবং সমস্যাগুলি তুলে ধরা হয়েছে।

source: internet

source: internet

 

ভাস্কর্যটি তৈরি করেছেন নিকোলাস লাভারেনে। এটি ফ্রান্সের মৌগিন নামক এক গ্রামে রয়েছে।

source: internet

source: internet

 

একটি স্মৃতির অবশিষ্টাংশ। অ্যাডাম মার্টনাকিসের ডিজিটাল শিল্পটি প্রযুক্তিগত দিক থেকে পরিপূর্ণ এবং গভীর দার্শনিক চিন্তাধারা দ্বারা অনুপ্রাণিত। এই শিল্পী প্রমাণ করেছেন শিল্প যে কোন রুপ নিতে পারে।

source: internet

source: internet

 

বেঁচে থাকার মত যথেষ্ট বুদ্ধির প্রয়োজন। ভাস্কর্যটি ব্রোঞ্জের তৈরি।

source: internet

source: internet

 

ভাস্কর্যটি সুইজারল্যান্ডে রয়েছে। এটি তৈরি করেছেন ফিলিপ জ্যাকসন।

source: internet

source: internet

 

ভাস্কর্যটির নাম ডিজিটাল অরকা যা কানাডাতে অবস্থিত। নির্মাতা মনে করেন সহজ এবং প্রাণবন্ত চিত্রগুলো সর্বদা মানুষের মনোযোগ টেনে নিতে পারে।  

source: internet

source: internet

 

এই ভাস্কর্যটি দক্ষিণ কোরিয়ায় রয়েছে। ২৬ বছর বয়সী “পার্ক কি পাইংয়ের” তৈরি ভাস্কর্যটি নিজের সাথে মানুষের চলা অভ্যন্তরীণ সংগ্রামের প্রতীক।

source: internet

source: internet

 

“সাপোর্ট” নামের এই ভাস্কর্যটি “লিওনার্দো কুইন” ভেনিস শহরে স্থাপনের মাধ্যমে জলবায়ু পরিবর্তনের হুমকি সম্পর্কে সকলকে জানানোর চেষ্টা করেছেন।

source: internet

source: internet

 

আফ্রিকায় প্রতিবছর “বারনিং ম্যান” অনুস্থানে নির্মিত অন্যতম ভাস্কর্য এটি।

source: internet

source: internet

 

“চ্যাড নাইট” তার এই ভাস্কর্যটি দ্বারা মানুষের বাস্তব জীবন এবং ডিজিটাল বিশ্বের মধ্যে যে সূক্ষ্ম সীমাবদ্ধতা ঝাপসা আকারে রয়েছে তা বুঝিয়েছেন।

source: internet

source: internet

 

মাটির ভিতর থেকে উঠে আসতে চাচ্ছে একটি দৈত্য এমন একটি ভাস্কর্য ১৯৮০ সালে জন স্টুয়ার্ড দ্বিতীয় তৈরি করেন। এটির উচ্চতা প্রায় ৭০ ফুট।​​​​​​​

source: internet

source: internet

 

এই ভাস্কর্যটি অস্ট্রেলিয়াতে রয়েছে। এই সুন্দর এবং স্পর্শকাতর ভাস্কর্যটি আলেসান্ড্রা রসি দ্বারা তৈরি করা হয়েছে। এখানে তিনটি প্রধান রং রয়েছে যা পৃথিবী, সমুদ্র এবং আকাশের প্রতীক।

source: internet

source: internet

 

 

এই ছবিগুলো প্রমাণ করে মানুষের অসাধ্য কিছুই নেই। আপনাদের এই আয়োজন কেমন লাগলো আমাদের সাথে শেয়ার করতে ভুলবেন না।

আমাদের আয়োজন ভালো লাগলে লাইক, কমেন্ট, শেয়ারের মাধ্যমে আমাদের সাথেই থাকুন। আমাদের পাশে থাকার জন্য ধন্যবাদ।



জনপ্রিয়